ঢাকা ০৩:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্থগিত সীমান্ত বাণিজ্য পুনরায় চালুর আহ্বান মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতের ফ্যাসিস্টদের ফটোকপি বিএনপির মধ্যে দেখতে পাচ্ছি: বিরোধীদলীয় নেতা স্কুলছাত্রী ও তরুণকে গাছে বেঁধে নির্যাতন, অভিযুক্ত বিএনপি নেতা আটক প্রান্তিক মানুষের নাগালে মানসম্মত চিকিৎসা পৌঁছে দিতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: মির্জা ফখরুল চীনে ভারি বৃষ্টিতে ভূমিধসে নিহত বেড়ে ২৫, বেইজিংসহ একাধিক অঞ্চলে সতর্কতা হামাসের দুই কমান্ডারকে হত্যার দাবি ইসরাইলের হাসিনাকে গুম-খুন নিয়ে প্রশ্ন না করে অনেক সাংবাদিক তৈলমর্দনে ব্যস্ত ছিলেন: কাদের গনি ঢাকায় ফের ওয়াটার বাস চালুর উদ্যোগ, যুক্ত হতে পারে বেসরকারি খাত জনগণ আপনাকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত, কীভাবে আসবেন আসেন: শেখ হাসিনাকে পরওয়ার নতুন আইন কর্মকর্তাদের সততার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান অ্যাটর্নি জেনারেলের

ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক: আমেরিকাকে যে শর্ত দিল সুদান

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ব্যাপারে আমেরিকাকে আল্টিমেটাম এবং একইসঙ্গে শর্ত দিয়েছে সুদান।

সুদানের অন্তর্বর্তী সরকার- সার্বভৌমত্ব কাউন্সিলের চেয়ারম্যান লে. জেনারেল আব্দেল ফাত্তাহ আল-বুরহান বুধবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও’র সঙ্গে এক টেলিফোনালাপে এ চূড়ান্ত সময়সীমা বেধে দিয়েছেন।

তিনি পম্পেওকে বলেছেন, চলতি ডিসেম্বর মাসের শেষ নাগাদ যদি মার্কিন কংগ্রেস সুদানকে কথিত সন্ত্রাসবাদে পৃষ্ঠপোষকতা দেয়ার অভিযোগ থেকে মুক্তি দিয়ে আইন পাস না করে তাহলে খার্তুম তেল আবিবের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রক্রিয়া স্থগিত রাখবে।

মার্কিন দৈনিক নিউইয়র্ক টাইমস এ খবর জানিয়ে বলেছে, টেলিফোনালাপে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে কংগ্রেসে এ সংক্রান্ত প্রস্তাব পাস হবে। খবরে বলা হয়েছে, ডিসেম্বর শেষ হওয়ার আগেই ট্রাম্প প্রশাসন ইসরায়েলের সঙ্গে সুদানের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চুক্তি স্বাক্ষরের অনুষ্ঠান হোয়াইট হাউজে আয়োজন করতে চায়।

কিন্তু মার্কিন কংগ্রেসে সুদানের কাঙ্ক্ষিত আইন অনুমোদন নিয়ে মতবিরোধ রয়েছে। রবার্ট মেনেন্ডজ ও চাক শুমেরের মতো ডেমোক্র্যাট সিনেটররা ইসরায়েলের সঙ্গে সুদানের সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে চান। কিন্তু ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের সন্ত্রাসী হামলায় আল-কায়েদাকে সহযোগিতা করার কারণে তারা সুদানকে সন্ত্রাসবাদে পৃষ্ঠপোষকতা দেয়ার অভিযোগ থেকে মুক্তি দেওয়ার বিরোধী। এ অবস্থায় মার্কিন কংগ্রেসে রাতারাতি সুদানকে এ ধরনের অভিযোগ থেকে মুক্তি দেওয়ার আইন পাস করা কঠিন।

এদিকে সাম্প্রতিক নির্বাচনে পরাজিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাতে এ সংক্রান্ত আইন পাস করিয়ে নেয়ার সময়ও দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে। এ অবস্থায় সুদানের অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষে এ ধরনের আইনি সুরক্ষা ছাড়া ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা কঠিন হয়ে পড়বে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

স্থগিত সীমান্ত বাণিজ্য পুনরায় চালুর আহ্বান মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতের

ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক: আমেরিকাকে যে শর্ত দিল সুদান

আপডেট সময় ১২:৩৯:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ব্যাপারে আমেরিকাকে আল্টিমেটাম এবং একইসঙ্গে শর্ত দিয়েছে সুদান।

সুদানের অন্তর্বর্তী সরকার- সার্বভৌমত্ব কাউন্সিলের চেয়ারম্যান লে. জেনারেল আব্দেল ফাত্তাহ আল-বুরহান বুধবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও’র সঙ্গে এক টেলিফোনালাপে এ চূড়ান্ত সময়সীমা বেধে দিয়েছেন।

তিনি পম্পেওকে বলেছেন, চলতি ডিসেম্বর মাসের শেষ নাগাদ যদি মার্কিন কংগ্রেস সুদানকে কথিত সন্ত্রাসবাদে পৃষ্ঠপোষকতা দেয়ার অভিযোগ থেকে মুক্তি দিয়ে আইন পাস না করে তাহলে খার্তুম তেল আবিবের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রক্রিয়া স্থগিত রাখবে।

মার্কিন দৈনিক নিউইয়র্ক টাইমস এ খবর জানিয়ে বলেছে, টেলিফোনালাপে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে কংগ্রেসে এ সংক্রান্ত প্রস্তাব পাস হবে। খবরে বলা হয়েছে, ডিসেম্বর শেষ হওয়ার আগেই ট্রাম্প প্রশাসন ইসরায়েলের সঙ্গে সুদানের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চুক্তি স্বাক্ষরের অনুষ্ঠান হোয়াইট হাউজে আয়োজন করতে চায়।

কিন্তু মার্কিন কংগ্রেসে সুদানের কাঙ্ক্ষিত আইন অনুমোদন নিয়ে মতবিরোধ রয়েছে। রবার্ট মেনেন্ডজ ও চাক শুমেরের মতো ডেমোক্র্যাট সিনেটররা ইসরায়েলের সঙ্গে সুদানের সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে চান। কিন্তু ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের সন্ত্রাসী হামলায় আল-কায়েদাকে সহযোগিতা করার কারণে তারা সুদানকে সন্ত্রাসবাদে পৃষ্ঠপোষকতা দেয়ার অভিযোগ থেকে মুক্তি দেওয়ার বিরোধী। এ অবস্থায় মার্কিন কংগ্রেসে রাতারাতি সুদানকে এ ধরনের অভিযোগ থেকে মুক্তি দেওয়ার আইন পাস করা কঠিন।

এদিকে সাম্প্রতিক নির্বাচনে পরাজিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাতে এ সংক্রান্ত আইন পাস করিয়ে নেয়ার সময়ও দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে। এ অবস্থায় সুদানের অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষে এ ধরনের আইনি সুরক্ষা ছাড়া ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা কঠিন হয়ে পড়বে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।