ঢাকা ০৪:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

৫০ বছর পর সন্ধান মিলল ‘নিউ গিনি সিঙ্গিং ডগ’র

আকাশ নিউজ ডেস্ক:  

সন্ধান মিলল ‘নিউ গিনি সিঙ্গিং ডগ’র। পশুপ্রেমীরা বিরল প্রজাতির এই কুকুরকে এই নামেই চেনেন। এই প্রজাতির কুকুরের ডাক এমনই যা শুনে মনে হবে যেন গান করছে। এই প্রজাতির কিছু কুকুর অল্প সংখ্যায় বিভিন্ন চিড়িয়াখানা বা সংরক্ষণ কেন্দ্রে থাকলেও বন্য এলাকা থেকে তারা অবলুপ্ত হয়ে গেছে বলেও মনে করা হত। কিন্তু সম্প্রতি ইন্দোনেশিয়ার পাপুয়ার অরণ্যে ওই কুকুরের প্রজাতির খোঁজ পেয়েছেন গবেষকরা। সেই বিষয়টি সোমবার প্রকাশিত হয়েছে একটি বিজ্ঞান জার্নালে।

সারা বিশ্বের বিভিন্ন চিড়িয়াখানা ও সংরক্ষণ কেন্দ্র মিলিয়ে ২০০টির মতো সুরেলা কুকুর রয়েছে পৃথিবীতে। ১৯৭০-এর পর স্বাভাবিক বাসস্থানে এদের আর দেখা যায়নি। প্রায় ৫০ বছর পর প্রাকৃতিক বাসস্থানে ফের দেখা গেল ওই বিরল প্রজাতির কুকুরদের। ‌

নিউ গিনি হাইল্যান্ড ওয়াইল্ড ডগ ফাউন্ডেশনের গবেষক দল ২০১৬ সালে পাপুয়ার পুনকাক এলাকায় একটি গবেষণামূলক অভিযানে গিয়েছিল। সেখানে নিউ গিনি সিঙ্গিং ডগের স্বর শুনতে পান। তা শুনেই বিষয়টি নিয়ে খোঁজ চালাতে শুরু করেন তাঁরা। এর দু’বছর পর ওই এলাকায় গিয়ে নিউ গিনি সিঙ্গিং ডগের মতো স্বরযুক্ত কুকুরদের রক্তের নমুনা সংগ্রহ করেন।
সেই নমুনা থেকে জিন পরীক্ষা করে গবেষকরা দেখেন নিউ গিনি সিঙ্গিং ডগের সঙ্গে এদের জিনের প্রচুর মিল রয়েছে। ভিন্ন প্রজাতির সঙ্গে প্রজননের পর দেহের আকৃতিগত পরিবর্তন ঘটলেও বাদ বাকি জিন হুবহু এক।

এই বিষয়টি নিয়ে নিউ গিনিয়া হাইল্যান্ড ওয়াইল্ড ডগ ফাউন্ডেশনের গবেষক হেইদি পার্কার বলেছেন, ‘‘আমরা দেখেছি নিউ গিনি সিঙ্গিং ডগ ও হাইল্যান্ড ওয়াইল্ড ডগের জিমোন বিন্যাসে প্রচুর মিল রয়েছে। আমরা ভেবেছি ওই প্রজাতির অবলুপ্তি ঘটেছে। কিন্তু বাস্তবে তারা এখনও অবলুপ্ত হয়নি।’’ নিউ গিনি সিঙ্গিং ডগ থেকেই যে হাইল্যান্ড ওয়াইল্ড ডগের উৎপত্তি, সে ব্যাপারেও নিশ্চিত গবেষকরা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

The Daily Akash

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

৫০ বছর পর সন্ধান মিলল ‘নিউ গিনি সিঙ্গিং ডগ’র

আপডেট সময় ১০:১২:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২০

আকাশ নিউজ ডেস্ক:  

সন্ধান মিলল ‘নিউ গিনি সিঙ্গিং ডগ’র। পশুপ্রেমীরা বিরল প্রজাতির এই কুকুরকে এই নামেই চেনেন। এই প্রজাতির কুকুরের ডাক এমনই যা শুনে মনে হবে যেন গান করছে। এই প্রজাতির কিছু কুকুর অল্প সংখ্যায় বিভিন্ন চিড়িয়াখানা বা সংরক্ষণ কেন্দ্রে থাকলেও বন্য এলাকা থেকে তারা অবলুপ্ত হয়ে গেছে বলেও মনে করা হত। কিন্তু সম্প্রতি ইন্দোনেশিয়ার পাপুয়ার অরণ্যে ওই কুকুরের প্রজাতির খোঁজ পেয়েছেন গবেষকরা। সেই বিষয়টি সোমবার প্রকাশিত হয়েছে একটি বিজ্ঞান জার্নালে।

সারা বিশ্বের বিভিন্ন চিড়িয়াখানা ও সংরক্ষণ কেন্দ্র মিলিয়ে ২০০টির মতো সুরেলা কুকুর রয়েছে পৃথিবীতে। ১৯৭০-এর পর স্বাভাবিক বাসস্থানে এদের আর দেখা যায়নি। প্রায় ৫০ বছর পর প্রাকৃতিক বাসস্থানে ফের দেখা গেল ওই বিরল প্রজাতির কুকুরদের। ‌

নিউ গিনি হাইল্যান্ড ওয়াইল্ড ডগ ফাউন্ডেশনের গবেষক দল ২০১৬ সালে পাপুয়ার পুনকাক এলাকায় একটি গবেষণামূলক অভিযানে গিয়েছিল। সেখানে নিউ গিনি সিঙ্গিং ডগের স্বর শুনতে পান। তা শুনেই বিষয়টি নিয়ে খোঁজ চালাতে শুরু করেন তাঁরা। এর দু’বছর পর ওই এলাকায় গিয়ে নিউ গিনি সিঙ্গিং ডগের মতো স্বরযুক্ত কুকুরদের রক্তের নমুনা সংগ্রহ করেন।
সেই নমুনা থেকে জিন পরীক্ষা করে গবেষকরা দেখেন নিউ গিনি সিঙ্গিং ডগের সঙ্গে এদের জিনের প্রচুর মিল রয়েছে। ভিন্ন প্রজাতির সঙ্গে প্রজননের পর দেহের আকৃতিগত পরিবর্তন ঘটলেও বাদ বাকি জিন হুবহু এক।

এই বিষয়টি নিয়ে নিউ গিনিয়া হাইল্যান্ড ওয়াইল্ড ডগ ফাউন্ডেশনের গবেষক হেইদি পার্কার বলেছেন, ‘‘আমরা দেখেছি নিউ গিনি সিঙ্গিং ডগ ও হাইল্যান্ড ওয়াইল্ড ডগের জিমোন বিন্যাসে প্রচুর মিল রয়েছে। আমরা ভেবেছি ওই প্রজাতির অবলুপ্তি ঘটেছে। কিন্তু বাস্তবে তারা এখনও অবলুপ্ত হয়নি।’’ নিউ গিনি সিঙ্গিং ডগ থেকেই যে হাইল্যান্ড ওয়াইল্ড ডগের উৎপত্তি, সে ব্যাপারেও নিশ্চিত গবেষকরা।