ঢাকা ০৮:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

বিয়ের দাবিতে পুলিশ সদস্যের বাড়িতে কিশোরীর অনশন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

কুড়িগ্রামের রাজারহাটে বিয়ের দাবিতে আনন্দ নামে এক পুলিশ কনস্টেবলের বাড়িতে ২ দিন ধরে অনশন করছে এক তরুণী (১৫)।

কনস্টেবল আনন্দ উপজেলার ছিনাই ইউনিয়নের জয়কুমর গড়েরপাড় মৌজার অমল চন্দ্র রায়ের ছেলে। মেয়েটি তার বাড়িতে অবস্থানের সময় পুলিশ কনস্টেবল আনন্দ তার কর্মস্থল লালমনিরহাটে আছেন।

ওই কিশোরীর অভিযোগ, ৪ বছর আগে ফেসবুকের মাধ্যমে আনন্দের সঙ্গে আমার পরিচয় হয়। পরিচয় থেকে ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে উঠে। পারিবারিকভাবে ৩ লাখ টাকা যৌতুকে বিয়ের আলোচনাও হয়। কিন্তু মাঝখানে দুজনের মধ্যে কথা বন্ধ হয়ে যায়। খোঁজ নিয়ে জানতে পারি, আনন্দ অন্যত্র ১২ লাখ টাকা যৌতুকের বিনিময়ে বিয়ের আলাপ চূড়ান্ত করেছে।

তাই আমি রোববার থেকে বিয়ের দাবিতে আনন্দের বাসায় এসেছি। আনন্দ এর আগে আমাকে বিয়ের কথা বলে তিস্তায় তার পিসতোতো বোনের বাসায় নিয়ে গিয়ে আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে শারীরিক সম্পর্ক করে। আমি বিয়ের কথা বললে টালবাহানা করে আমাকে বিয়ে না করে বাড়িতে ফেরত পাঠায়।

আবার গত ২২ আগস্টও বিয়ের কথা বলে ফুসলিয়ে তিস্তার মোস্তফিতে আনন্দের তালতো বোনের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে পুনরায় শারীরিক সম্পর্ক করে। শারীরিক সম্পর্ক করার পর আমি আবারও বিয়ের কথা বললে নানা টালবাহানা করে।

এরপর থেকে আমার সঙ্গে দুর্ব্যবহার শুরু করে। আনন্দ আমার সর্বস্ব কেড়ে নিয়ে বেঁচে থাকার অবলম্বনটুকুও শেষ করে দিয়েছে। আমাকে বিয়ে না করলে আমি আমার জীবন শেষ করে দেব বলে আনন্দের পরিবারের সদস্যদের হুমকি দেয় ওই কিশোরী।

এদিকে সাংবাদিকরা আনন্দের বাসায় মেয়েটির সঙ্গে দেখা করতে গেলে আনন্দের পরিবারের সদস্যরা সাংবাদিকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে। পরে আনন্দের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে আনন্দ সাংবাদিক শুনেই ফোন কেটে দেন।

এ বিষয়ে ছিনাই ইউপি চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান হক বুলু ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমি শুনেছি মেয়েটি আনন্দের বাড়িতে আছে।

রাজারহাট থানার ওসি মো. রাজু সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মেয়েটি দশম শ্রেণির ছাত্রী। বয়স কম। এছাড়া ওই ছেলের সঙ্গে অন্য একটি মেয়ের বিয়ের আশীর্বাদ হয়ে আছে। মেয়েটিকে তার অভিভাবকের কাছে পৌঁছানোর জন্য আলোচনা চলছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিয়ের দাবিতে পুলিশ সদস্যের বাড়িতে কিশোরীর অনশন

আপডেট সময় ০৭:৪৬:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ নভেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

কুড়িগ্রামের রাজারহাটে বিয়ের দাবিতে আনন্দ নামে এক পুলিশ কনস্টেবলের বাড়িতে ২ দিন ধরে অনশন করছে এক তরুণী (১৫)।

কনস্টেবল আনন্দ উপজেলার ছিনাই ইউনিয়নের জয়কুমর গড়েরপাড় মৌজার অমল চন্দ্র রায়ের ছেলে। মেয়েটি তার বাড়িতে অবস্থানের সময় পুলিশ কনস্টেবল আনন্দ তার কর্মস্থল লালমনিরহাটে আছেন।

ওই কিশোরীর অভিযোগ, ৪ বছর আগে ফেসবুকের মাধ্যমে আনন্দের সঙ্গে আমার পরিচয় হয়। পরিচয় থেকে ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে উঠে। পারিবারিকভাবে ৩ লাখ টাকা যৌতুকে বিয়ের আলোচনাও হয়। কিন্তু মাঝখানে দুজনের মধ্যে কথা বন্ধ হয়ে যায়। খোঁজ নিয়ে জানতে পারি, আনন্দ অন্যত্র ১২ লাখ টাকা যৌতুকের বিনিময়ে বিয়ের আলাপ চূড়ান্ত করেছে।

তাই আমি রোববার থেকে বিয়ের দাবিতে আনন্দের বাসায় এসেছি। আনন্দ এর আগে আমাকে বিয়ের কথা বলে তিস্তায় তার পিসতোতো বোনের বাসায় নিয়ে গিয়ে আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে শারীরিক সম্পর্ক করে। আমি বিয়ের কথা বললে টালবাহানা করে আমাকে বিয়ে না করে বাড়িতে ফেরত পাঠায়।

আবার গত ২২ আগস্টও বিয়ের কথা বলে ফুসলিয়ে তিস্তার মোস্তফিতে আনন্দের তালতো বোনের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে পুনরায় শারীরিক সম্পর্ক করে। শারীরিক সম্পর্ক করার পর আমি আবারও বিয়ের কথা বললে নানা টালবাহানা করে।

এরপর থেকে আমার সঙ্গে দুর্ব্যবহার শুরু করে। আনন্দ আমার সর্বস্ব কেড়ে নিয়ে বেঁচে থাকার অবলম্বনটুকুও শেষ করে দিয়েছে। আমাকে বিয়ে না করলে আমি আমার জীবন শেষ করে দেব বলে আনন্দের পরিবারের সদস্যদের হুমকি দেয় ওই কিশোরী।

এদিকে সাংবাদিকরা আনন্দের বাসায় মেয়েটির সঙ্গে দেখা করতে গেলে আনন্দের পরিবারের সদস্যরা সাংবাদিকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে। পরে আনন্দের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে আনন্দ সাংবাদিক শুনেই ফোন কেটে দেন।

এ বিষয়ে ছিনাই ইউপি চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান হক বুলু ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমি শুনেছি মেয়েটি আনন্দের বাড়িতে আছে।

রাজারহাট থানার ওসি মো. রাজু সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মেয়েটি দশম শ্রেণির ছাত্রী। বয়স কম। এছাড়া ওই ছেলের সঙ্গে অন্য একটি মেয়ের বিয়ের আশীর্বাদ হয়ে আছে। মেয়েটিকে তার অভিভাবকের কাছে পৌঁছানোর জন্য আলোচনা চলছে।