ঢাকা ০৯:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘ডাকসু ছিল মাদকের আড্ডা-বেশ্যাখানা’:জামায়াত নেতার পোস্টাল ব্যালট ডাকাতি হতে দেখা যাচ্ছে: তারেক রহমান ‘হ্যাঁ’ মানে আজাদি, ‘না’ মানে গোলামি : জামায়াত আমির বিএনপির সমাবেশে অসুস্থ হয়ে কিশোরের মৃত্যু, আহত আরও ২ চমেকে ভর্তি শেখ হাসিনাকে বক্তব্য দিতে দেওয়া বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সিট দেওয়ার মালিক আল্লাহ ও জনগণ : মির্জা আব্বাস ‘নিরাপত্তা উদ্বেগ সমাধান না হওয়াটা দুঃখজনক’:মোহাম্মদ ইউসুফ ‘বাপ-দাদাদের জমি বিক্রি করে রাজনীতি করি,আপনাদের আমানতের খেয়ানত করবো না’:মির্জা ফখরুল আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ নয়, সরকার অপরাধীদের জামিনের বিরুদ্ধে : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা পোস্টাল ব্যালট ব্যবস্থার ত্রুটির বিষয়ে ইসির নীরবতা প্রশ্নবিদ্ধ: নজরুল ইসলাম

ব্যাটারিচালিত রিকশার চলাচল পুলিশ নির্ণয় করতে পারে না: ভিপি নুর

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সদ্য সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর বলেছেন, ব্যাটারিচালিত রিকশা সড়কে চলবে কি, চলবে না তা পুলিশ নির্ণয় করতে পারে না।

মঙ্গলবার (০৩ নভেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ব্যাটারিচালিত রিকশা অবৈধ ঘোষণা ও সিটি করপোরেশন কর্তৃক উচ্ছেদ অভিযানের প্রতিবাদে আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশ শ্রমিক অধিকার পরিষদ এ মানববন্ধনের আয়োজন করে ।

নুর বলেন, রিকশা শ্রমিক ভাইয়েরা অনেকের কাছে গিয়েছেন। কেউ তাদের পাশে দাঁড়ায়নি। অনেকেই তাদের কাছ থেকে টাকা পয়সা নিয়ে ধান্দাবাজি করেছে। লালবাগ ট্রাফিক জোন টাকা নিয়েছে তাদের কাছ থেকে। রিসিড দিয়েছে। যদি মোটর চালিত রিকশা অবৈধ হয়, তাহলে কোন প্রক্রিয়ায় টাকা নিলো তারা?

প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতাদের সমালোচনা করে তিনি বলেন, আমি জানি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে যে বাস রাখা হয়, সেখানের প্রতিটি বাস থেকে প্রতি রাতে একশ থেকে তিনশ টাকা করে নেওয়া হয়। ওখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আছে তারা নিশ্চয়ই জানেন, ওখানকার রাজনৈতিক ও ক্ষমতাসীন দলের নেতারা জানেন এই টাকা কোথায় যায় বা কার কার কাছে যায়। পরিসংখ্যান ও বাস্তবতা বলে যে, রাজনৈতিক দলের ধান্দাবাজ নেতা এবং প্রশাসনের অসাধু কর্মকর্তারা শ্রমিকদের রক্ত চুষে এই ধরণের চাঁদাবাজি করছে।

আন্দোলনরত রিকশাচালকদের নুর বলেন, নগরভবনে গিয়ে আপনাদের দাবির কথা মেয়রকে বলেন। আপনারা দুই-এক জন যাবেন না। পাঁচ-ছয় জনের একটি প্রতিনিধিদল বানিয়ে মেয়রের সঙ্গে দেখা করতে যাবেন। আর বাকি রিকশাচালকরা নগর ভবনের সামনে অবস্থান করে আপনাদের দাবি আদায় করবেন।

বাংলাদেশ শ্রমিক অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব মো. আরিফ হোসেন বলেন, মোটর চালিত রিকশা রাস্তায় চলতে গেলে দু-একটা ধাক্কা লাগতেই পারে। এতে কি সমস্যা? ইউরোপীয় বেশ কয়েকটি দেশে এই মোটর চালিত রিকশা চলে। বাংলাদেশে রিকশা চলতে অসুবিধা কি?

তিনি বলেন, মোটর চালিত রিকশা নিয়ে অপপ্রচার করা হচ্ছে যে, বিদ্যুৎ চুরি ও দুর্ঘটনা হয়। অটোরিকশা দুর্ঘটনা নিয়ে পরিসংখ্যান দেখাতে পারবেন কি পরিমান দুর্ঘটনা হয়েছে?

