ঢাকা ০১:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিনিয়োগনির্ভর ও উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গড়ে তুলতে চায় সরকার : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ‘জনমুখী স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে চিকিৎসকদের সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন’:মির্জা ফখরুল লন্ডনে প্রকাশ্যে ডাব খাওয়ার সময় তোপের মুখে সাবেক মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে: সার্জিও গর কু‌ড়িগ্রা‌মে এন‌সি‌পির মি‌ছি‌লে হামলা, আহত ১০ আলিফের চোখ ফেরত দিন, আমরা চুপ হয়ে যাব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী রামপুরায় চলন্ত বাসে উঠতে গিয়ে যাত্রীর মৃত্যু জামালপুরে ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ ফাঁসি দিয়ে দেন, মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত আছি- ট্রাইব্যুনালে বললেন লতিফ সিদ্দিকী ৬০ লাখ টাকায়ও মেলেনি মুক্তি, আরও ২৭ লাখ দিতে দেরি হওয়ায় হত্যা

বিএনপি কোন লজ্জায় মানবাধিকারের কথা বলে: হানিফ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকারীদের পুরস্কৃত করে জিয়াউর রহমান ইতিহাসের সবচেয়ে বড় মানবাধিকার লঙ্ঘনের কাজ করেছিলেন জানিয়ে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেছেন, ‘ইতিহাসের সবচেয়ে বড় মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছিলেন জিয়াউর রহমান। এরপরও তারা কোন লজ্জায় মানবাধিকারের কথা বলে, তা জাতি জানতে চায়।’

শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের সামনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালে শ্রদ্ধা জানানো শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুলের বক্তব্যের সমালোচনা করে হানিফ বলেন, এই দেশে সবচেয়ে বড় মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছিল জিয়াউর রহমানের আমলে। পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যাকারীদের বিচার না করে তাদের পুরস্কৃত করার মাধ্যমে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছিলেন জিয়াউর রহমান। এরপরও তারা কোন লজ্জায় মানবাধিকারের কথা বলে, তা জাতি জানতে চায়।

আওয়ামী লীগের এই নেতা আরও বলেন, জিয়াউর রহমান ক্ষমতা দখলের পর স্বাধীনতা যুদ্ধে যারা ধর্মের দোহাই দিয়ে গণহত্যা, নারী নির্যাতন করেছিল, সেই যুদ্ধাপরাধী, দালাল রাজাকারদের জেল থেকে মুক্ত করে দিয়ে রাজনীতি করার সুযোগ করে দেন। এই বিএনপির আশ্রয়ে-প্রশ্রয়ে ধর্মভিত্তিক অপশক্তি সারা দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। আমরা সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য সর্বোচ্চ পদক্ষেপ নেব। যুদ্ধাপরাধীদের মতো সব স্বাধীনতা বিরোধীদের বিচারের আওতায় আনা হবে।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দুর্নীতির মামলায় আদালতের একজন দণ্ডপ্রাপ্ত কয়েদি। শুধুমাত্র বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার কৃপায় খালেদা জিয়া জামিনে বাইরে আছেন। বিএনপি অনেকবার বলেছিল তাদের নেত্রীকে মুক্ত করতে তারা আন্দোলন করবে। কিন্তু তাদের সে আন্দোলনে জনগণ সাড়া দেয়নি। এমনকি বিএনপির নেতা-কর্মীরাও সাড়া দেয়নি।

‘বিএনপির নেতাকর্মীরা সবাই জানে বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক জিয়া দুর্নীতিবাজ। তাই দুর্নীতিবাজদের পক্ষে কেউ রাস্তায় নামতে চায় না। এরপরেও বিএনপির নেতা-কর্মীরা কোন লজ্জায় মানবাধিকার লঙ্ঘনের কথা বলে তা জাতির বোধগম্য নয়।–যোগ করেন আওয়ামী লীগের এই নেতা।

এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রবিউল ইসলাম, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান, জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল ইসলাম স্বপনসহ অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিনিয়োগনির্ভর ও উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গড়ে তুলতে চায় সরকার : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

বিএনপি কোন লজ্জায় মানবাধিকারের কথা বলে: হানিফ

আপডেট সময় ০৭:১২:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকারীদের পুরস্কৃত করে জিয়াউর রহমান ইতিহাসের সবচেয়ে বড় মানবাধিকার লঙ্ঘনের কাজ করেছিলেন জানিয়ে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেছেন, ‘ইতিহাসের সবচেয়ে বড় মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছিলেন জিয়াউর রহমান। এরপরও তারা কোন লজ্জায় মানবাধিকারের কথা বলে, তা জাতি জানতে চায়।’

শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের সামনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালে শ্রদ্ধা জানানো শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুলের বক্তব্যের সমালোচনা করে হানিফ বলেন, এই দেশে সবচেয়ে বড় মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছিল জিয়াউর রহমানের আমলে। পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যাকারীদের বিচার না করে তাদের পুরস্কৃত করার মাধ্যমে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছিলেন জিয়াউর রহমান। এরপরও তারা কোন লজ্জায় মানবাধিকারের কথা বলে, তা জাতি জানতে চায়।

আওয়ামী লীগের এই নেতা আরও বলেন, জিয়াউর রহমান ক্ষমতা দখলের পর স্বাধীনতা যুদ্ধে যারা ধর্মের দোহাই দিয়ে গণহত্যা, নারী নির্যাতন করেছিল, সেই যুদ্ধাপরাধী, দালাল রাজাকারদের জেল থেকে মুক্ত করে দিয়ে রাজনীতি করার সুযোগ করে দেন। এই বিএনপির আশ্রয়ে-প্রশ্রয়ে ধর্মভিত্তিক অপশক্তি সারা দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। আমরা সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য সর্বোচ্চ পদক্ষেপ নেব। যুদ্ধাপরাধীদের মতো সব স্বাধীনতা বিরোধীদের বিচারের আওতায় আনা হবে।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দুর্নীতির মামলায় আদালতের একজন দণ্ডপ্রাপ্ত কয়েদি। শুধুমাত্র বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার কৃপায় খালেদা জিয়া জামিনে বাইরে আছেন। বিএনপি অনেকবার বলেছিল তাদের নেত্রীকে মুক্ত করতে তারা আন্দোলন করবে। কিন্তু তাদের সে আন্দোলনে জনগণ সাড়া দেয়নি। এমনকি বিএনপির নেতা-কর্মীরাও সাড়া দেয়নি।

‘বিএনপির নেতাকর্মীরা সবাই জানে বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক জিয়া দুর্নীতিবাজ। তাই দুর্নীতিবাজদের পক্ষে কেউ রাস্তায় নামতে চায় না। এরপরেও বিএনপির নেতা-কর্মীরা কোন লজ্জায় মানবাধিকার লঙ্ঘনের কথা বলে তা জাতির বোধগম্য নয়।–যোগ করেন আওয়ামী লীগের এই নেতা।

এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রবিউল ইসলাম, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান, জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল ইসলাম স্বপনসহ অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।