ঢাকা ০৫:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন হচ্ছে সর্বনিম্ন ২০,০০০ টাকা, সর্বোচ্চ ১,৬০,০০০ টাকা সব সাইজ হয়ে যাবে, ঢাকায় কোনো সিট দেব না বলে জামায়াত প্রার্থী হুঙ্কার দিয়েছেন খালিদুজ্জামান রাষ্ট্রপতিকে ক্ষমতা দেওয়া হলে প্রধানমন্ত্রী স্বৈরাচারী হতো না: উপদেষ্টা সাখাওয়াত জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজোর হত্যাকারীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বাস্তবতা বিবেচনায় দেশে ১০ থেকে ১৫টি ব্যাংকই যথেষ্ট: আহসান হাবিব মনসুর সোনালী যুগের জনপ্রিয় অভিনেতা জাভেদ আর নেই শহীদ ওসমান হাদির বিচার নিয়ে স্ত্রীর আবেগঘন পোস্ট ফুটবল প্রতীক পেলেন তাসনিম জারা শত বছরের দিকনির্দেশনা দেবে গণভোট: আদিলুর রহমান খান ‘মন্ত্রী হলে পরে হব, নির্বাচন ছাড়ব না’

করোনা: বেসরকারি স্কুল-কলেজের টিউশন ফি কমানোর দাবি অভিভাবকদের

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে দেশের সব বেসরকারি স্কুল-কলেজে শ্রেণিভেদে বর্তমান চলতি শিক্ষাবর্ষে টিউশন ফি কমিয়ে ৫০ শতাংশ করার দাবি জানিয়েছেন অভিভাবকরা।

শনিবার (০৫ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে স্কুল-কলেজে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীর স্বার্থরক্ষাকারী সংগঠন অভিভাবক ঐক্য ফোরামের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মো. জিয়াউল কবির দুলু স্কুল-কলেজগুলোর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে এ দাবি জানান।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে দ্রুত পরিপত্র জারি করার অনুরোধও জানানো হয় বিবৃতিতে।

বিবৃতিতে জিয়াউল কবির দুলু বলেন, বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে শিক্ষার্থীর জীবনের নিরাপত্তার জন্য সরকারের নির্দেশে ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। করোনার প্রাদুর্ভাবে বর্তমান শিক্ষাবর্ষে স্কুল-কলেজ খুলে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

করোনা মহামারির লকডাউনে দেশের অন্যান্য মানুষের মতো শিক্ষার্থীর অভিভাবকরাও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তাদের অনেকেই চাকরি হারিয়েছেন। কেউ মাসিক বেতন অর্ধেক পাচ্ছেন। আবার কারো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে চরম দুর্বিসহ দিন কাটাতে হচ্ছে। বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানির বিলসহ বাড়ি ভাড়া দিতে না পেরে অনেক অভিভাবক বাসা ছেড়ে দিয়ে তাদের সন্তানদের নিয়ে গ্রামের বাড়ি চলে গেছেন। অনেক অভিভাবক মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, এসব বিষয় বিবেচনায় না নিয়ে অনেক বেসরকারি স্কুল-কলেজের কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ওপর অমানবিক আচরণ করছেন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে টিউশন ফি আদায়ের জন্য শিক্ষার্থীদের মানসিকভাবে চাপ সৃষ্টি করছেন। শিক্ষা কার্যক্রম তথা শ্রেণির পাঠদান না করা সত্ত্বেও শিক্ষকরা টিউশন ফি আদায় করার জন্য বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করছেন।

এমন অবস্থায় করোনাকালে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় বর্তমান ২০২০ শিক্ষাবর্ষে দেশের সব স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীর টিউশন ফি কমিয়ে ৫০ শতাংশ করার জন্য সংশ্লিষ্ট স্কুল-কলেজ কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ করছি এবং শিক্ষামন্ত্রণালয়কে টিউশন ফি আদায় করা সংক্রান্ত বিষয়ে দ্রুত পরিপত্র জারি করার জোর দাবি জানাচ্ছি। অন্যথায় স্কুল-কলেজ খোলার সঙ্গে সঙ্গে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে উপরোক্ত দাবিতে আন্দোলন গড়ে তুলতে এ সংগঠন বাধ্য হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

The Daily Akash

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন হচ্ছে সর্বনিম্ন ২০,০০০ টাকা, সর্বোচ্চ ১,৬০,০০০ টাকা

করোনা: বেসরকারি স্কুল-কলেজের টিউশন ফি কমানোর দাবি অভিভাবকদের

আপডেট সময় ০৪:৩৯:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে দেশের সব বেসরকারি স্কুল-কলেজে শ্রেণিভেদে বর্তমান চলতি শিক্ষাবর্ষে টিউশন ফি কমিয়ে ৫০ শতাংশ করার দাবি জানিয়েছেন অভিভাবকরা।

শনিবার (০৫ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে স্কুল-কলেজে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীর স্বার্থরক্ষাকারী সংগঠন অভিভাবক ঐক্য ফোরামের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মো. জিয়াউল কবির দুলু স্কুল-কলেজগুলোর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে এ দাবি জানান।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে দ্রুত পরিপত্র জারি করার অনুরোধও জানানো হয় বিবৃতিতে।

বিবৃতিতে জিয়াউল কবির দুলু বলেন, বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে শিক্ষার্থীর জীবনের নিরাপত্তার জন্য সরকারের নির্দেশে ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। করোনার প্রাদুর্ভাবে বর্তমান শিক্ষাবর্ষে স্কুল-কলেজ খুলে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

করোনা মহামারির লকডাউনে দেশের অন্যান্য মানুষের মতো শিক্ষার্থীর অভিভাবকরাও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তাদের অনেকেই চাকরি হারিয়েছেন। কেউ মাসিক বেতন অর্ধেক পাচ্ছেন। আবার কারো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে চরম দুর্বিসহ দিন কাটাতে হচ্ছে। বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানির বিলসহ বাড়ি ভাড়া দিতে না পেরে অনেক অভিভাবক বাসা ছেড়ে দিয়ে তাদের সন্তানদের নিয়ে গ্রামের বাড়ি চলে গেছেন। অনেক অভিভাবক মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, এসব বিষয় বিবেচনায় না নিয়ে অনেক বেসরকারি স্কুল-কলেজের কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ওপর অমানবিক আচরণ করছেন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে টিউশন ফি আদায়ের জন্য শিক্ষার্থীদের মানসিকভাবে চাপ সৃষ্টি করছেন। শিক্ষা কার্যক্রম তথা শ্রেণির পাঠদান না করা সত্ত্বেও শিক্ষকরা টিউশন ফি আদায় করার জন্য বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করছেন।

এমন অবস্থায় করোনাকালে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় বর্তমান ২০২০ শিক্ষাবর্ষে দেশের সব স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীর টিউশন ফি কমিয়ে ৫০ শতাংশ করার জন্য সংশ্লিষ্ট স্কুল-কলেজ কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ করছি এবং শিক্ষামন্ত্রণালয়কে টিউশন ফি আদায় করা সংক্রান্ত বিষয়ে দ্রুত পরিপত্র জারি করার জোর দাবি জানাচ্ছি। অন্যথায় স্কুল-কলেজ খোলার সঙ্গে সঙ্গে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে উপরোক্ত দাবিতে আন্দোলন গড়ে তুলতে এ সংগঠন বাধ্য হবে।