ঢাকা ১০:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিরোধী দল দমনে সরকার বলপ্রয়োগের পথই বেছে নিয়েছে: হাসনাত আবদুল্লাহ এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে অপহরণ, নির্যাতন ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ কর্ণফুলী নদী থেকে তরুণীর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার নরসিংদীতে বাড়িতে ঢুকে যুবকের মাথায় ও পায়ে গুলি করে হত্যা অবদান নিয়ে বিতর্ক তুলে যারা অনৈক্য তৈরি করেছে ব্যর্থতার দায় তাদের: এবি পার্টি তরুণ উদ্ভাবকরাই দেশের ভবিষ্যৎ: প্রধানমন্ত্রী আমরা ফ্যাসিস্ট ব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছি : মির্জা ফখরুল জুলাইয়ে দেশে এলো ৩৫ হাজার ৪০০ কোটি টাকার রেমিট্যান্স মার্কিন চুক্তির মাঝেই গাজায় পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ডাক ইসরাইলের স্বাক্ষরিত জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করবে সরকার

ভারত থেকে আরও ৫০ হাজার টন সিদ্ধ চাল ক্রয়ের অনুমোদন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে ২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য ভারত থেকে ৫০ হাজার মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল ক্রয়ের অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

বুধবার (৯ ডিসেম্বর) অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের অনুপস্থিতিতে আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের সভাপতিত্বে ভার্চ্যুয়ালি অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ৩৪তম বৈঠকে এই প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে অনলাইনে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব আবু সালেহ্ মোস্তফা কামাল সাংবাদিকদের বলেন, আজকের ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা বৈঠকে টেবিলে উত্থাপিত একটি প্রস্তাবসহ মোট ১৪টি ক্রয় প্রস্তাব উপস্থাপিত হলে এর মধ্যে ১০ প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়।

অতিরিক্ত সচিব বলেন, আন্তর্জাতিক কোটেশনের মাধ্যমে ২০২০-২১ অর্থবছরে প্যাকেজ ২ এর আওতায় ৫০ হাজার টন নন-বাসমতি সিদ্ধ চাল ক্রয় প্রস্তাবে সায় দেওয়া হয়েছে। এর সুপারিশকৃত দরদাতা হচ্ছে ভারতের মুম্বাইয়ে এম এস রিকা গ্লোবাল ইমপ্যাক্টস লিমিটেড।

প্রকল্পবের বিস্তারিত তুলে ধরে আবু সালেহ বলেন, ২ কোটি ২ লাখ ১৭ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার বা ১৭১ কোটি ৪৪ লাখ ৪৪ হাজার টাকায় এ চাল কেনা হচ্ছে জানিয়ে প্রতিকেজি ৩৪ টাকা ২৮ পয়সা দেশের বন্দর পৌঁছানে পর্যন্ত খরচ পড়বে। প্রতি টনে ক্রয়মূল্যে দাঁড়াবে ৪০৪ দশমিক ৩৫ মার্কিন ডলার। ভারত থেকে এ চাল আসবে।

এর আগেও গত ৩৩তম ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভার বৈঠকে আন্তর্জাতিক কোটেশনের মাধ্যমে ২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য ১৭৬ কোটি ৩৮ লাখ ৪০ হাজার টাকায় ৫০ হাজার টন নন-বাসমতি সিদ্ধ চাল ক্রয় প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছিলো কমিটি। তখন প্রতি কেজি চালের দাম ৩৫ টাকা ২৭ পয়সা৷ আর প্রতি টনে ক্রয়মূল্যে দাঁড়াবে ৪১৬ মার্কিন ডলার। এর সুপারিশকৃত দরদাতা হচ্ছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বীরভূমের এম এস পি কে এগ্রি লিংক প্রাইভেট লিমিটেড।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিরোধী দল দমনে সরকার বলপ্রয়োগের পথই বেছে নিয়েছে: হাসনাত আবদুল্লাহ

ভারত থেকে আরও ৫০ হাজার টন সিদ্ধ চাল ক্রয়ের অনুমোদন

আপডেট সময় ০৪:২৭:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে ২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য ভারত থেকে ৫০ হাজার মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল ক্রয়ের অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

বুধবার (৯ ডিসেম্বর) অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের অনুপস্থিতিতে আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের সভাপতিত্বে ভার্চ্যুয়ালি অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ৩৪তম বৈঠকে এই প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে অনলাইনে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব আবু সালেহ্ মোস্তফা কামাল সাংবাদিকদের বলেন, আজকের ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা বৈঠকে টেবিলে উত্থাপিত একটি প্রস্তাবসহ মোট ১৪টি ক্রয় প্রস্তাব উপস্থাপিত হলে এর মধ্যে ১০ প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়।

অতিরিক্ত সচিব বলেন, আন্তর্জাতিক কোটেশনের মাধ্যমে ২০২০-২১ অর্থবছরে প্যাকেজ ২ এর আওতায় ৫০ হাজার টন নন-বাসমতি সিদ্ধ চাল ক্রয় প্রস্তাবে সায় দেওয়া হয়েছে। এর সুপারিশকৃত দরদাতা হচ্ছে ভারতের মুম্বাইয়ে এম এস রিকা গ্লোবাল ইমপ্যাক্টস লিমিটেড।

প্রকল্পবের বিস্তারিত তুলে ধরে আবু সালেহ বলেন, ২ কোটি ২ লাখ ১৭ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার বা ১৭১ কোটি ৪৪ লাখ ৪৪ হাজার টাকায় এ চাল কেনা হচ্ছে জানিয়ে প্রতিকেজি ৩৪ টাকা ২৮ পয়সা দেশের বন্দর পৌঁছানে পর্যন্ত খরচ পড়বে। প্রতি টনে ক্রয়মূল্যে দাঁড়াবে ৪০৪ দশমিক ৩৫ মার্কিন ডলার। ভারত থেকে এ চাল আসবে।

এর আগেও গত ৩৩তম ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভার বৈঠকে আন্তর্জাতিক কোটেশনের মাধ্যমে ২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য ১৭৬ কোটি ৩৮ লাখ ৪০ হাজার টাকায় ৫০ হাজার টন নন-বাসমতি সিদ্ধ চাল ক্রয় প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছিলো কমিটি। তখন প্রতি কেজি চালের দাম ৩৫ টাকা ২৭ পয়সা৷ আর প্রতি টনে ক্রয়মূল্যে দাঁড়াবে ৪১৬ মার্কিন ডলার। এর সুপারিশকৃত দরদাতা হচ্ছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বীরভূমের এম এস পি কে এগ্রি লিংক প্রাইভেট লিমিটেড।