ঢাকা ০৯:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচনে ‘অনিয়ম’ হলেই কেবল জামায়াত ক্ষমতায় আসতে পারবে: হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর এটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন: আসিফ নজরুল ওরা দেশকে ভালোবাসার নামে আমেরিকার সঙ্গে গোপন বৈঠক করে: চরমোনাই পীর বিশ্বকাপে বাংলাদেশে বাদকে দিয়ে স্কটল্যান্ডকে নিলো আইসিসি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তিতে সংলাপ জরুরি : শিক্ষা উপদেষ্টা আমার কোনো প্রতিশ্রুতি নেই, যা প্রয়োজন তাই করব: মির্জা আব্বাস নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ না থাকলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না : সুজন শিশুদের সঠিক শিক্ষা প্রদানের জন্য আমরা প্রাইমারি শিক্ষার ওপর জোর দিতে চাচ্ছি: তারেক রহমান ‘অতীতেও পাশে ছিলাম, এখনো আছি এবং ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতেও থাকব’:মির্জা ফখরুল দ.আফ্রিকায় বাংলাদেশি ব্যবসায়ীকে গুলি করে খুন

ডিএসসিসি সড়কে যন্ত্রচালিত রিকশা-ভ্যান পেলেই ব্যবস্থা: তাপস

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) সড়কে যন্ত্রচালিত রিকশা,ভ্যান পাওয়া গেলেই তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

রোববার (১৩ সেপ্টেবর) নগর ভবন প্রাঙ্গণে রিকশা, ভ্যান, ঠেলাগাড়ি, টালিগাড়ি ও ঘোড়ার গাড়ি নিবন্ধন, নবায়ন এবং মালিকানা পরিবর্তন কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি।

শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, ব্যাটারিচালিত রিকশা-ভ্যানসহ যেসব অযান্ত্রিক যানবাহনে মোটর-ব্যাটারি-ইঞ্জিন সংযোজন করে সেগুলোকে যান্ত্রিক বানানো হয়েছে, রোববার থেকে সেসব যানবাহনগুলো ডিএসসিসি এলাকার সব সড়কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এসব ইঞ্জিনচালিত রিকশা বা যানবাহন সড়কে পাওয়া গেলেই তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এসব যানবাহন ডিএসসিসি অঞ্চল থেকে অপসারণ করা হবে। সড়কে যন্ত্রচালিত এসব যানবাহন পাওয়া গেলে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ডিএসসিসি মেয়র আরও বলেন, ঢাকা শহরকে অনেক কবি-সাহিত্যিক ‘সিটি অব রিকশা বা রিকশার নগরী’ বলে চিহ্নিত করেছেন। এটা আমাদের ঐতিহ্য। রিকশাসহ আমাদের যে ধীরগতির অযান্ত্রিক যানবাহনগুলো রয়েছে, সেগুলোকে নতুন করে আমরা নিবন্ধন ও নবায়নের আওতায় আনছি। এর মাধ্যমে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনাই আমাদের মূল উদ্দেশে।

ব্যারিস্টার শেখ তাপস বলেন, কোন সড়কে ধীরগতির যানবাহন চলবে, কোন সড়কে দ্রুতগতির যানবাহন চলবে, এগুলো আমরা নির্ণয় করে দেবো। এই নিবন্ধন কার্যক্রমের মাধ্যমে ধীরগতির যানবাহনগুলো যেমনি নিবন্ধনের আওতায় আসবে তেমনি নিয়মের আওতায়ও আসবে।

‘এটা শুধু নিবন্ধন কার্যক্রমই নয়, এই কার্যক্রম নির্বাচনী ইশতেহারে বর্ণিত সচল ঢাকা গড়তে পরিকল্পনার প্রথম ধাপ। সুনির্দিষ্টভাবে অযান্ত্রিক যানবাহনগুলোকে নিবন্ধনের আওতায় এনে আমরা সুনির্দিষ্টভাবে তাদের সড়ক নির্ধারণ করে দেবো এবং চালকদেরকেও আমরা নিবন্ধনের আওতায় আনবো। এরই ফলে অযান্ত্রিক যানবাহনগুলো সুশৃঙ্খলভাবে যাতায়াত ব্যবস্থার আওতায় আসবে’।

সিটি নির্বাচনের ইশতেহার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে মেয়র বলেন, আমার নির্বাচনী ইশতেহারে সচল ঢাকা গড়ার যে রূপরেখা আমি দিয়েছি, সে পরিকল্পনায় যেমন দ্রুতগতির যানবাহন থাকবে, আবার ধীরগতির অযান্ত্রিক যানবাহনও থাকবে বলে উল্লেখ করেছি। ঢাকায় দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় রিকশা ও অযান্ত্রিক যানবাহনের কোন নিবন্ধন দেয়নি। কিন্তু তাই বলে কি ঢাকায় রিকশা চলে না? এরপরেও বাস্তবতা হলো ঢাকায় রিকশা চলে এবং সেগুলো সবই অবৈধ। নিবন্ধনের আওতায় আনা মানে হচ্ছে অযান্ত্রিক যানবাহনকে নিয়ন্ত্রণের আওতায় আনা। আমরা এই কার্যক্রমের মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট সংখ্যক রিকশা-ভ্যান তথা অযান্ত্রিক যানবাহনকে নিবন্ধন দেবো।

