ঢাকা ০৯:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচনে ‘অনিয়ম’ হলেই কেবল জামায়াত ক্ষমতায় আসতে পারবে: হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর এটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন: আসিফ নজরুল ওরা দেশকে ভালোবাসার নামে আমেরিকার সঙ্গে গোপন বৈঠক করে: চরমোনাই পীর বিশ্বকাপে বাংলাদেশে বাদকে দিয়ে স্কটল্যান্ডকে নিলো আইসিসি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তিতে সংলাপ জরুরি : শিক্ষা উপদেষ্টা আমার কোনো প্রতিশ্রুতি নেই, যা প্রয়োজন তাই করব: মির্জা আব্বাস নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ না থাকলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না : সুজন শিশুদের সঠিক শিক্ষা প্রদানের জন্য আমরা প্রাইমারি শিক্ষার ওপর জোর দিতে চাচ্ছি: তারেক রহমান ‘অতীতেও পাশে ছিলাম, এখনো আছি এবং ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতেও থাকব’:মির্জা ফখরুল দ.আফ্রিকায় বাংলাদেশি ব্যবসায়ীকে গুলি করে খুন

দেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বিলিয়ন ডলার অনুমোদন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

কোভিড-১৯ মহামারিতে দেশের অর্থনীতি বিপর্যয়ে। চাকরি হারাচ্ছেন অনেকে। নাজুক গ্রামীণ অর্থনীতিও। এমন সময় দেশে মানসম্মত কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও চাকরি হারানোর ঝুঁকি মোকাবিলায় ১ দশমিক ০৫ বিলিয়ন বা ১০৫ কোটি ডলার (প্রতি ডলার ৮৬ টাকা দরে বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৯ হাজার ৩০ কোটি টাকা) অর্থ ছাড় করেছে বিশ্বব্যাংক। তিনটি পৃথক প্রকল্পের আওতায় এই অর্থ ছাড় করা হয়েছে। প্রকল্প তিনটির মাধ্যমে সরাসরি সাড়ে তিন লাখ কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে। অবদান রাখবে পরোক্ষভাবে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতেও।

শনিবার (২০ জুন) বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিস থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

মহামারি থেকে অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে সংকট মোকাবিলা করার লক্ষ্যে তিনটি প্রকল্পে এই অনুমোদন।

চলমান সংকটে প্রকল্পগুলোকে অসাধারণ উদ্যোগ উল্লেখ করে বাংলাদেশে নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্বন বলেন, কোভিড-১৯ মহামারিটি দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে গভীরভাবে বিপদে ফেলেছে। প্রকল্পগুলো ডিজিটাল অর্থনীতির ভিত্তি বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে আরও বেশি উন্নত কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চলে প্রত্যক্ষ বেসরকারি বিনিয়োগের মাধ্যমে অর্থনীতিকে চাঙা করবে।

বিশ্বব্যাংক ৫০ কোটি ডলার অনুমোদন করেছে বেসরকারি বিনিয়োগ এবং ডিজিটাল এন্টারপ্রেনারশিপ প্রকল্পে। এখানে প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার প্রত্যক্ষ বেসরকারি বিনিয়োগ এবং সরকারি বিনিয়োগ হবে। এই প্রকল্প ১ লাখ কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে। এছাড়া নানা ধরনের প্রশিক্ষণ পাবেন ১ লাখ বেকার। অর্থনৈতিক অঞ্চলে ২০ শতাংশ চাকরি নারীদের জন্য বরাদ্দ থাকবে।

এটি মিরসরাই-ফেনীতে দ্বিতীয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প নগরও উন্নয়ন করবে। যার মধ্যে পানি নিষ্কাশন, সৌর চালিত স্ট্রিটলাইট, স্যানিটেশন এবং বিদ্যুতের নেটওয়ার্কসহ সড়ক উন্নয়ন রয়েছে। প্রকল্পটি জনতা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে ঢাকার প্রথম ডিজিটাল উদ্যোক্তা কেন্দ্র স্থাপন করবে এবং এটিকে সবুজ ভবনে রূপান্তর করবে। আইটি এবং আইটিইএস সেক্টরসহ দেশি-বিদেশি বেসরকারি বিনিয়োগকে আকৃষ্ট করবে।

এনহান্সিং ডিজিটাল গভমেন্ট অ্যান্ড ইকোনমি নামে অপর এক প্রকল্পে ২৮ দশমিক ৫ কোটি ডলার অনুমোদন করেছে সংস্থাটি।

এ প্রকল্প সরকারি সংস্থার জন্য একটি সমন্বিত, ক্লাউড-কম্পিউটিং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম প্রতিষ্ঠা করবে এবং সাইবার-সুরক্ষা উন্নত করবে। ফলে পাবলিক সেক্টরের আইটি বিনিয়োগে ২ বিলিয়ন ডলার সাশ্রয় হবে। অধিকন্তু, এটি ভবিষ্যতের সংকটগুলো মোকাবিলায় অবদান রাখবে। প্রকল্পটি এক লাখ নারীদের কর্মসংস্থান তৈরি করবে, ডিজিটাল এবং বিপর্যয়কর প্রযুক্তিতে এক লাখ যুবকদের প্রশিক্ষণ দেবে। প্রকল্পটি ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ এবং কৌশলগত শিল্পকে ডিজিটালাইজড করতে সহায়তা করবে।

‘সেকেন্ড প্রোগ্রামেটিক জবস ডেভেলপমেন্ট পলিসি ক্রেডিট’ প্রকল্পে ২৫ কোটি ডলার অনুমোদন দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

