ঢাকা ০৫:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিনিয়োগনির্ভর ও উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গড়ে তুলতে চায় সরকার : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ‘জনমুখী স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে চিকিৎসকদের সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন’:মির্জা ফখরুল লন্ডনে প্রকাশ্যে ডাব খাওয়ার সময় তোপের মুখে সাবেক মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে: সার্জিও গর কু‌ড়িগ্রা‌মে এন‌সি‌পির মি‌ছি‌লে হামলা, আহত ১০ আলিফের চোখ ফেরত দিন, আমরা চুপ হয়ে যাব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী রামপুরায় চলন্ত বাসে উঠতে গিয়ে যাত্রীর মৃত্যু জামালপুরে ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ ফাঁসি দিয়ে দেন, মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত আছি- ট্রাইব্যুনালে বললেন লতিফ সিদ্দিকী ৬০ লাখ টাকায়ও মেলেনি মুক্তি, আরও ২৭ লাখ দিতে দেরি হওয়ায় হত্যা

ব্যাটারিচালিত রিকশার চলাচল পুলিশ নির্ণয় করতে পারে না: ভিপি নুর

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সদ্য সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর বলেছেন, ব্যাটারিচালিত রিকশা সড়কে চলবে কি, চলবে না তা পুলিশ নির্ণয় করতে পারে না।

মঙ্গলবার (০৩ নভেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ব্যাটারিচালিত রিকশা অবৈধ ঘোষণা ও সিটি করপোরেশন কর্তৃক উচ্ছেদ অভিযানের প্রতিবাদে আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশ শ্রমিক অধিকার পরিষদ এ মানববন্ধনের আয়োজন করে ।

নুর বলেন, রিকশা শ্রমিক ভাইয়েরা অনেকের কাছে গিয়েছেন। কেউ তাদের পাশে দাঁড়ায়নি। অনেকেই তাদের কাছ থেকে টাকা পয়সা নিয়ে ধান্দাবাজি করেছে। লালবাগ ট্রাফিক জোন টাকা নিয়েছে তাদের কাছ থেকে। রিসিড দিয়েছে। যদি মোটর চালিত রিকশা অবৈধ হয়, তাহলে কোন প্রক্রিয়ায় টাকা নিলো তারা?

প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতাদের সমালোচনা করে তিনি বলেন, আমি জানি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে যে বাস রাখা হয়, সেখানের প্রতিটি বাস থেকে প্রতি রাতে একশ থেকে তিনশ টাকা করে নেওয়া হয়। ওখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আছে তারা নিশ্চয়ই জানেন, ওখানকার রাজনৈতিক ও ক্ষমতাসীন দলের নেতারা জানেন এই টাকা কোথায় যায় বা কার কার কাছে যায়। পরিসংখ্যান ও বাস্তবতা বলে যে, রাজনৈতিক দলের ধান্দাবাজ নেতা এবং প্রশাসনের অসাধু কর্মকর্তারা শ্রমিকদের রক্ত চুষে এই ধরণের চাঁদাবাজি করছে।

আন্দোলনরত রিকশাচালকদের নুর বলেন, নগরভবনে গিয়ে আপনাদের দাবির কথা মেয়রকে বলেন। আপনারা দুই-এক জন যাবেন না। পাঁচ-ছয় জনের একটি প্রতিনিধিদল বানিয়ে মেয়রের সঙ্গে দেখা করতে যাবেন। আর বাকি রিকশাচালকরা নগর ভবনের সামনে অবস্থান করে আপনাদের দাবি আদায় করবেন।

বাংলাদেশ শ্রমিক অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব মো. আরিফ হোসেন বলেন, মোটর চালিত রিকশা রাস্তায় চলতে গেলে দু-একটা ধাক্কা লাগতেই পারে। এতে কি সমস্যা? ইউরোপীয় বেশ কয়েকটি দেশে এই মোটর চালিত রিকশা চলে। বাংলাদেশে রিকশা চলতে অসুবিধা কি?

তিনি বলেন, মোটর চালিত রিকশা নিয়ে অপপ্রচার করা হচ্ছে যে, বিদ্যুৎ চুরি ও দুর্ঘটনা হয়। অটোরিকশা দুর্ঘটনা নিয়ে পরিসংখ্যান দেখাতে পারবেন কি পরিমান দুর্ঘটনা হয়েছে?

