ঢাকা ০৯:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচনে ‘অনিয়ম’ হলেই কেবল জামায়াত ক্ষমতায় আসতে পারবে: হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর এটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন: আসিফ নজরুল ওরা দেশকে ভালোবাসার নামে আমেরিকার সঙ্গে গোপন বৈঠক করে: চরমোনাই পীর বিশ্বকাপে বাংলাদেশে বাদকে দিয়ে স্কটল্যান্ডকে নিলো আইসিসি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তিতে সংলাপ জরুরি : শিক্ষা উপদেষ্টা আমার কোনো প্রতিশ্রুতি নেই, যা প্রয়োজন তাই করব: মির্জা আব্বাস নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ না থাকলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না : সুজন শিশুদের সঠিক শিক্ষা প্রদানের জন্য আমরা প্রাইমারি শিক্ষার ওপর জোর দিতে চাচ্ছি: তারেক রহমান ‘অতীতেও পাশে ছিলাম, এখনো আছি এবং ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতেও থাকব’:মির্জা ফখরুল দ.আফ্রিকায় বাংলাদেশি ব্যবসায়ীকে গুলি করে খুন

বেনাপোলে স্থলপথে কাঁচামাল আমদানি সচল

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

করোনা সংক্রমণ রোধে ভারতে লকডাউন ঘোষণায় ভারতের পেট্রাপোল-বেনাপোল বন্দরের স্থলপথে প্রায় দীর্ঘ তিন মাস ধরে খাদ্যদ্রব্য জাতীয় কাঁচামাল আমদানি বন্ধ থাকার পর পুনরায় সচল হয়েছে। এতে ব্যবসায়ীদের মধ্যে যেমন স্বস্তি ফিরেছে তেমনি সরকাররেও রাজস্ব আয় বড়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সন্ধ্যায় ভারতের পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে সড়ক পথে ৩৯ ট্রাক বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে প্রবেশ করে। এসব আমদানিকৃত পণ্যের মধ্যে রয়েছে পেঁয়াজ, ডালিম, পান পাতা ও মাছ।

বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমস কার্গো শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা নাসিদুল হক জানান, প্রায় তিন মাস পর স্থলপথে ভারত থেকে ৩৯ ট্রাক খাদ্যদ্রব্য জাতীয় পণ্য আমদানি হয়েছে। তবে খুব দ্রুত আগের মতোই আমদানি-রপ্তানি স্বাভাবিক হবে।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি মফিজুর রহমান সজন জানান, করোনা ভাইরাসের কারণে লকডাউনে স্থলপথে ভারত থেকে এসব কাঁচামাল আমদানি বন্ধ ছিল। করোনার ভয়ে সড়ক পথে পণ্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা। পরে কয়েক দফা বৈঠকের পর স্বল্প পরিসরে রেলপথে কিছু কাঁচামাল দিতে রাজি হয়। এতে বড় ব্যবসায়ীদের সুবিধা হলেও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের লোকসান হচ্ছিল। অবশেষে স্থলপথে পুনরায় কাঁচামাল আমদানি শুরু হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে সবার মধ্যে।

বেনাপোল বন্দরের উপ-পরিচালক (ট্রাফিক) মামুন কবীর তরফদার বলেন, ধীরে ধীরে বন্দরে আমদানি বাণিজ্য স্বাভাবিক হচ্ছে। স্থলপথে কাঁচামাল আমদানি শুরু হওয়ায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। দ্রুত যাতে তারা পণ্য খালাস নিতে পারেন তার জন্য সংশিষ্ট সবাইকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

করোনার কারণে গত ২২ র্মাচ থেকে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে সব ধরনের পণ্য আমদানি-রপ্তানি বন্ধ হয়ে যায়। পরর্বতীতে লকডাউন শিথিত হলে গত ০৭ জুন সড়ক পথে সাধারণ পণ্যের আমদানি শুরু হলেও খাদ্যদ্রব্য জাতীয় পণ্যের আমদানি বন্ধ ছিল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকার চাইলে বিশ্বকাপ বয়কট করবে পাকিস্তান: নাকভি

বেনাপোলে স্থলপথে কাঁচামাল আমদানি সচল

আপডেট সময় ১০:১১:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

করোনা সংক্রমণ রোধে ভারতে লকডাউন ঘোষণায় ভারতের পেট্রাপোল-বেনাপোল বন্দরের স্থলপথে প্রায় দীর্ঘ তিন মাস ধরে খাদ্যদ্রব্য জাতীয় কাঁচামাল আমদানি বন্ধ থাকার পর পুনরায় সচল হয়েছে। এতে ব্যবসায়ীদের মধ্যে যেমন স্বস্তি ফিরেছে তেমনি সরকাররেও রাজস্ব আয় বড়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সন্ধ্যায় ভারতের পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে সড়ক পথে ৩৯ ট্রাক বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে প্রবেশ করে। এসব আমদানিকৃত পণ্যের মধ্যে রয়েছে পেঁয়াজ, ডালিম, পান পাতা ও মাছ।

বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমস কার্গো শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা নাসিদুল হক জানান, প্রায় তিন মাস পর স্থলপথে ভারত থেকে ৩৯ ট্রাক খাদ্যদ্রব্য জাতীয় পণ্য আমদানি হয়েছে। তবে খুব দ্রুত আগের মতোই আমদানি-রপ্তানি স্বাভাবিক হবে।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি মফিজুর রহমান সজন জানান, করোনা ভাইরাসের কারণে লকডাউনে স্থলপথে ভারত থেকে এসব কাঁচামাল আমদানি বন্ধ ছিল। করোনার ভয়ে সড়ক পথে পণ্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা। পরে কয়েক দফা বৈঠকের পর স্বল্প পরিসরে রেলপথে কিছু কাঁচামাল দিতে রাজি হয়। এতে বড় ব্যবসায়ীদের সুবিধা হলেও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের লোকসান হচ্ছিল। অবশেষে স্থলপথে পুনরায় কাঁচামাল আমদানি শুরু হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে সবার মধ্যে।

বেনাপোল বন্দরের উপ-পরিচালক (ট্রাফিক) মামুন কবীর তরফদার বলেন, ধীরে ধীরে বন্দরে আমদানি বাণিজ্য স্বাভাবিক হচ্ছে। স্থলপথে কাঁচামাল আমদানি শুরু হওয়ায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। দ্রুত যাতে তারা পণ্য খালাস নিতে পারেন তার জন্য সংশিষ্ট সবাইকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

করোনার কারণে গত ২২ র্মাচ থেকে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে সব ধরনের পণ্য আমদানি-রপ্তানি বন্ধ হয়ে যায়। পরর্বতীতে লকডাউন শিথিত হলে গত ০৭ জুন সড়ক পথে সাধারণ পণ্যের আমদানি শুরু হলেও খাদ্যদ্রব্য জাতীয় পণ্যের আমদানি বন্ধ ছিল।