ঢাকা ০৫:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রুমায় দুর্গম পাড়ায় হামের উপসর্গে ১৫ দিনে ৮ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪১ মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী সারের ঘাটতি নেই, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করলে কঠোর ব্যবস্থা: কৃষিমন্ত্রী ছাত্রলীগের প্রতি মায়াকান্না দেখানো সাংবাদিকদের জড়ো করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ পক্ষপাতদুষ্ট নিয়োগ অবিলম্বে বাতিল করতে হবে: গোলাম পরওয়ার বাংলাদেশকে ‘কম দামে’ ইউরিয়া সার দিতে চায় রাশিয়া প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে : ডিএনসিসি প্রশাসক নতুন আরেকটি সিটি করপোরেশন হচ্ছে ধর্ষকদের রক্ষাকারীকে শিক্ষামন্ত্রী বানিয়েছে মোদি সরকার: রাহুল গান্ধী

৫০ বছর পর সন্ধান মিলল ‘নিউ গিনি সিঙ্গিং ডগ’র

আকাশ নিউজ ডেস্ক:  

সন্ধান মিলল ‘নিউ গিনি সিঙ্গিং ডগ’র। পশুপ্রেমীরা বিরল প্রজাতির এই কুকুরকে এই নামেই চেনেন। এই প্রজাতির কুকুরের ডাক এমনই যা শুনে মনে হবে যেন গান করছে। এই প্রজাতির কিছু কুকুর অল্প সংখ্যায় বিভিন্ন চিড়িয়াখানা বা সংরক্ষণ কেন্দ্রে থাকলেও বন্য এলাকা থেকে তারা অবলুপ্ত হয়ে গেছে বলেও মনে করা হত। কিন্তু সম্প্রতি ইন্দোনেশিয়ার পাপুয়ার অরণ্যে ওই কুকুরের প্রজাতির খোঁজ পেয়েছেন গবেষকরা। সেই বিষয়টি সোমবার প্রকাশিত হয়েছে একটি বিজ্ঞান জার্নালে।

সারা বিশ্বের বিভিন্ন চিড়িয়াখানা ও সংরক্ষণ কেন্দ্র মিলিয়ে ২০০টির মতো সুরেলা কুকুর রয়েছে পৃথিবীতে। ১৯৭০-এর পর স্বাভাবিক বাসস্থানে এদের আর দেখা যায়নি। প্রায় ৫০ বছর পর প্রাকৃতিক বাসস্থানে ফের দেখা গেল ওই বিরল প্রজাতির কুকুরদের। ‌

নিউ গিনি হাইল্যান্ড ওয়াইল্ড ডগ ফাউন্ডেশনের গবেষক দল ২০১৬ সালে পাপুয়ার পুনকাক এলাকায় একটি গবেষণামূলক অভিযানে গিয়েছিল। সেখানে নিউ গিনি সিঙ্গিং ডগের স্বর শুনতে পান। তা শুনেই বিষয়টি নিয়ে খোঁজ চালাতে শুরু করেন তাঁরা। এর দু’বছর পর ওই এলাকায় গিয়ে নিউ গিনি সিঙ্গিং ডগের মতো স্বরযুক্ত কুকুরদের রক্তের নমুনা সংগ্রহ করেন।
সেই নমুনা থেকে জিন পরীক্ষা করে গবেষকরা দেখেন নিউ গিনি সিঙ্গিং ডগের সঙ্গে এদের জিনের প্রচুর মিল রয়েছে। ভিন্ন প্রজাতির সঙ্গে প্রজননের পর দেহের আকৃতিগত পরিবর্তন ঘটলেও বাদ বাকি জিন হুবহু এক।

এই বিষয়টি নিয়ে নিউ গিনিয়া হাইল্যান্ড ওয়াইল্ড ডগ ফাউন্ডেশনের গবেষক হেইদি পার্কার বলেছেন, ‘‘আমরা দেখেছি নিউ গিনি সিঙ্গিং ডগ ও হাইল্যান্ড ওয়াইল্ড ডগের জিমোন বিন্যাসে প্রচুর মিল রয়েছে। আমরা ভেবেছি ওই প্রজাতির অবলুপ্তি ঘটেছে। কিন্তু বাস্তবে তারা এখনও অবলুপ্ত হয়নি।’’ নিউ গিনি সিঙ্গিং ডগ থেকেই যে হাইল্যান্ড ওয়াইল্ড ডগের উৎপত্তি, সে ব্যাপারেও নিশ্চিত গবেষকরা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

