ঢাকা ১০:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ধর্ষণ মামলায় ছাত্র অধিকার পরিষদের দুই নেতা রিমান্ডে

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর করা ধর্ষণ মামলায় ছাত্র অধিকার পরিষদের দুই নেতাকে রিমান্ডে পেয়েছে পুলিশ। তারা হলেন- সংগঠনটির যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম ও ঢাবি শাখার সহ-সভাপতি নাজমুল হুদা।

এর আগে সোমবার দুপুরে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে তাদেরকে হাজির করে পুলিশ। কোতোয়ালি থানায় করা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাদেরকে সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম মোর্শেদ আল মামুন ভূঁইয়া দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রবিবার রাতে রাজধানীতে পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ-ডিবি।

ডিএমপির গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) লালবাগ বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) রাজীব আল মাসুদ জানান, ধর্ষণের অভিযোগ তুলে ঢাবির এক ছাত্রীর দায়ের করা মামলার চার নম্বর আসামি মো. সাইফুল ইসলাম ও পাঁচ নম্বর আসামি মো. নাজমুল হুদাকে গ্রেপ্তার করে থানায় হস্তান্তর করা হয়। পরে পুলিশ তাদেরকে আদালতে পাঠায়।

২০ সেপ্টেম্বর রাতে ধর্ষণ ও ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগে রাজধানীর লালবাগ থানায় মামলা করেন ঢাবির এক ছাত্রী। এতে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর এবং ছাত্র অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুনসহ ছয়জনকে আসামি করা হয়। পরে ওই ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় আরও একটি মামলা করেন ওই ছাত্রী।

এদিকে রবিবার দুপুরে ছাত্র অধিকার পরিষদ তাদের চার নেতাকে পুলিশ তুলে নিয়ে গিয়েছে বলে গণমাধ্যমে অভিযোগ করে।

রবিবার রাতে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর এক ভিডিও বার্তায় অভিযোগ করেন, ‘মগবাজার থেকে নাজমুলকে, চাংখারপুল থেকে সাইফুলকে এবং প্রেসক্লাব থেকে কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক সোহরাব হোসেনকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ছাত্রলীগের যে কর্মী আমাদের বিরুদ্ধে মামলাটি করেছিল সেই মামলার আসামি নাজমুল ও সাইফুল। কিন্তু সোহরাব হোসেনের সঙ্গে এই মামলার কোনো সম্পর্ক নেই। তাকে কেন তুলে নিয়ে যাওয়া হলো?’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ধর্ষণ মামলায় ছাত্র অধিকার পরিষদের দুই নেতা রিমান্ডে

আপডেট সময় ০৬:৪৬:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর করা ধর্ষণ মামলায় ছাত্র অধিকার পরিষদের দুই নেতাকে রিমান্ডে পেয়েছে পুলিশ। তারা হলেন- সংগঠনটির যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম ও ঢাবি শাখার সহ-সভাপতি নাজমুল হুদা।

এর আগে সোমবার দুপুরে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে তাদেরকে হাজির করে পুলিশ। কোতোয়ালি থানায় করা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাদেরকে সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম মোর্শেদ আল মামুন ভূঁইয়া দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রবিবার রাতে রাজধানীতে পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ-ডিবি।

ডিএমপির গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) লালবাগ বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) রাজীব আল মাসুদ জানান, ধর্ষণের অভিযোগ তুলে ঢাবির এক ছাত্রীর দায়ের করা মামলার চার নম্বর আসামি মো. সাইফুল ইসলাম ও পাঁচ নম্বর আসামি মো. নাজমুল হুদাকে গ্রেপ্তার করে থানায় হস্তান্তর করা হয়। পরে পুলিশ তাদেরকে আদালতে পাঠায়।

২০ সেপ্টেম্বর রাতে ধর্ষণ ও ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগে রাজধানীর লালবাগ থানায় মামলা করেন ঢাবির এক ছাত্রী। এতে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর এবং ছাত্র অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুনসহ ছয়জনকে আসামি করা হয়। পরে ওই ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় আরও একটি মামলা করেন ওই ছাত্রী।

এদিকে রবিবার দুপুরে ছাত্র অধিকার পরিষদ তাদের চার নেতাকে পুলিশ তুলে নিয়ে গিয়েছে বলে গণমাধ্যমে অভিযোগ করে।

রবিবার রাতে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর এক ভিডিও বার্তায় অভিযোগ করেন, ‘মগবাজার থেকে নাজমুলকে, চাংখারপুল থেকে সাইফুলকে এবং প্রেসক্লাব থেকে কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক সোহরাব হোসেনকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ছাত্রলীগের যে কর্মী আমাদের বিরুদ্ধে মামলাটি করেছিল সেই মামলার আসামি নাজমুল ও সাইফুল। কিন্তু সোহরাব হোসেনের সঙ্গে এই মামলার কোনো সম্পর্ক নেই। তাকে কেন তুলে নিয়ে যাওয়া হলো?’