এ প্রকল্প অর্থনীতি পুনরুদ্ধার এবং স্থিতিশীলতা তৈরিতে সহায়তা করবে। শ্রমিকরা যেন ভবিষ্যতে বিপর্যয়ের ঝুঁকিতে না পড়েন সেই বিষয়ে অবদান রাখবে।

এই অর্থায়নটি নারী, যুবক এবং অভিবাসী শ্রমিকসহ নাগরিকদের জন্য বৃহত্তর কর্মসংস্থান তৈরিতে সহায়তা করবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকার চাইলে বিশ্বকাপ বয়কট করবে পাকিস্তান: নাকভি

দেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বিলিয়ন ডলার অনুমোদন

আপডেট সময় ০১:৫২:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

কোভিড-১৯ মহামারিতে দেশের অর্থনীতি বিপর্যয়ে। চাকরি হারাচ্ছেন অনেকে। নাজুক গ্রামীণ অর্থনীতিও। এমন সময় দেশে মানসম্মত কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও চাকরি হারানোর ঝুঁকি মোকাবিলায় ১ দশমিক ০৫ বিলিয়ন বা ১০৫ কোটি ডলার (প্রতি ডলার ৮৬ টাকা দরে বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৯ হাজার ৩০ কোটি টাকা) অর্থ ছাড় করেছে বিশ্বব্যাংক। তিনটি পৃথক প্রকল্পের আওতায় এই অর্থ ছাড় করা হয়েছে। প্রকল্প তিনটির মাধ্যমে সরাসরি সাড়ে তিন লাখ কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে। অবদান রাখবে পরোক্ষভাবে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতেও।

শনিবার (২০ জুন) বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিস থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

মহামারি থেকে অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে সংকট মোকাবিলা করার লক্ষ্যে তিনটি প্রকল্পে এই অনুমোদন।

চলমান সংকটে প্রকল্পগুলোকে অসাধারণ উদ্যোগ উল্লেখ করে বাংলাদেশে নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্বন বলেন, কোভিড-১৯ মহামারিটি দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে গভীরভাবে বিপদে ফেলেছে। প্রকল্পগুলো ডিজিটাল অর্থনীতির ভিত্তি বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে আরও বেশি উন্নত কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চলে প্রত্যক্ষ বেসরকারি বিনিয়োগের মাধ্যমে অর্থনীতিকে চাঙা করবে।

বিশ্বব্যাংক ৫০ কোটি ডলার অনুমোদন করেছে বেসরকারি বিনিয়োগ এবং ডিজিটাল এন্টারপ্রেনারশিপ প্রকল্পে। এখানে প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার প্রত্যক্ষ বেসরকারি বিনিয়োগ এবং সরকারি বিনিয়োগ হবে। এই প্রকল্প ১ লাখ কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে। এছাড়া নানা ধরনের প্রশিক্ষণ পাবেন ১ লাখ বেকার। অর্থনৈতিক অঞ্চলে ২০ শতাংশ চাকরি নারীদের জন্য বরাদ্দ থাকবে।

এটি মিরসরাই-ফেনীতে দ্বিতীয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প নগরও উন্নয়ন করবে। যার মধ্যে পানি নিষ্কাশন, সৌর চালিত স্ট্রিটলাইট, স্যানিটেশন এবং বিদ্যুতের নেটওয়ার্কসহ সড়ক উন্নয়ন রয়েছে। প্রকল্পটি জনতা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে ঢাকার প্রথম ডিজিটাল উদ্যোক্তা কেন্দ্র স্থাপন করবে এবং এটিকে সবুজ ভবনে রূপান্তর করবে। আইটি এবং আইটিইএস সেক্টরসহ দেশি-বিদেশি বেসরকারি বিনিয়োগকে আকৃষ্ট করবে।

এনহান্সিং ডিজিটাল গভমেন্ট অ্যান্ড ইকোনমি নামে অপর এক প্রকল্পে ২৮ দশমিক ৫ কোটি ডলার অনুমোদন করেছে সংস্থাটি।

এ প্রকল্প সরকারি সংস্থার জন্য একটি সমন্বিত, ক্লাউড-কম্পিউটিং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম প্রতিষ্ঠা করবে এবং সাইবার-সুরক্ষা উন্নত করবে। ফলে পাবলিক সেক্টরের আইটি বিনিয়োগে ২ বিলিয়ন ডলার সাশ্রয় হবে। অধিকন্তু, এটি ভবিষ্যতের সংকটগুলো মোকাবিলায় অবদান রাখবে। প্রকল্পটি এক লাখ নারীদের কর্মসংস্থান তৈরি করবে, ডিজিটাল এবং বিপর্যয়কর প্রযুক্তিতে এক লাখ যুবকদের প্রশিক্ষণ দেবে। প্রকল্পটি ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ এবং কৌশলগত শিল্পকে ডিজিটালাইজড করতে সহায়তা করবে।

‘সেকেন্ড প্রোগ্রামেটিক জবস ডেভেলপমেন্ট পলিসি ক্রেডিট’ প্রকল্পে ২৫ কোটি ডলার অনুমোদন দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

এ প্রকল্প অর্থনীতি পুনরুদ্ধার এবং স্থিতিশীলতা তৈরিতে সহায়তা করবে। শ্রমিকরা যেন ভবিষ্যতে বিপর্যয়ের ঝুঁকিতে না পড়েন সেই বিষয়ে অবদান রাখবে।

এই অর্থায়নটি নারী, যুবক এবং অভিবাসী শ্রমিকসহ নাগরিকদের জন্য বৃহত্তর কর্মসংস্থান তৈরিতে সহায়তা করবে।