ঢাকা ০১:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এবারও নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে : তারেক রহমান বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে নেই: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হাদি হত্যা: ফয়সাল করিমের আরেক সহযোগী গ্রেফতার, ৬ দিনের রিমান্ড টুঙ্গিপাড়ায় শেখ মুজিবের কবর জিয়ারত করে প্রচারণা শুরু স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনে বিজয়ী হলে প্রয়োজনে জীবন দিয়ে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবো : মামুনুল হক তারেক রহমানের জনসভায় যাওয়ার পথে অসুস্থ ফজলুর রহমান গণতন্ত্র ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় ধানের শীষের বিকল্প নেই : ড. মোশাররফ এবার দুষ্কৃতকারীদের ভোটকেন্দ্র থেকে ব্যালট ছিনতাইয়ের সুযোগ নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা নির্বাচনী মিছিলে অসুস্থ হয়ে বিএনপি নেতার মৃত্যু নারী ও পুরুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গড়ে তুলব: জামায়াত আমির

ধর্ষণ মামলায় ছাত্র অধিকার পরিষদের দুই নেতা রিমান্ডে

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর করা ধর্ষণ মামলায় ছাত্র অধিকার পরিষদের দুই নেতাকে রিমান্ডে পেয়েছে পুলিশ। তারা হলেন- সংগঠনটির যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম ও ঢাবি শাখার সহ-সভাপতি নাজমুল হুদা।

এর আগে সোমবার দুপুরে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে তাদেরকে হাজির করে পুলিশ। কোতোয়ালি থানায় করা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাদেরকে সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম মোর্শেদ আল মামুন ভূঁইয়া দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রবিবার রাতে রাজধানীতে পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ-ডিবি।

ডিএমপির গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) লালবাগ বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) রাজীব আল মাসুদ জানান, ধর্ষণের অভিযোগ তুলে ঢাবির এক ছাত্রীর দায়ের করা মামলার চার নম্বর আসামি মো. সাইফুল ইসলাম ও পাঁচ নম্বর আসামি মো. নাজমুল হুদাকে গ্রেপ্তার করে থানায় হস্তান্তর করা হয়। পরে পুলিশ তাদেরকে আদালতে পাঠায়।

২০ সেপ্টেম্বর রাতে ধর্ষণ ও ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগে রাজধানীর লালবাগ থানায় মামলা করেন ঢাবির এক ছাত্রী। এতে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর এবং ছাত্র অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুনসহ ছয়জনকে আসামি করা হয়। পরে ওই ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় আরও একটি মামলা করেন ওই ছাত্রী।

এদিকে রবিবার দুপুরে ছাত্র অধিকার পরিষদ তাদের চার নেতাকে পুলিশ তুলে নিয়ে গিয়েছে বলে গণমাধ্যমে অভিযোগ করে।

রবিবার রাতে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর এক ভিডিও বার্তায় অভিযোগ করেন, ‘মগবাজার থেকে নাজমুলকে, চাংখারপুল থেকে সাইফুলকে এবং প্রেসক্লাব থেকে কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক সোহরাব হোসেনকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ছাত্রলীগের যে কর্মী আমাদের বিরুদ্ধে মামলাটি করেছিল সেই মামলার আসামি নাজমুল ও সাইফুল। কিন্তু সোহরাব হোসেনের সঙ্গে এই মামলার কোনো সম্পর্ক নেই। তাকে কেন তুলে নিয়ে যাওয়া হলো?’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এবারও নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে : তারেক রহমান

ধর্ষণ মামলায় ছাত্র অধিকার পরিষদের দুই নেতা রিমান্ডে

আপডেট সময় ০৬:৪৬:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর করা ধর্ষণ মামলায় ছাত্র অধিকার পরিষদের দুই নেতাকে রিমান্ডে পেয়েছে পুলিশ। তারা হলেন- সংগঠনটির যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম ও ঢাবি শাখার সহ-সভাপতি নাজমুল হুদা।

এর আগে সোমবার দুপুরে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে তাদেরকে হাজির করে পুলিশ। কোতোয়ালি থানায় করা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাদেরকে সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম মোর্শেদ আল মামুন ভূঁইয়া দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রবিবার রাতে রাজধানীতে পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ-ডিবি।

ডিএমপির গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) লালবাগ বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) রাজীব আল মাসুদ জানান, ধর্ষণের অভিযোগ তুলে ঢাবির এক ছাত্রীর দায়ের করা মামলার চার নম্বর আসামি মো. সাইফুল ইসলাম ও পাঁচ নম্বর আসামি মো. নাজমুল হুদাকে গ্রেপ্তার করে থানায় হস্তান্তর করা হয়। পরে পুলিশ তাদেরকে আদালতে পাঠায়।

২০ সেপ্টেম্বর রাতে ধর্ষণ ও ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগে রাজধানীর লালবাগ থানায় মামলা করেন ঢাবির এক ছাত্রী। এতে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর এবং ছাত্র অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুনসহ ছয়জনকে আসামি করা হয়। পরে ওই ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় আরও একটি মামলা করেন ওই ছাত্রী।

এদিকে রবিবার দুপুরে ছাত্র অধিকার পরিষদ তাদের চার নেতাকে পুলিশ তুলে নিয়ে গিয়েছে বলে গণমাধ্যমে অভিযোগ করে।

রবিবার রাতে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর এক ভিডিও বার্তায় অভিযোগ করেন, ‘মগবাজার থেকে নাজমুলকে, চাংখারপুল থেকে সাইফুলকে এবং প্রেসক্লাব থেকে কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক সোহরাব হোসেনকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ছাত্রলীগের যে কর্মী আমাদের বিরুদ্ধে মামলাটি করেছিল সেই মামলার আসামি নাজমুল ও সাইফুল। কিন্তু সোহরাব হোসেনের সঙ্গে এই মামলার কোনো সম্পর্ক নেই। তাকে কেন তুলে নিয়ে যাওয়া হলো?’