এ সময় তিনি তিন দফা দাবি তুলে ধরেন। দাবি তিনটি হলো- ব্যাটারি চালিত সব রিকশাকে সরকারি প্রতিষ্ঠান কর্তৃক নির্ধারিত করা। সব সিটি করপোরেশন এলাকার মেইন রোডের রিকশার জন্য উভয় পাশে ৪ফিট আলাদা লেন চালু করা। প্রশাসন ও রাজনৈতিক সিন্ডিকেটের সব হয়রানির, বাণিজ্য ও প্রভাব স্থায়ীভাবে বন্ধ করা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ডাকসু ছিল মাদকের আড্ডা-বেশ্যাখানা’:জামায়াত নেতার

ব্যাটারিচালিত রিকশার চলাচল পুলিশ নির্ণয় করতে পারে না: ভিপি নুর

আপডেট সময় ০৬:৪৭:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সদ্য সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর বলেছেন, ব্যাটারিচালিত রিকশা সড়কে চলবে কি, চলবে না তা পুলিশ নির্ণয় করতে পারে না।

মঙ্গলবার (০৩ নভেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ব্যাটারিচালিত রিকশা অবৈধ ঘোষণা ও সিটি করপোরেশন কর্তৃক উচ্ছেদ অভিযানের প্রতিবাদে আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশ শ্রমিক অধিকার পরিষদ এ মানববন্ধনের আয়োজন করে ।

নুর বলেন, রিকশা শ্রমিক ভাইয়েরা অনেকের কাছে গিয়েছেন। কেউ তাদের পাশে দাঁড়ায়নি। অনেকেই তাদের কাছ থেকে টাকা পয়সা নিয়ে ধান্দাবাজি করেছে। লালবাগ ট্রাফিক জোন টাকা নিয়েছে তাদের কাছ থেকে। রিসিড দিয়েছে। যদি মোটর চালিত রিকশা অবৈধ হয়, তাহলে কোন প্রক্রিয়ায় টাকা নিলো তারা?

প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতাদের সমালোচনা করে তিনি বলেন, আমি জানি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে যে বাস রাখা হয়, সেখানের প্রতিটি বাস থেকে প্রতি রাতে একশ থেকে তিনশ টাকা করে নেওয়া হয়। ওখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আছে তারা নিশ্চয়ই জানেন, ওখানকার রাজনৈতিক ও ক্ষমতাসীন দলের নেতারা জানেন এই টাকা কোথায় যায় বা কার কার কাছে যায়। পরিসংখ্যান ও বাস্তবতা বলে যে, রাজনৈতিক দলের ধান্দাবাজ নেতা এবং প্রশাসনের অসাধু কর্মকর্তারা শ্রমিকদের রক্ত চুষে এই ধরণের চাঁদাবাজি করছে।

আন্দোলনরত রিকশাচালকদের নুর বলেন, নগরভবনে গিয়ে আপনাদের দাবির কথা মেয়রকে বলেন। আপনারা দুই-এক জন যাবেন না। পাঁচ-ছয় জনের একটি প্রতিনিধিদল বানিয়ে মেয়রের সঙ্গে দেখা করতে যাবেন। আর বাকি রিকশাচালকরা নগর ভবনের সামনে অবস্থান করে আপনাদের দাবি আদায় করবেন।

বাংলাদেশ শ্রমিক অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব মো. আরিফ হোসেন বলেন, মোটর চালিত রিকশা রাস্তায় চলতে গেলে দু-একটা ধাক্কা লাগতেই পারে। এতে কি সমস্যা? ইউরোপীয় বেশ কয়েকটি দেশে এই মোটর চালিত রিকশা চলে। বাংলাদেশে রিকশা চলতে অসুবিধা কি?

তিনি বলেন, মোটর চালিত রিকশা নিয়ে অপপ্রচার করা হচ্ছে যে, বিদ্যুৎ চুরি ও দুর্ঘটনা হয়। অটোরিকশা দুর্ঘটনা নিয়ে পরিসংখ্যান দেখাতে পারবেন কি পরিমান দুর্ঘটনা হয়েছে?

এ সময় তিনি তিন দফা দাবি তুলে ধরেন। দাবি তিনটি হলো- ব্যাটারি চালিত সব রিকশাকে সরকারি প্রতিষ্ঠান কর্তৃক নির্ধারিত করা। সব সিটি করপোরেশন এলাকার মেইন রোডের রিকশার জন্য উভয় পাশে ৪ফিট আলাদা লেন চালু করা। প্রশাসন ও রাজনৈতিক সিন্ডিকেটের সব হয়রানির, বাণিজ্য ও প্রভাব স্থায়ীভাবে বন্ধ করা।