ঢাকা ০৪:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ডেথ সার্টিফিকেট দেয়ার ঘটনাটি দুঃখজনক : ঢামেক পরিচালক

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে মৃত ঘোষণার পর কবরস্থানে নেয়ার পর জীবিত হয়ে উঠার ঘটনাটি দুঃখজনক উল্লেখ করে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, এ ঘটনাটি ‘মিরাকল’। তদন্ত শেষে এ ঘটনায় কারো গাফিলতি পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শনিবার দুপুরের দিকে ঢামেক হাসপাতালের নিজ কক্ষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা জানান।

ঢামেক পরিচালক নাসির উদ্দিন বলেন, এ ঘটনায় আমি সকালে চার সদস্যের তদন্ত কমিটির সঙ্গে বসেছিলাম। তাদের কাছেও এ বিষয়ে জানার চেষ্টা করেছি। কি কারণে এমনটি হয়েছে। তবে নবজাতকের জন্মের পর সে কোনো কান্নাকাটি ও নড়চড়া করছিল না। চিকিৎসকরা তার হার্টবিটও পাচ্ছিলেন না। আমাদের চিকিৎসকরা অনেক চেষ্টা করেছিল, কিন্তু তার কোনো রেসপন্স পাচ্ছিল না। তারপর চিকিৎসকরা অক্সিজেন দিয়ে নবজাতকে রেখে দেন। নবজাতকে মৃত ঘোষণা করে ডেথ সার্টিফিকেট দেয়ার হয়। এরপরই নবজাতকের বাবা তাকে দাফনের জন্য কবরস্থানে নিয়ে যান।

তিনি বলেন, নবজাতকে এখনও নিওনেটাল ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (এনআইসিইউ) ভর্তি রয়েছে। সে আগের চাইতে কিছুটা ইমপ্রুভ হচ্ছে। এক কেজি ওজনের কম নবজাতকটির জন্ম হয়েছে। এজন্য তার অনেক কিছুই ডেভেলপমেন্ট হয়নি।

ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক বলেন, ঘটনাটি দুঃখজনক। সমস্যাটা কোথায় ছিল সেটি বের করার জন্যই তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। কমিটি আজকেও আমার সঙ্গে বসেছে। কেন এমন ঘটনা হলো তা বের করা হবে। আর এ ধরনের ঘটনা যাতে ভবিষ্যতে না ঘটে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থাও নেওয়া হবে। ঘটনাটি মিরাকল। মেডিক্যাল সাইন্সে এমন ঘটনা হতেই পারে, অনেক জায়গায়ই হয়েছে। তবে আমরা দেখবো কারো কোনো অবহেলা ছিল কি না। এর আগেও আমাদের এখানে এমন একটি ঘটনা ঘটে ছিল। সেই ঘটনায় ওই চিকিৎসককে আমরা আর এখানে ট্রেনিং দেয়নি। এক পর্যায়ে তিনি দেশের বাইরে চলে গেছেন। তবে এটি ইচ্ছা করে কেউ করেনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ডেথ সার্টিফিকেট দেয়ার ঘটনাটি দুঃখজনক : ঢামেক পরিচালক

আপডেট সময় ০৪:২০:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে মৃত ঘোষণার পর কবরস্থানে নেয়ার পর জীবিত হয়ে উঠার ঘটনাটি দুঃখজনক উল্লেখ করে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, এ ঘটনাটি ‘মিরাকল’। তদন্ত শেষে এ ঘটনায় কারো গাফিলতি পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শনিবার দুপুরের দিকে ঢামেক হাসপাতালের নিজ কক্ষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা জানান।

ঢামেক পরিচালক নাসির উদ্দিন বলেন, এ ঘটনায় আমি সকালে চার সদস্যের তদন্ত কমিটির সঙ্গে বসেছিলাম। তাদের কাছেও এ বিষয়ে জানার চেষ্টা করেছি। কি কারণে এমনটি হয়েছে। তবে নবজাতকের জন্মের পর সে কোনো কান্নাকাটি ও নড়চড়া করছিল না। চিকিৎসকরা তার হার্টবিটও পাচ্ছিলেন না। আমাদের চিকিৎসকরা অনেক চেষ্টা করেছিল, কিন্তু তার কোনো রেসপন্স পাচ্ছিল না। তারপর চিকিৎসকরা অক্সিজেন দিয়ে নবজাতকে রেখে দেন। নবজাতকে মৃত ঘোষণা করে ডেথ সার্টিফিকেট দেয়ার হয়। এরপরই নবজাতকের বাবা তাকে দাফনের জন্য কবরস্থানে নিয়ে যান।

তিনি বলেন, নবজাতকে এখনও নিওনেটাল ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (এনআইসিইউ) ভর্তি রয়েছে। সে আগের চাইতে কিছুটা ইমপ্রুভ হচ্ছে। এক কেজি ওজনের কম নবজাতকটির জন্ম হয়েছে। এজন্য তার অনেক কিছুই ডেভেলপমেন্ট হয়নি।

ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক বলেন, ঘটনাটি দুঃখজনক। সমস্যাটা কোথায় ছিল সেটি বের করার জন্যই তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। কমিটি আজকেও আমার সঙ্গে বসেছে। কেন এমন ঘটনা হলো তা বের করা হবে। আর এ ধরনের ঘটনা যাতে ভবিষ্যতে না ঘটে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থাও নেওয়া হবে। ঘটনাটি মিরাকল। মেডিক্যাল সাইন্সে এমন ঘটনা হতেই পারে, অনেক জায়গায়ই হয়েছে। তবে আমরা দেখবো কারো কোনো অবহেলা ছিল কি না। এর আগেও আমাদের এখানে এমন একটি ঘটনা ঘটে ছিল। সেই ঘটনায় ওই চিকিৎসককে আমরা আর এখানে ট্রেনিং দেয়নি। এক পর্যায়ে তিনি দেশের বাইরে চলে গেছেন। তবে এটি ইচ্ছা করে কেউ করেনি।