The Daily Akash

জনপ্রিয় সংবাদ

রুমায় দুর্গম পাড়ায় হামের উপসর্গে ১৫ দিনে ৮ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪১

৫০ বছর পর সন্ধান মিলল ‘নিউ গিনি সিঙ্গিং ডগ’র

আপডেট সময় ১০:১২:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২০

আকাশ নিউজ ডেস্ক:  

সন্ধান মিলল ‘নিউ গিনি সিঙ্গিং ডগ’র। পশুপ্রেমীরা বিরল প্রজাতির এই কুকুরকে এই নামেই চেনেন। এই প্রজাতির কুকুরের ডাক এমনই যা শুনে মনে হবে যেন গান করছে। এই প্রজাতির কিছু কুকুর অল্প সংখ্যায় বিভিন্ন চিড়িয়াখানা বা সংরক্ষণ কেন্দ্রে থাকলেও বন্য এলাকা থেকে তারা অবলুপ্ত হয়ে গেছে বলেও মনে করা হত। কিন্তু সম্প্রতি ইন্দোনেশিয়ার পাপুয়ার অরণ্যে ওই কুকুরের প্রজাতির খোঁজ পেয়েছেন গবেষকরা। সেই বিষয়টি সোমবার প্রকাশিত হয়েছে একটি বিজ্ঞান জার্নালে।

সারা বিশ্বের বিভিন্ন চিড়িয়াখানা ও সংরক্ষণ কেন্দ্র মিলিয়ে ২০০টির মতো সুরেলা কুকুর রয়েছে পৃথিবীতে। ১৯৭০-এর পর স্বাভাবিক বাসস্থানে এদের আর দেখা যায়নি। প্রায় ৫০ বছর পর প্রাকৃতিক বাসস্থানে ফের দেখা গেল ওই বিরল প্রজাতির কুকুরদের। ‌

নিউ গিনি হাইল্যান্ড ওয়াইল্ড ডগ ফাউন্ডেশনের গবেষক দল ২০১৬ সালে পাপুয়ার পুনকাক এলাকায় একটি গবেষণামূলক অভিযানে গিয়েছিল। সেখানে নিউ গিনি সিঙ্গিং ডগের স্বর শুনতে পান। তা শুনেই বিষয়টি নিয়ে খোঁজ চালাতে শুরু করেন তাঁরা। এর দু’বছর পর ওই এলাকায় গিয়ে নিউ গিনি সিঙ্গিং ডগের মতো স্বরযুক্ত কুকুরদের রক্তের নমুনা সংগ্রহ করেন।
সেই নমুনা থেকে জিন পরীক্ষা করে গবেষকরা দেখেন নিউ গিনি সিঙ্গিং ডগের সঙ্গে এদের জিনের প্রচুর মিল রয়েছে। ভিন্ন প্রজাতির সঙ্গে প্রজননের পর দেহের আকৃতিগত পরিবর্তন ঘটলেও বাদ বাকি জিন হুবহু এক।

এই বিষয়টি নিয়ে নিউ গিনিয়া হাইল্যান্ড ওয়াইল্ড ডগ ফাউন্ডেশনের গবেষক হেইদি পার্কার বলেছেন, ‘‘আমরা দেখেছি নিউ গিনি সিঙ্গিং ডগ ও হাইল্যান্ড ওয়াইল্ড ডগের জিমোন বিন্যাসে প্রচুর মিল রয়েছে। আমরা ভেবেছি ওই প্রজাতির অবলুপ্তি ঘটেছে। কিন্তু বাস্তবে তারা এখনও অবলুপ্ত হয়নি।’’ নিউ গিনি সিঙ্গিং ডগ থেকেই যে হাইল্যান্ড ওয়াইল্ড ডগের উৎপত্তি, সে ব্যাপারেও নিশ্চিত গবেষকরা।