ঢাকা ১২:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কীভাবে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হয় বিএনপি জানে : তারেক রহমান গণভোট ও সংসদ নির্বাচনের সব পর্যায়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে: সিইসি গাজীপুরে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ২৪ লাখ টাকা ছিনতাই ডাকসু নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য জামায়াত নেতার, বিক্ষোভে উত্তাল ঢাবি ভোট দেখতে বিদেশ থেকে আসবে ৫০০ সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষক জনগণকে সাবধানে নেতা বাছাই করার পরামর্শ দিলেন রুমিন ফারহানা বাড়ল মুক্তিযোদ্ধা ভাতা এমপিদের ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি সুবিধা নেওয়া বন্ধ করতে হবে: হাসনাত আব্দুল্লাহ ‘সাকিবকে খেলার জন্য বিবেচনা করা ক্রিকেট বোর্ডের স্টান্টবাজি,’ বললেন আমিনুল হক কোন ষড়যন্ত্র বিএনপির বিজয় ঠেকাতে পারবে না: দুলু

ডেথ সার্টিফিকেট দেয়ার ঘটনাটি দুঃখজনক : ঢামেক পরিচালক

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে মৃত ঘোষণার পর কবরস্থানে নেয়ার পর জীবিত হয়ে উঠার ঘটনাটি দুঃখজনক উল্লেখ করে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, এ ঘটনাটি ‘মিরাকল’। তদন্ত শেষে এ ঘটনায় কারো গাফিলতি পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শনিবার দুপুরের দিকে ঢামেক হাসপাতালের নিজ কক্ষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা জানান।

ঢামেক পরিচালক নাসির উদ্দিন বলেন, এ ঘটনায় আমি সকালে চার সদস্যের তদন্ত কমিটির সঙ্গে বসেছিলাম। তাদের কাছেও এ বিষয়ে জানার চেষ্টা করেছি। কি কারণে এমনটি হয়েছে। তবে নবজাতকের জন্মের পর সে কোনো কান্নাকাটি ও নড়চড়া করছিল না। চিকিৎসকরা তার হার্টবিটও পাচ্ছিলেন না। আমাদের চিকিৎসকরা অনেক চেষ্টা করেছিল, কিন্তু তার কোনো রেসপন্স পাচ্ছিল না। তারপর চিকিৎসকরা অক্সিজেন দিয়ে নবজাতকে রেখে দেন। নবজাতকে মৃত ঘোষণা করে ডেথ সার্টিফিকেট দেয়ার হয়। এরপরই নবজাতকের বাবা তাকে দাফনের জন্য কবরস্থানে নিয়ে যান।

তিনি বলেন, নবজাতকে এখনও নিওনেটাল ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (এনআইসিইউ) ভর্তি রয়েছে। সে আগের চাইতে কিছুটা ইমপ্রুভ হচ্ছে। এক কেজি ওজনের কম নবজাতকটির জন্ম হয়েছে। এজন্য তার অনেক কিছুই ডেভেলপমেন্ট হয়নি।

ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক বলেন, ঘটনাটি দুঃখজনক। সমস্যাটা কোথায় ছিল সেটি বের করার জন্যই তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। কমিটি আজকেও আমার সঙ্গে বসেছে। কেন এমন ঘটনা হলো তা বের করা হবে। আর এ ধরনের ঘটনা যাতে ভবিষ্যতে না ঘটে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থাও নেওয়া হবে। ঘটনাটি মিরাকল। মেডিক্যাল সাইন্সে এমন ঘটনা হতেই পারে, অনেক জায়গায়ই হয়েছে। তবে আমরা দেখবো কারো কোনো অবহেলা ছিল কি না। এর আগেও আমাদের এখানে এমন একটি ঘটনা ঘটে ছিল। সেই ঘটনায় ওই চিকিৎসককে আমরা আর এখানে ট্রেনিং দেয়নি। এক পর্যায়ে তিনি দেশের বাইরে চলে গেছেন। তবে এটি ইচ্ছা করে কেউ করেনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কীভাবে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হয় বিএনপি জানে : তারেক রহমান

ডেথ সার্টিফিকেট দেয়ার ঘটনাটি দুঃখজনক : ঢামেক পরিচালক

আপডেট সময় ০৪:২০:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে মৃত ঘোষণার পর কবরস্থানে নেয়ার পর জীবিত হয়ে উঠার ঘটনাটি দুঃখজনক উল্লেখ করে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, এ ঘটনাটি ‘মিরাকল’। তদন্ত শেষে এ ঘটনায় কারো গাফিলতি পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শনিবার দুপুরের দিকে ঢামেক হাসপাতালের নিজ কক্ষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা জানান।

ঢামেক পরিচালক নাসির উদ্দিন বলেন, এ ঘটনায় আমি সকালে চার সদস্যের তদন্ত কমিটির সঙ্গে বসেছিলাম। তাদের কাছেও এ বিষয়ে জানার চেষ্টা করেছি। কি কারণে এমনটি হয়েছে। তবে নবজাতকের জন্মের পর সে কোনো কান্নাকাটি ও নড়চড়া করছিল না। চিকিৎসকরা তার হার্টবিটও পাচ্ছিলেন না। আমাদের চিকিৎসকরা অনেক চেষ্টা করেছিল, কিন্তু তার কোনো রেসপন্স পাচ্ছিল না। তারপর চিকিৎসকরা অক্সিজেন দিয়ে নবজাতকে রেখে দেন। নবজাতকে মৃত ঘোষণা করে ডেথ সার্টিফিকেট দেয়ার হয়। এরপরই নবজাতকের বাবা তাকে দাফনের জন্য কবরস্থানে নিয়ে যান।

তিনি বলেন, নবজাতকে এখনও নিওনেটাল ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (এনআইসিইউ) ভর্তি রয়েছে। সে আগের চাইতে কিছুটা ইমপ্রুভ হচ্ছে। এক কেজি ওজনের কম নবজাতকটির জন্ম হয়েছে। এজন্য তার অনেক কিছুই ডেভেলপমেন্ট হয়নি।

ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক বলেন, ঘটনাটি দুঃখজনক। সমস্যাটা কোথায় ছিল সেটি বের করার জন্যই তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। কমিটি আজকেও আমার সঙ্গে বসেছে। কেন এমন ঘটনা হলো তা বের করা হবে। আর এ ধরনের ঘটনা যাতে ভবিষ্যতে না ঘটে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থাও নেওয়া হবে। ঘটনাটি মিরাকল। মেডিক্যাল সাইন্সে এমন ঘটনা হতেই পারে, অনেক জায়গায়ই হয়েছে। তবে আমরা দেখবো কারো কোনো অবহেলা ছিল কি না। এর আগেও আমাদের এখানে এমন একটি ঘটনা ঘটে ছিল। সেই ঘটনায় ওই চিকিৎসককে আমরা আর এখানে ট্রেনিং দেয়নি। এক পর্যায়ে তিনি দেশের বাইরে চলে গেছেন। তবে এটি ইচ্ছা করে কেউ করেনি।