ঢাকা ১২:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নিয়ন্ত্রণে নেয়া শহরে বহু বছর পর শোনা যাবে আজানের ধ্বনি : আজারি প্রেসিডেন্ট

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

নাগর্নো-কারাবাখ অঞ্চলের কৌশলগত ‘শুশা’ শহরের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে আজারবাইজান। আজারি প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ আজ রবিবার এক টুইটার বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আজারি সেনাবাহিনী শুশা শহরের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করেছে। বহু বছর পর এখন সেখানে আজানের ধ্বনি শোনা যাবে।

এর আগে তিনি কারাবাখের ৯টি গ্রাম পুনরুদ্ধারের খবর দিয়েছিলেন। এসব গ্রাম ও শহর আর্মেনিয়ার নিয়ন্ত্রণে ছিল। শুশা শহর হচ্ছে কারাবাখের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ শহর। গত কয়েক দিন ধরেই শহরটি ঘিরে রেখেছিল আজারবাইজানের সেনাবাহিনী। গত ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে নাগার্নো-কারাবাখ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ব্যাপক সংঘর্ষ শুরু হয়। দুই দেশ এ পর্যন্ত দুই বার যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হলেও স্বল্প সময়ের ব্যবধানে তা ভেঙে গেছে।

আন্তর্জাতিকভাবে নাগার্নো-কারাবাখ অঞ্চলটি আজারবাইজানের ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃত। কিন্তু ১৯৯০ এর দশকে সেখানে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে আর্মেনিয়া। দখলীকৃত এলাকা থেকে বহু আজারি নাগরিককে বিতাড়িত করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

নিয়ন্ত্রণে নেয়া শহরে বহু বছর পর শোনা যাবে আজানের ধ্বনি : আজারি প্রেসিডেন্ট

আপডেট সময় ১০:০৮:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

নাগর্নো-কারাবাখ অঞ্চলের কৌশলগত ‘শুশা’ শহরের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে আজারবাইজান। আজারি প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ আজ রবিবার এক টুইটার বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আজারি সেনাবাহিনী শুশা শহরের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করেছে। বহু বছর পর এখন সেখানে আজানের ধ্বনি শোনা যাবে।

এর আগে তিনি কারাবাখের ৯টি গ্রাম পুনরুদ্ধারের খবর দিয়েছিলেন। এসব গ্রাম ও শহর আর্মেনিয়ার নিয়ন্ত্রণে ছিল। শুশা শহর হচ্ছে কারাবাখের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ শহর। গত কয়েক দিন ধরেই শহরটি ঘিরে রেখেছিল আজারবাইজানের সেনাবাহিনী। গত ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে নাগার্নো-কারাবাখ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ব্যাপক সংঘর্ষ শুরু হয়। দুই দেশ এ পর্যন্ত দুই বার যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হলেও স্বল্প সময়ের ব্যবধানে তা ভেঙে গেছে।

আন্তর্জাতিকভাবে নাগার্নো-কারাবাখ অঞ্চলটি আজারবাইজানের ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃত। কিন্তু ১৯৯০ এর দশকে সেখানে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে আর্মেনিয়া। দখলীকৃত এলাকা থেকে বহু আজারি নাগরিককে বিতাড়িত করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।