ঢাকা ০১:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে আহমদ ছফার ঠাঁই হয়নি রাজনৈতিক কারণে: সলিমুল্লাহ খান নেতানিয়াহু একজন যুদ্ধাপরাধী: মামদানি বিএনপি ভোট মানলেও গণভোট মানে না: আখতার হোসেন সাঁথিয়ায় আওয়ামী লীগ নেতাকে গলা কেটে হত্যা জুলাইয়ের শক্তির অনৈক্য পরাজিতদের সুযোগ করে দিচ্ছে: মজিবুর রহমান মঞ্জু বিশ্বজুড়ে স্বাস্থ্যকর্মীদের বড় ধরনের চাহিদা তৈরি হচ্ছে: হুমায়ুন কবির জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করলে পরিণতির জন্য প্রস্তুত থাকুন:শফিকুর রহমান ক্ষুধামুক্ত সমাজ গড়তে শহীদ জিয়ার দূরদর্শী রাষ্ট্রচিন্তা আজও গুরুত্বপূর্ণ : সড়ক প্রতিমন্ত্রী শিশু যৌন নিপীড়নের দায়ে যুক্তরাজ্যে ৩ বাংলাদেশির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র ব্যবসা-বাণিজ্যে এআই ও ব্লকচেইনের ব্যবহার বাড়াতে গুরুত্বারোপ

রোহিঙ্গা ইস্যুতে গাম্বিয়ার পাশে কানাডা-নেদারল্যান্ডস

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর গণহত্যা চালানোর দায়ে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) গাম্বিয়ার করা মামলায় সহায়তা করার ঘোষণা দিয়েছে কানাডা ও নেদারল্যান্ডস। এতে করে গাম্বিয়া এতো দিন একাই লড়ে আসলেও এবার বড় দুই দেশকে তারা পাশে পাচ্ছে।

বুধবার দেশ দুটি যৌথ বিবৃতিতে এ ঘোষণা দেয়। কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফ্রাসোঁয়া ফিলিপে শ্যাম্পে এবং নেদারল্যান্ডসের পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্টেফ ব্লক যৌথ বিবৃতি দেন। এই দুই দেশ সব ধরনের সহায়তা করার পাশাপাশি প্রয়োজনে মামলার ব্যয় ভারও বহন করতে পারবে। ফলে রোহিঙ্গা গণহত্যার বিচার প্রক্রিয়া আরও তরান্বিত হবে। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনেও আসবে গতি।

কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফ্রাসোঁয়া ফিলিপ শ্যাম্পে ও নেদারল্যান্ডসের পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্টেফ ব্লকের দেয়া যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়, গণহত্যায় যারা জড়িত তাদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। নিশ্চিত করতে হবে শাস্তি।

অন্য দেশগুলোও যেন এই ন্যায়বিচার প্রক্রিয়ায় এগিয়ে আসে, এ আহ্বান রেখেছে কানাডা ও নেদারল্যান্ডস। ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসির) আওতাভুক্ত দেশগুলোকে আরও তৎপর হওয়ার আহ্বানও জানানো হয়েছে।

মিয়ানমারের গণহত্যাকারীদের শাস্তির আওতায় আনতে গাম্বিয়া অত্যন্ত প্রশংসনীয় কাজ করেছে বলেও জানায় দেশ দুটি।

গত বছরের নভেম্বরে ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসির) সহায়তায় গাম্বিয়া মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গণহত্যার মামলা করে। গাম্বিয়ার অভিযোগে বলা হয়, সাড়ে সাত লাখেরও বেশি রোহিঙ্গার ওপর নৃশংস সামরিক অভিযান চালিয়ে রোহিঙ্গা গ্রামগুলো পুড়িয়ে দিয়ে, হাজার হাজার রোহিঙ্গাকে হত্যা, আহত ও নারীদের ধর্ষণ করেছে সেনাবাহিনী ও স্থানীয় বৌদ্ধরা। এরপর শুনানি হয়। পরে চলতি বছরের ২৩শে জানুয়ারি নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগের আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে) গুরুত্বপূর্ণ রায় দেন।