ডিএসসিসির প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আরিফুল হকের সঞ্চালনায় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবিএম আমিন উল্লাহ নূরী, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. বদরুল আমিন, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (ডা.) শরীফ আহমেদ, প্রধান প্রকৌশলী রেজাউর রহমান, ডিএসসিসি সচিব আকরামুজ্জামান, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা এবং কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

The Daily Akash

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকার চাইলে বিশ্বকাপ বয়কট করবে পাকিস্তান: নাকভি

ডিএসসিসি সড়কে যন্ত্রচালিত রিকশা-ভ্যান পেলেই ব্যবস্থা: তাপস

আপডেট সময় ০৩:৩১:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) সড়কে যন্ত্রচালিত রিকশা,ভ্যান পাওয়া গেলেই তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

রোববার (১৩ সেপ্টেবর) নগর ভবন প্রাঙ্গণে রিকশা, ভ্যান, ঠেলাগাড়ি, টালিগাড়ি ও ঘোড়ার গাড়ি নিবন্ধন, নবায়ন এবং মালিকানা পরিবর্তন কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি।

শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, ব্যাটারিচালিত রিকশা-ভ্যানসহ যেসব অযান্ত্রিক যানবাহনে মোটর-ব্যাটারি-ইঞ্জিন সংযোজন করে সেগুলোকে যান্ত্রিক বানানো হয়েছে, রোববার থেকে সেসব যানবাহনগুলো ডিএসসিসি এলাকার সব সড়কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এসব ইঞ্জিনচালিত রিকশা বা যানবাহন সড়কে পাওয়া গেলেই তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এসব যানবাহন ডিএসসিসি অঞ্চল থেকে অপসারণ করা হবে। সড়কে যন্ত্রচালিত এসব যানবাহন পাওয়া গেলে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ডিএসসিসি মেয়র আরও বলেন, ঢাকা শহরকে অনেক কবি-সাহিত্যিক ‘সিটি অব রিকশা বা রিকশার নগরী’ বলে চিহ্নিত করেছেন। এটা আমাদের ঐতিহ্য। রিকশাসহ আমাদের যে ধীরগতির অযান্ত্রিক যানবাহনগুলো রয়েছে, সেগুলোকে নতুন করে আমরা নিবন্ধন ও নবায়নের আওতায় আনছি। এর মাধ্যমে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনাই আমাদের মূল উদ্দেশে।

ব্যারিস্টার শেখ তাপস বলেন, কোন সড়কে ধীরগতির যানবাহন চলবে, কোন সড়কে দ্রুতগতির যানবাহন চলবে, এগুলো আমরা নির্ণয় করে দেবো। এই নিবন্ধন কার্যক্রমের মাধ্যমে ধীরগতির যানবাহনগুলো যেমনি নিবন্ধনের আওতায় আসবে তেমনি নিয়মের আওতায়ও আসবে।

‘এটা শুধু নিবন্ধন কার্যক্রমই নয়, এই কার্যক্রম নির্বাচনী ইশতেহারে বর্ণিত সচল ঢাকা গড়তে পরিকল্পনার প্রথম ধাপ। সুনির্দিষ্টভাবে অযান্ত্রিক যানবাহনগুলোকে নিবন্ধনের আওতায় এনে আমরা সুনির্দিষ্টভাবে তাদের সড়ক নির্ধারণ করে দেবো এবং চালকদেরকেও আমরা নিবন্ধনের আওতায় আনবো। এরই ফলে অযান্ত্রিক যানবাহনগুলো সুশৃঙ্খলভাবে যাতায়াত ব্যবস্থার আওতায় আসবে’।

সিটি নির্বাচনের ইশতেহার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে মেয়র বলেন, আমার নির্বাচনী ইশতেহারে সচল ঢাকা গড়ার যে রূপরেখা আমি দিয়েছি, সে পরিকল্পনায় যেমন দ্রুতগতির যানবাহন থাকবে, আবার ধীরগতির অযান্ত্রিক যানবাহনও থাকবে বলে উল্লেখ করেছি। ঢাকায় দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় রিকশা ও অযান্ত্রিক যানবাহনের কোন নিবন্ধন দেয়নি। কিন্তু তাই বলে কি ঢাকায় রিকশা চলে না? এরপরেও বাস্তবতা হলো ঢাকায় রিকশা চলে এবং সেগুলো সবই অবৈধ। নিবন্ধনের আওতায় আনা মানে হচ্ছে অযান্ত্রিক যানবাহনকে নিয়ন্ত্রণের আওতায় আনা। আমরা এই কার্যক্রমের মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট সংখ্যক রিকশা-ভ্যান তথা অযান্ত্রিক যানবাহনকে নিবন্ধন দেবো।

ডিএসসিসির প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আরিফুল হকের সঞ্চালনায় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবিএম আমিন উল্লাহ নূরী, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. বদরুল আমিন, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (ডা.) শরীফ আহমেদ, প্রধান প্রকৌশলী রেজাউর রহমান, ডিএসসিসি সচিব আকরামুজ্জামান, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা এবং কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।