ঢাকা ০৩:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ফরিদপুরে শহর রক্ষা বাঁধ ভেঙে পাঁচ গ্রাম প্লাবিত

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

ফরিদপুরের পদ্মার পানি বিপৎসীমার ১০৪ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানির চাপে ভেঙে গেছে আলিয়াবাদ ইউনিয়নের শহর রক্ষা বাঁধ। এতে পাঁচটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। হঠাৎ করে বাঁধটি ভেঙে যাওয়ায় আশপাশের কয়েক গ্রামের মানুষ বেড়িবাঁধে খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিয়েছে। রবিবার সকাল ৭টার দিয়ে বাঁধটি ভেঙে যায়।

এদিকে ফাটল দেখা দেয়ায় ফরিদপুর চরভদ্রাসন আঞ্চলিক সড়কে যানচলাচল সাময়িক বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এই সড়কের বেশ কয়েকটি স্থান পদ্মার পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। ফাটলের স্থানে জিও ব্যাগ ফেলে পরিস্থিতি সামাল দেয়ার চেষ্টা করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

আলীয়াবাদ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আখতারুজ্জামান বলেন, হঠাৎ করে শহররক্ষা বাঁধটি ভেঙে যায়। বাঁধের পাশে পাঁচটি গ্রামের মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। অনেকেই বাড়ির প্রয়োজনীয় মালামাল নিয়ে রাস্তায় উঠেছেন।

ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক অতুল সরকার বলেন, শহররক্ষা বাঁধে পাশে পানি চাপ কমে গেলে বাঁধটি মেরামত করা হবে। আর এখন যারা খোলা আকাশের নিচে রয়েছে তাদের শুকনো খাবারসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র দেয়া হচ্ছে।

জেলা প্রশাসক বলেন, এখন পর্যন্ত জেলার ৩০টি ইউনিয়নে ২২ হাজার পরিবার এখন পানিবন্দি হয়ে রয়েছে। তাদের জন্য সরকারি খাদ্য সহায়তা বিতরণ করা হচ্ছে। এছাড়াও জেলা সদর থেকে চরভদ্রাসন ও সদরপুর উপজেলার প্রধান সড়কটি চলাচলের উপযোগী করতে সড়ক বিভাগকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। যদিও ওই সড়কে বেশ কিছু স্থান পানিতে নিমজ্জিত।

ফরিদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুলতান মাহমুদ বলেন, বর্তমানে পদ্মার পানি গোয়ালন্দ পয়েন্টে ৯ দশমিক ৬৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, যা বিপৎসীমার ১০৪ সেন্টিমিটার ওপরে। এর ফলে প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকায় পানি প্রবেশ করেছে। তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে মধুমতি নদীর আলফাডাঙ্গা ও মধুখালী উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়ন।

তিনি জানান, শহর বন্যা প্রতিরক্ষা বাঁধের আলিয়াবাদে প্রায় ১০০ ফিটের মত জায়গা ধসে গেছে। রবিবার সকাল ৭টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। সেখানে বালুর বস্তাসহ কিভাবে বাঁধ রক্ষা করা যায় সেই ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

ফরিদপুরে শহর রক্ষা বাঁধ ভেঙে পাঁচ গ্রাম প্লাবিত

আপডেট সময় ১১:০৮:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

ফরিদপুরের পদ্মার পানি বিপৎসীমার ১০৪ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানির চাপে ভেঙে গেছে আলিয়াবাদ ইউনিয়নের শহর রক্ষা বাঁধ। এতে পাঁচটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। হঠাৎ করে বাঁধটি ভেঙে যাওয়ায় আশপাশের কয়েক গ্রামের মানুষ বেড়িবাঁধে খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিয়েছে। রবিবার সকাল ৭টার দিয়ে বাঁধটি ভেঙে যায়।

এদিকে ফাটল দেখা দেয়ায় ফরিদপুর চরভদ্রাসন আঞ্চলিক সড়কে যানচলাচল সাময়িক বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এই সড়কের বেশ কয়েকটি স্থান পদ্মার পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। ফাটলের স্থানে জিও ব্যাগ ফেলে পরিস্থিতি সামাল দেয়ার চেষ্টা করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

আলীয়াবাদ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আখতারুজ্জামান বলেন, হঠাৎ করে শহররক্ষা বাঁধটি ভেঙে যায়। বাঁধের পাশে পাঁচটি গ্রামের মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। অনেকেই বাড়ির প্রয়োজনীয় মালামাল নিয়ে রাস্তায় উঠেছেন।

ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক অতুল সরকার বলেন, শহররক্ষা বাঁধে পাশে পানি চাপ কমে গেলে বাঁধটি মেরামত করা হবে। আর এখন যারা খোলা আকাশের নিচে রয়েছে তাদের শুকনো খাবারসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র দেয়া হচ্ছে।

জেলা প্রশাসক বলেন, এখন পর্যন্ত জেলার ৩০টি ইউনিয়নে ২২ হাজার পরিবার এখন পানিবন্দি হয়ে রয়েছে। তাদের জন্য সরকারি খাদ্য সহায়তা বিতরণ করা হচ্ছে। এছাড়াও জেলা সদর থেকে চরভদ্রাসন ও সদরপুর উপজেলার প্রধান সড়কটি চলাচলের উপযোগী করতে সড়ক বিভাগকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। যদিও ওই সড়কে বেশ কিছু স্থান পানিতে নিমজ্জিত।

ফরিদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুলতান মাহমুদ বলেন, বর্তমানে পদ্মার পানি গোয়ালন্দ পয়েন্টে ৯ দশমিক ৬৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, যা বিপৎসীমার ১০৪ সেন্টিমিটার ওপরে। এর ফলে প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকায় পানি প্রবেশ করেছে। তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে মধুমতি নদীর আলফাডাঙ্গা ও মধুখালী উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়ন।

তিনি জানান, শহর বন্যা প্রতিরক্ষা বাঁধের আলিয়াবাদে প্রায় ১০০ ফিটের মত জায়গা ধসে গেছে। রবিবার সকাল ৭টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। সেখানে বালুর বস্তাসহ কিভাবে বাঁধ রক্ষা করা যায় সেই ব্যবস্থা নেয়া হবে।