রাখাইন রাজ্যে বর্তমানে থাকা ছয় লাখ রোহিঙ্গা গণহত্যার মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে উল্লেখ করে মিয়ানমারকে গণহত্যা রোধ করতে, প্রমাণাদি ধ্বংস করা বন্ধ করতে ও এ বিষয়ে চার মাসের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলা হয়। যদিও করোনার কারণে সেই রিপোর্ট বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি আর। ‍যদিও আইসিজের ওই আদেশ প্রত্যাখ্যান করে মিয়ানমার।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

The Daily Akash

জনপ্রিয় সংবাদ

বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে আহমদ ছফার ঠাঁই হয়নি রাজনৈতিক কারণে: সলিমুল্লাহ খান

রোহিঙ্গা ইস্যুতে গাম্বিয়ার পাশে কানাডা-নেদারল্যান্ডস

আপডেট সময় ১২:২৯:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর গণহত্যা চালানোর দায়ে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) গাম্বিয়ার করা মামলায় সহায়তা করার ঘোষণা দিয়েছে কানাডা ও নেদারল্যান্ডস। এতে করে গাম্বিয়া এতো দিন একাই লড়ে আসলেও এবার বড় দুই দেশকে তারা পাশে পাচ্ছে।

বুধবার দেশ দুটি যৌথ বিবৃতিতে এ ঘোষণা দেয়। কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফ্রাসোঁয়া ফিলিপে শ্যাম্পে এবং নেদারল্যান্ডসের পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্টেফ ব্লক যৌথ বিবৃতি দেন। এই দুই দেশ সব ধরনের সহায়তা করার পাশাপাশি প্রয়োজনে মামলার ব্যয় ভারও বহন করতে পারবে। ফলে রোহিঙ্গা গণহত্যার বিচার প্রক্রিয়া আরও তরান্বিত হবে। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনেও আসবে গতি।

কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফ্রাসোঁয়া ফিলিপ শ্যাম্পে ও নেদারল্যান্ডসের পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্টেফ ব্লকের দেয়া যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়, গণহত্যায় যারা জড়িত তাদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। নিশ্চিত করতে হবে শাস্তি।

অন্য দেশগুলোও যেন এই ন্যায়বিচার প্রক্রিয়ায় এগিয়ে আসে, এ আহ্বান রেখেছে কানাডা ও নেদারল্যান্ডস। ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসির) আওতাভুক্ত দেশগুলোকে আরও তৎপর হওয়ার আহ্বানও জানানো হয়েছে।

মিয়ানমারের গণহত্যাকারীদের শাস্তির আওতায় আনতে গাম্বিয়া অত্যন্ত প্রশংসনীয় কাজ করেছে বলেও জানায় দেশ দুটি।

গত বছরের নভেম্বরে ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসির) সহায়তায় গাম্বিয়া মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গণহত্যার মামলা করে। গাম্বিয়ার অভিযোগে বলা হয়, সাড়ে সাত লাখেরও বেশি রোহিঙ্গার ওপর নৃশংস সামরিক অভিযান চালিয়ে রোহিঙ্গা গ্রামগুলো পুড়িয়ে দিয়ে, হাজার হাজার রোহিঙ্গাকে হত্যা, আহত ও নারীদের ধর্ষণ করেছে সেনাবাহিনী ও স্থানীয় বৌদ্ধরা। এরপর শুনানি হয়। পরে চলতি বছরের ২৩শে জানুয়ারি নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগের আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে) গুরুত্বপূর্ণ রায় দেন।

রাখাইন রাজ্যে বর্তমানে থাকা ছয় লাখ রোহিঙ্গা গণহত্যার মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে উল্লেখ করে মিয়ানমারকে গণহত্যা রোধ করতে, প্রমাণাদি ধ্বংস করা বন্ধ করতে ও এ বিষয়ে চার মাসের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলা হয়। যদিও করোনার কারণে সেই রিপোর্ট বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি আর। ‍যদিও আইসিজের ওই আদেশ প্রত্যাখ্যান করে মিয়ানমার।