ঢাকা ০১:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

উইঘুরদের সমর্থন পাচ্ছেন ট্রাম্প

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। এরইমধ্যে কে বিজয়ী হবেন তা নিয়ে চলছে আলোচনা। সিএনএন জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাসিত বেশিরভাগ উইঘুরের সমর্থন এবার বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দিকে। চীনের ওপর নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে অনড় অবস্থান গ্রহণ করায় উইঘুরদের কাছ থেকে সমর্থন পাচ্ছেন তিনি।

২০১৬ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্প বিজয়ী হওয়ায় মার্কিন নাগরিক ও নির্বাসিত উইঘুর এরকিন সিদিক স্তব্ধ ও হতাশ হয়ে পড়েছিলেন। তিনি ও তার পরিবারের ডেমোক্রেট প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনকে ভোট প্রদান করেছিলেন। হিলারির নেতৃত্ব তাদের মুগ্ধ করেছিল বেশি। চার বছর পর সেই সিদিক এখন ডেমোক্রেট প্রতিদ্বন্দ্বী জো বাইডেনের বাদ দিয়ে ট্রাম্পকেই সমর্থন দিচ্ছেন। তার বক্তব্য, জিনজিয়াংয়ে উইঘুরদের ওপর নির্যাতন বন্ধে রিপাবলিকান নেতাই ট্রাম্পই একমাত্র প্রার্থী চীনের ওপর চাপপ্রয়োগে যথেষ্ট সামর্থ্য রাখেন।

২০০৯ এর পর থেকে চীনের জিনজিয়াংয়ে যাননি সিদিক। তার দাবি, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তার অনেক কাছের মানুষ নিখোঁজ হয়েছেন। তিনি বলেন, চীনের সঙ্গে দরকষাকষিতে শক্তিশালী নেতার প্রয়োজন। ডোনাল্ড ট্রাম্প তেমনই এক নেতা। জো বাইডেন বিশ্বব্যাপী বন্ধু তৈরি করতে কূটনৈতিকভাবে ভালো অবস্থানে আছেন কিন্তু তার এ মানসিকতা চীনের ক্ষেত্রে কাজ করবে না।

ক্ষমতাগ্রহণের শুরুতে ট্রাম্প চীনের মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাননি। তবে দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কের অবণতি হলে ট্রাম্প উইঘুর প্রসঙ্গ টেনে চীনের সমালোচনা করা শুরু করেন। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ২০ লাখ উইঘুর এবং অন্য মুসলিম সংখ্যালঘুদের জিনজিয়াংয়ে ডিটেনশন কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

The Daily Akash

জনপ্রিয় সংবাদ

উইঘুরদের সমর্থন পাচ্ছেন ট্রাম্প

আপডেট সময় ০৪:১৫:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। এরইমধ্যে কে বিজয়ী হবেন তা নিয়ে চলছে আলোচনা। সিএনএন জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাসিত বেশিরভাগ উইঘুরের সমর্থন এবার বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দিকে। চীনের ওপর নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে অনড় অবস্থান গ্রহণ করায় উইঘুরদের কাছ থেকে সমর্থন পাচ্ছেন তিনি।

২০১৬ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্প বিজয়ী হওয়ায় মার্কিন নাগরিক ও নির্বাসিত উইঘুর এরকিন সিদিক স্তব্ধ ও হতাশ হয়ে পড়েছিলেন। তিনি ও তার পরিবারের ডেমোক্রেট প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনকে ভোট প্রদান করেছিলেন। হিলারির নেতৃত্ব তাদের মুগ্ধ করেছিল বেশি। চার বছর পর সেই সিদিক এখন ডেমোক্রেট প্রতিদ্বন্দ্বী জো বাইডেনের বাদ দিয়ে ট্রাম্পকেই সমর্থন দিচ্ছেন। তার বক্তব্য, জিনজিয়াংয়ে উইঘুরদের ওপর নির্যাতন বন্ধে রিপাবলিকান নেতাই ট্রাম্পই একমাত্র প্রার্থী চীনের ওপর চাপপ্রয়োগে যথেষ্ট সামর্থ্য রাখেন।

২০০৯ এর পর থেকে চীনের জিনজিয়াংয়ে যাননি সিদিক। তার দাবি, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তার অনেক কাছের মানুষ নিখোঁজ হয়েছেন। তিনি বলেন, চীনের সঙ্গে দরকষাকষিতে শক্তিশালী নেতার প্রয়োজন। ডোনাল্ড ট্রাম্প তেমনই এক নেতা। জো বাইডেন বিশ্বব্যাপী বন্ধু তৈরি করতে কূটনৈতিকভাবে ভালো অবস্থানে আছেন কিন্তু তার এ মানসিকতা চীনের ক্ষেত্রে কাজ করবে না।

ক্ষমতাগ্রহণের শুরুতে ট্রাম্প চীনের মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাননি। তবে দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কের অবণতি হলে ট্রাম্প উইঘুর প্রসঙ্গ টেনে চীনের সমালোচনা করা শুরু করেন। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ২০ লাখ উইঘুর এবং অন্য মুসলিম সংখ্যালঘুদের জিনজিয়াংয়ে ডিটেনশন কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে।