ঢাকা ০৫:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিএনপিতে যোগ দিলেন সাবেক তথ্যমন্ত্রী অধ্যাপক আবু সাইয়িদ মব সৃষ্টি করে জনমত প্রভাবিত করার দিন এখন আর নেই: জামায়াত আমির সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন হচ্ছে সর্বনিম্ন ২০,০০০ টাকা, সর্বোচ্চ ১,৬০,০০০ টাকা বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিষিদ্ধের আবেদন খারিজ দিল্লি হাইকোর্টে সব সাইজ হয়ে যাবে, ঢাকায় কোনো সিট দেব না বলে জামায়াত প্রার্থী হুঙ্কার দিয়েছেন খালিদুজ্জামান ‘গুণ্ডামির কাছে আমরা মাথা নত করি না’: ইমানুয়েল মাক্রোঁ রাষ্ট্রপতিকে ক্ষমতা দেওয়া হলে প্রধানমন্ত্রী স্বৈরাচারী হতো না: উপদেষ্টা সাখাওয়াত জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজোর হত্যাকারীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বাস্তবতা বিবেচনায় দেশে ১০ থেকে ১৫টি ব্যাংকই যথেষ্ট: আহসান হাবিব মনসুর সোনালী যুগের জনপ্রিয় অভিনেতা জাভেদ আর নেই

করোনায় ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের‌ ফি কমানোর দাবি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:   

করোনা ভাইরাস মহামারির সময়ে শ্রেণিভেদে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের টিউশন ফি ৩০ থেকে ৬০ শতাংশ কমানোর দাবি করেছে বাংলাদেশ ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল প্যারেন্টস ফোরাম।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের মানিক মিয়া হলে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল প্যারেন্টস ফোরামের সভাপতি এ কে এম আশরাফুল হক, সাধারণ সম্পাদক আ জ ম সালাহউদ্দিন।

ফোরামের পক্ষ থেকে আরও বক্তব্য রাখেন কমল সরকার, মোরশেদা আক্তার, কুতুব উদ্দিন মিয়া, সালমা আলম নুপুর, রিয়াজ আনোয়ার।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে স্কুলগুলো অন ক্যাম্পাস এডুকেশন চালাতে পারছে না। এখন তারা অনলাইন ভিত্তিক ক্লাস পরিচালনা করছে। অনলাইন ক্লাসের মান কোনভাবেই অন ক্যাম্পাস এডুকেশনের সমতুল্য হতে পারে না। অনলাইন এডুকেশনের ফলে স্কুলগুলোর বাচ্চাদের যে ধরনের সেবা দেওয়ার কথা তাও তারা দিতে পারছেন না। স্কুলের খেলার মাঠসহ অন্যান্য সুবিধা বাচ্চারা গ্রহণ করতে পারছেন না। কিন্তু তারা স্কুলের ফি পুরোটাই গ্রহণ করছে। অপরদিকে করোনার কারণে অধিকাংশ অভিভাবক আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক অভিভাবক চাকরি হারিয়েছেন। পাশাপাশি অনেক অভিভাবকদের বর্তমান সময়ে আয় কমেছে।

সমাবেশ থেকে বলা হয়, বর্তমান সময়ে বৈশ্বিক মহামারি করোনার কারণে আর্থিকভাবে আমরা সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। অনেক অভিভাবক সময়মতো স্কুলের টিউশন ফি দিতে পারছেন না। টিউশন ফি না দেওয়ার কারণে অনলাইন ক্লাস থেকে বাচ্চাদের বের করে দেওয়া হচ্ছে। স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে টিউশন ফিসহ অন্যান্য ফি কমানোর আবেদন করলে, উল্টো তারা অভিভাবকের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করছে।

