ঢাকা ০৪:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শেখ হাসিনা পালিয়ে আমাদের বিপদে ফেলে গেছেন,তিনি থাকলে অন্তত একটা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চলত: মির্জা ফখরুল দুই হত্যা মামলায় হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা আগামী নির্বাচন হবে মানুষের জীবন ও ভাগ্য বদলে দেওয়ার নির্বাচন : সালাহউদ্দিন চানখারপুলে ৬ হত্যা মামলার রায়ে অসন্তুষ্ট রাষ্ট্রপক্ষ, করা হবে আপিল গণভোট-সংসদ নির্বাচনের ফল হবে একসঙ্গে : ইসি সচিব পাকিস্তানকে বিশ্বকাপে খেলার অনুমতি দেবে না সরকার সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড নির্বাচনে নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনে সশস্ত্র বাহিনীকে নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার ‘লাইলাতুল গুজব’ শেষে বিসিবিতেই দেখা গেল বুলবুলকে ঢাকা-১৮ আসনে এনসিপি প্রার্থীর ওপর বিএনপির হামলার অভিযোগ

ভারত থেকে আরও ৫০ হাজার টন সিদ্ধ চাল ক্রয়ের অনুমোদন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে ২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য ভারত থেকে ৫০ হাজার মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল ক্রয়ের অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

বুধবার (৯ ডিসেম্বর) অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের অনুপস্থিতিতে আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের সভাপতিত্বে ভার্চ্যুয়ালি অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ৩৪তম বৈঠকে এই প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে অনলাইনে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব আবু সালেহ্ মোস্তফা কামাল সাংবাদিকদের বলেন, আজকের ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা বৈঠকে টেবিলে উত্থাপিত একটি প্রস্তাবসহ মোট ১৪টি ক্রয় প্রস্তাব উপস্থাপিত হলে এর মধ্যে ১০ প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়।

অতিরিক্ত সচিব বলেন, আন্তর্জাতিক কোটেশনের মাধ্যমে ২০২০-২১ অর্থবছরে প্যাকেজ ২ এর আওতায় ৫০ হাজার টন নন-বাসমতি সিদ্ধ চাল ক্রয় প্রস্তাবে সায় দেওয়া হয়েছে। এর সুপারিশকৃত দরদাতা হচ্ছে ভারতের মুম্বাইয়ে এম এস রিকা গ্লোবাল ইমপ্যাক্টস লিমিটেড।

প্রকল্পবের বিস্তারিত তুলে ধরে আবু সালেহ বলেন, ২ কোটি ২ লাখ ১৭ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার বা ১৭১ কোটি ৪৪ লাখ ৪৪ হাজার টাকায় এ চাল কেনা হচ্ছে জানিয়ে প্রতিকেজি ৩৪ টাকা ২৮ পয়সা দেশের বন্দর পৌঁছানে পর্যন্ত খরচ পড়বে। প্রতি টনে ক্রয়মূল্যে দাঁড়াবে ৪০৪ দশমিক ৩৫ মার্কিন ডলার। ভারত থেকে এ চাল আসবে।

এর আগেও গত ৩৩তম ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভার বৈঠকে আন্তর্জাতিক কোটেশনের মাধ্যমে ২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য ১৭৬ কোটি ৩৮ লাখ ৪০ হাজার টাকায় ৫০ হাজার টন নন-বাসমতি সিদ্ধ চাল ক্রয় প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছিলো কমিটি। তখন প্রতি কেজি চালের দাম ৩৫ টাকা ২৭ পয়সা৷ আর প্রতি টনে ক্রয়মূল্যে দাঁড়াবে ৪১৬ মার্কিন ডলার। এর সুপারিশকৃত দরদাতা হচ্ছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বীরভূমের এম এস পি কে এগ্রি লিংক প্রাইভেট লিমিটেড।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শেখ হাসিনা পালিয়ে আমাদের বিপদে ফেলে গেছেন,তিনি থাকলে অন্তত একটা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চলত: মির্জা ফখরুল

ভারত থেকে আরও ৫০ হাজার টন সিদ্ধ চাল ক্রয়ের অনুমোদন

আপডেট সময় ০৪:২৭:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে ২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য ভারত থেকে ৫০ হাজার মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল ক্রয়ের অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

বুধবার (৯ ডিসেম্বর) অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের অনুপস্থিতিতে আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের সভাপতিত্বে ভার্চ্যুয়ালি অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ৩৪তম বৈঠকে এই প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে অনলাইনে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব আবু সালেহ্ মোস্তফা কামাল সাংবাদিকদের বলেন, আজকের ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা বৈঠকে টেবিলে উত্থাপিত একটি প্রস্তাবসহ মোট ১৪টি ক্রয় প্রস্তাব উপস্থাপিত হলে এর মধ্যে ১০ প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়।

অতিরিক্ত সচিব বলেন, আন্তর্জাতিক কোটেশনের মাধ্যমে ২০২০-২১ অর্থবছরে প্যাকেজ ২ এর আওতায় ৫০ হাজার টন নন-বাসমতি সিদ্ধ চাল ক্রয় প্রস্তাবে সায় দেওয়া হয়েছে। এর সুপারিশকৃত দরদাতা হচ্ছে ভারতের মুম্বাইয়ে এম এস রিকা গ্লোবাল ইমপ্যাক্টস লিমিটেড।

প্রকল্পবের বিস্তারিত তুলে ধরে আবু সালেহ বলেন, ২ কোটি ২ লাখ ১৭ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার বা ১৭১ কোটি ৪৪ লাখ ৪৪ হাজার টাকায় এ চাল কেনা হচ্ছে জানিয়ে প্রতিকেজি ৩৪ টাকা ২৮ পয়সা দেশের বন্দর পৌঁছানে পর্যন্ত খরচ পড়বে। প্রতি টনে ক্রয়মূল্যে দাঁড়াবে ৪০৪ দশমিক ৩৫ মার্কিন ডলার। ভারত থেকে এ চাল আসবে।

এর আগেও গত ৩৩তম ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভার বৈঠকে আন্তর্জাতিক কোটেশনের মাধ্যমে ২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য ১৭৬ কোটি ৩৮ লাখ ৪০ হাজার টাকায় ৫০ হাজার টন নন-বাসমতি সিদ্ধ চাল ক্রয় প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছিলো কমিটি। তখন প্রতি কেজি চালের দাম ৩৫ টাকা ২৭ পয়সা৷ আর প্রতি টনে ক্রয়মূল্যে দাঁড়াবে ৪১৬ মার্কিন ডলার। এর সুপারিশকৃত দরদাতা হচ্ছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বীরভূমের এম এস পি কে এগ্রি লিংক প্রাইভেট লিমিটেড।