ঢাকা ১০:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

করোনা: বেসরকারি স্কুল-কলেজের টিউশন ফি কমানোর দাবি অভিভাবকদের

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে দেশের সব বেসরকারি স্কুল-কলেজে শ্রেণিভেদে বর্তমান চলতি শিক্ষাবর্ষে টিউশন ফি কমিয়ে ৫০ শতাংশ করার দাবি জানিয়েছেন অভিভাবকরা।

শনিবার (০৫ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে স্কুল-কলেজে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীর স্বার্থরক্ষাকারী সংগঠন অভিভাবক ঐক্য ফোরামের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মো. জিয়াউল কবির দুলু স্কুল-কলেজগুলোর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে এ দাবি জানান।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে দ্রুত পরিপত্র জারি করার অনুরোধও জানানো হয় বিবৃতিতে।

বিবৃতিতে জিয়াউল কবির দুলু বলেন, বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে শিক্ষার্থীর জীবনের নিরাপত্তার জন্য সরকারের নির্দেশে ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। করোনার প্রাদুর্ভাবে বর্তমান শিক্ষাবর্ষে স্কুল-কলেজ খুলে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

করোনা মহামারির লকডাউনে দেশের অন্যান্য মানুষের মতো শিক্ষার্থীর অভিভাবকরাও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তাদের অনেকেই চাকরি হারিয়েছেন। কেউ মাসিক বেতন অর্ধেক পাচ্ছেন। আবার কারো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে চরম দুর্বিসহ দিন কাটাতে হচ্ছে। বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানির বিলসহ বাড়ি ভাড়া দিতে না পেরে অনেক অভিভাবক বাসা ছেড়ে দিয়ে তাদের সন্তানদের নিয়ে গ্রামের বাড়ি চলে গেছেন। অনেক অভিভাবক মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, এসব বিষয় বিবেচনায় না নিয়ে অনেক বেসরকারি স্কুল-কলেজের কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ওপর অমানবিক আচরণ করছেন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে টিউশন ফি আদায়ের জন্য শিক্ষার্থীদের মানসিকভাবে চাপ সৃষ্টি করছেন। শিক্ষা কার্যক্রম তথা শ্রেণির পাঠদান না করা সত্ত্বেও শিক্ষকরা টিউশন ফি আদায় করার জন্য বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করছেন।

এমন অবস্থায় করোনাকালে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় বর্তমান ২০২০ শিক্ষাবর্ষে দেশের সব স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীর টিউশন ফি কমিয়ে ৫০ শতাংশ করার জন্য সংশ্লিষ্ট স্কুল-কলেজ কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ করছি এবং শিক্ষামন্ত্রণালয়কে টিউশন ফি আদায় করা সংক্রান্ত বিষয়ে দ্রুত পরিপত্র জারি করার জোর দাবি জানাচ্ছি। অন্যথায় স্কুল-কলেজ খোলার সঙ্গে সঙ্গে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে উপরোক্ত দাবিতে আন্দোলন গড়ে তুলতে এ সংগঠন বাধ্য হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

The Daily Akash

জনপ্রিয় সংবাদ

নতুন তথ্য: অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর

করোনা: বেসরকারি স্কুল-কলেজের টিউশন ফি কমানোর দাবি অভিভাবকদের

আপডেট সময় ০৪:৩৯:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে দেশের সব বেসরকারি স্কুল-কলেজে শ্রেণিভেদে বর্তমান চলতি শিক্ষাবর্ষে টিউশন ফি কমিয়ে ৫০ শতাংশ করার দাবি জানিয়েছেন অভিভাবকরা।

শনিবার (০৫ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে স্কুল-কলেজে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীর স্বার্থরক্ষাকারী সংগঠন অভিভাবক ঐক্য ফোরামের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মো. জিয়াউল কবির দুলু স্কুল-কলেজগুলোর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে এ দাবি জানান।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে দ্রুত পরিপত্র জারি করার অনুরোধও জানানো হয় বিবৃতিতে।

বিবৃতিতে জিয়াউল কবির দুলু বলেন, বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে শিক্ষার্থীর জীবনের নিরাপত্তার জন্য সরকারের নির্দেশে ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। করোনার প্রাদুর্ভাবে বর্তমান শিক্ষাবর্ষে স্কুল-কলেজ খুলে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

করোনা মহামারির লকডাউনে দেশের অন্যান্য মানুষের মতো শিক্ষার্থীর অভিভাবকরাও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তাদের অনেকেই চাকরি হারিয়েছেন। কেউ মাসিক বেতন অর্ধেক পাচ্ছেন। আবার কারো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে চরম দুর্বিসহ দিন কাটাতে হচ্ছে। বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানির বিলসহ বাড়ি ভাড়া দিতে না পেরে অনেক অভিভাবক বাসা ছেড়ে দিয়ে তাদের সন্তানদের নিয়ে গ্রামের বাড়ি চলে গেছেন। অনেক অভিভাবক মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, এসব বিষয় বিবেচনায় না নিয়ে অনেক বেসরকারি স্কুল-কলেজের কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ওপর অমানবিক আচরণ করছেন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে টিউশন ফি আদায়ের জন্য শিক্ষার্থীদের মানসিকভাবে চাপ সৃষ্টি করছেন। শিক্ষা কার্যক্রম তথা শ্রেণির পাঠদান না করা সত্ত্বেও শিক্ষকরা টিউশন ফি আদায় করার জন্য বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করছেন।

এমন অবস্থায় করোনাকালে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় বর্তমান ২০২০ শিক্ষাবর্ষে দেশের সব স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীর টিউশন ফি কমিয়ে ৫০ শতাংশ করার জন্য সংশ্লিষ্ট স্কুল-কলেজ কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ করছি এবং শিক্ষামন্ত্রণালয়কে টিউশন ফি আদায় করা সংক্রান্ত বিষয়ে দ্রুত পরিপত্র জারি করার জোর দাবি জানাচ্ছি। অন্যথায় স্কুল-কলেজ খোলার সঙ্গে সঙ্গে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে উপরোক্ত দাবিতে আন্দোলন গড়ে তুলতে এ সংগঠন বাধ্য হবে।