আকাশ জাতীয় ডেস্ক:
বন্ধ ঘোষণা করা রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলের শ্রমিকদের বকেয়া বেতনের জন্য পাঁচ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে সরকার। ২০১৪ সাল থেকে অবসরে যাওয়া আট হাজার ৯৫৪ জন শ্রমিক ও বর্তমানে কর্মরত প্রায় ২৫ হাজার শ্রমিকের প্রাপ্য সব বকেয়া ও শ্রমিকের পিএফ খাতের জমা, গ্র্যাচুইটি এবং সেসঙ্গে গ্র্যাচুইটির ওপর ২৭ শতাংশ হারে সুবিধা শতভাগ পরিশোধ করা হবে এই টাকা দিয়ে।
মঙ্গলবার দুপুরে জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রমোশন সেন্টারের (জেডিপিসি) সম্মেলনকক্ষে রাষ্ট্রায়ত্ত্ব পাটকলসমূহে বিরাজমান পরিস্থিতির স্থায়ী সমাধান এবং পাটখাতকে পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এই কথা জানান বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল কালাম। এসময় বিজেএমসির সচিব এ, এফ, এম, এহতেশামুল হক উপস্থিত ছিলেন।
অতিরিক্ত সচিব বলেন, বহুমুখী পাটপণ্যের বর্তমান বাজার ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার পরিপ্রেক্ষিতে পাটপণ্যের উৎপাদন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও পুনঃবিন্যাস করে বিজেএমসির বন্ধ ঘোষিত মিলসমূহ জরুরি ভিত্তিতে পুনরায় চালু করতে কাজ করছে সরকার । অবসায়নের পরে দেশের পাটকলগুলো তথা মিলগুলোকে সরকারি নিয়ন্ত্রণে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি), যৌথ উদ্যোগ জিটুজি বা লিজ মডেলে পরিচালনার মাধ্যমে যত দ্রুত সম্ভব আবার উৎপাদনে ফিরিয়ে আনা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, শ্রমিকদের চাকরি অবসান এবং পাটকলগুলো বন্ধ ঘোষণার ক্ষেত্রে শ্রম আইনের সংশ্লিষ্ট সকল বিধান অনুসরণ করা হয়েছে। শ্রমিকদের পাওনার পরিমাণ নির্ধারণ এবং তা পরিশোধের ক্ষেত্রেও যথাযথ আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। শ্রমিকদের চাকরি ১ জুলাই ২০২০ থেকৈ অবসান করায় শ্রম আইনের বিধান অনুযায়ী ৬০ দিনের অর্থাৎ নোটিশ মেয়াদের মজুরি ব্যতীত ওই তারিখের পর তাদের আর কোনো দাবি বা পাওনা নেই। ইতিমধ্যে অর্থ বিভাগ থেকে প্রাপ্ত অর্থ দ্বারা নোটিশ মেয়াদের অর্ধেক অর্থাৎ ৩০ দিনের মজুরি পরিশোধ করা হয়েছে।
সভায় জানোনে হয় অবসায়নের পর মিলগুলো সরকারি নিয়ন্ত্রণে পিপিপি/যৌথ উদ্যোগ/জি টু জি/লিজ মডেলে পরিচালনার উদ্যোগ নেয়া হবে। নতুন মডেলে পুনঃচালুকৃত মিলে অবসায়নকৃত বর্তমান শ্রমিকেরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজের সুযোগ পাবেন।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 




