এ সময় তিনি তিন দফা দাবি তুলে ধরেন। দাবি তিনটি হলো- ব্যাটারি চালিত সব রিকশাকে সরকারি প্রতিষ্ঠান কর্তৃক নির্ধারিত করা। সব সিটি করপোরেশন এলাকার মেইন রোডের রিকশার জন্য উভয় পাশে ৪ফিট আলাদা লেন চালু করা। প্রশাসন ও রাজনৈতিক সিন্ডিকেটের সব হয়রানির, বাণিজ্য ও প্রভাব স্থায়ীভাবে বন্ধ করা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিনিয়োগনির্ভর ও উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গড়ে তুলতে চায় সরকার : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

ব্যাটারিচালিত রিকশার চলাচল পুলিশ নির্ণয় করতে পারে না: ভিপি নুর

আপডেট সময় ০৬:৪৭:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সদ্য সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর বলেছেন, ব্যাটারিচালিত রিকশা সড়কে চলবে কি, চলবে না তা পুলিশ নির্ণয় করতে পারে না।

মঙ্গলবার (০৩ নভেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ব্যাটারিচালিত রিকশা অবৈধ ঘোষণা ও সিটি করপোরেশন কর্তৃক উচ্ছেদ অভিযানের প্রতিবাদে আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশ শ্রমিক অধিকার পরিষদ এ মানববন্ধনের আয়োজন করে ।

নুর বলেন, রিকশা শ্রমিক ভাইয়েরা অনেকের কাছে গিয়েছেন। কেউ তাদের পাশে দাঁড়ায়নি। অনেকেই তাদের কাছ থেকে টাকা পয়সা নিয়ে ধান্দাবাজি করেছে। লালবাগ ট্রাফিক জোন টাকা নিয়েছে তাদের কাছ থেকে। রিসিড দিয়েছে। যদি মোটর চালিত রিকশা অবৈধ হয়, তাহলে কোন প্রক্রিয়ায় টাকা নিলো তারা?

প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতাদের সমালোচনা করে তিনি বলেন, আমি জানি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে যে বাস রাখা হয়, সেখানের প্রতিটি বাস থেকে প্রতি রাতে একশ থেকে তিনশ টাকা করে নেওয়া হয়। ওখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আছে তারা নিশ্চয়ই জানেন, ওখানকার রাজনৈতিক ও ক্ষমতাসীন দলের নেতারা জানেন এই টাকা কোথায় যায় বা কার কার কাছে যায়। পরিসংখ্যান ও বাস্তবতা বলে যে, রাজনৈতিক দলের ধান্দাবাজ নেতা এবং প্রশাসনের অসাধু কর্মকর্তারা শ্রমিকদের রক্ত চুষে এই ধরণের চাঁদাবাজি করছে।

আন্দোলনরত রিকশাচালকদের নুর বলেন, নগরভবনে গিয়ে আপনাদের দাবির কথা মেয়রকে বলেন। আপনারা দুই-এক জন যাবেন না। পাঁচ-ছয় জনের একটি প্রতিনিধিদল বানিয়ে মেয়রের সঙ্গে দেখা করতে যাবেন। আর বাকি রিকশাচালকরা নগর ভবনের সামনে অবস্থান করে আপনাদের দাবি আদায় করবেন।

বাংলাদেশ শ্রমিক অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব মো. আরিফ হোসেন বলেন, মোটর চালিত রিকশা রাস্তায় চলতে গেলে দু-একটা ধাক্কা লাগতেই পারে। এতে কি সমস্যা? ইউরোপীয় বেশ কয়েকটি দেশে এই মোটর চালিত রিকশা চলে। বাংলাদেশে রিকশা চলতে অসুবিধা কি?

তিনি বলেন, মোটর চালিত রিকশা নিয়ে অপপ্রচার করা হচ্ছে যে, বিদ্যুৎ চুরি ও দুর্ঘটনা হয়। অটোরিকশা দুর্ঘটনা নিয়ে পরিসংখ্যান দেখাতে পারবেন কি পরিমান দুর্ঘটনা হয়েছে?

এ সময় তিনি তিন দফা দাবি তুলে ধরেন। দাবি তিনটি হলো- ব্যাটারি চালিত সব রিকশাকে সরকারি প্রতিষ্ঠান কর্তৃক নির্ধারিত করা। সব সিটি করপোরেশন এলাকার মেইন রোডের রিকশার জন্য উভয় পাশে ৪ফিট আলাদা লেন চালু করা। প্রশাসন ও রাজনৈতিক সিন্ডিকেটের সব হয়রানির, বাণিজ্য ও প্রভাব স্থায়ীভাবে বন্ধ করা।