বক্তারা আরও বলেন, আমরা একটি যৌক্তিক সমাধান চাই। আমরা কারো কাছে কোনো ধরনের সহযোগিতা চাচ্ছি না। এর আগেও প্রেস কনফারেন্সে আমরা বলেছিলাম, স্কুল কর্তৃপক্ষ যে সেবা দিচ্ছে তার বিনিময়ে তারা শতকরা ৩০ শতাংশ বেশি নিতে পারেন না। কোনো স্কুল বন্ধ হয়ে যাক সেটাও আমরা চাই না। তাই আমাদের দাবি, করোনা মহামারির সময়ে স্কুল ফি স্কুলের মান অনুযায়ী ৩০ থেকে ৬০ শতাংশ কমিয়ে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের শিক্ষার্থীদের শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে ২০১৭ সালে প্রকাশিত গেজেট মোতাবেক পরিচালনা করা হোক।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

The Daily Akash

জনপ্রিয় সংবাদ

স্পেনে ট্রেন দুর্ঘটনায় অলৌকিকভাবে বেঁচে ফিরল ৬ বছরের এক শিশু

করোনায় ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের‌ ফি কমানোর দাবি

আপডেট সময় ০৭:৪৭:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:   

করোনা ভাইরাস মহামারির সময়ে শ্রেণিভেদে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের টিউশন ফি ৩০ থেকে ৬০ শতাংশ কমানোর দাবি করেছে বাংলাদেশ ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল প্যারেন্টস ফোরাম।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের মানিক মিয়া হলে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল প্যারেন্টস ফোরামের সভাপতি এ কে এম আশরাফুল হক, সাধারণ সম্পাদক আ জ ম সালাহউদ্দিন।

ফোরামের পক্ষ থেকে আরও বক্তব্য রাখেন কমল সরকার, মোরশেদা আক্তার, কুতুব উদ্দিন মিয়া, সালমা আলম নুপুর, রিয়াজ আনোয়ার।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে স্কুলগুলো অন ক্যাম্পাস এডুকেশন চালাতে পারছে না। এখন তারা অনলাইন ভিত্তিক ক্লাস পরিচালনা করছে। অনলাইন ক্লাসের মান কোনভাবেই অন ক্যাম্পাস এডুকেশনের সমতুল্য হতে পারে না। অনলাইন এডুকেশনের ফলে স্কুলগুলোর বাচ্চাদের যে ধরনের সেবা দেওয়ার কথা তাও তারা দিতে পারছেন না। স্কুলের খেলার মাঠসহ অন্যান্য সুবিধা বাচ্চারা গ্রহণ করতে পারছেন না। কিন্তু তারা স্কুলের ফি পুরোটাই গ্রহণ করছে। অপরদিকে করোনার কারণে অধিকাংশ অভিভাবক আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক অভিভাবক চাকরি হারিয়েছেন। পাশাপাশি অনেক অভিভাবকদের বর্তমান সময়ে আয় কমেছে।

সমাবেশ থেকে বলা হয়, বর্তমান সময়ে বৈশ্বিক মহামারি করোনার কারণে আর্থিকভাবে আমরা সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। অনেক অভিভাবক সময়মতো স্কুলের টিউশন ফি দিতে পারছেন না। টিউশন ফি না দেওয়ার কারণে অনলাইন ক্লাস থেকে বাচ্চাদের বের করে দেওয়া হচ্ছে। স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে টিউশন ফিসহ অন্যান্য ফি কমানোর আবেদন করলে, উল্টো তারা অভিভাবকের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করছে।

বক্তারা আরও বলেন, আমরা একটি যৌক্তিক সমাধান চাই। আমরা কারো কাছে কোনো ধরনের সহযোগিতা চাচ্ছি না। এর আগেও প্রেস কনফারেন্সে আমরা বলেছিলাম, স্কুল কর্তৃপক্ষ যে সেবা দিচ্ছে তার বিনিময়ে তারা শতকরা ৩০ শতাংশ বেশি নিতে পারেন না। কোনো স্কুল বন্ধ হয়ে যাক সেটাও আমরা চাই না। তাই আমাদের দাবি, করোনা মহামারির সময়ে স্কুল ফি স্কুলের মান অনুযায়ী ৩০ থেকে ৬০ শতাংশ কমিয়ে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের শিক্ষার্থীদের শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে ২০১৭ সালে প্রকাশিত গেজেট মোতাবেক পরিচালনা করা হোক।