ঢাকা ০৩:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বেনাপোলে স্থলপথে কাঁচামাল আমদানি সচল

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

করোনা সংক্রমণ রোধে ভারতে লকডাউন ঘোষণায় ভারতের পেট্রাপোল-বেনাপোল বন্দরের স্থলপথে প্রায় দীর্ঘ তিন মাস ধরে খাদ্যদ্রব্য জাতীয় কাঁচামাল আমদানি বন্ধ থাকার পর পুনরায় সচল হয়েছে। এতে ব্যবসায়ীদের মধ্যে যেমন স্বস্তি ফিরেছে তেমনি সরকাররেও রাজস্ব আয় বড়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সন্ধ্যায় ভারতের পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে সড়ক পথে ৩৯ ট্রাক বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে প্রবেশ করে। এসব আমদানিকৃত পণ্যের মধ্যে রয়েছে পেঁয়াজ, ডালিম, পান পাতা ও মাছ।

বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমস কার্গো শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা নাসিদুল হক জানান, প্রায় তিন মাস পর স্থলপথে ভারত থেকে ৩৯ ট্রাক খাদ্যদ্রব্য জাতীয় পণ্য আমদানি হয়েছে। তবে খুব দ্রুত আগের মতোই আমদানি-রপ্তানি স্বাভাবিক হবে।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি মফিজুর রহমান সজন জানান, করোনা ভাইরাসের কারণে লকডাউনে স্থলপথে ভারত থেকে এসব কাঁচামাল আমদানি বন্ধ ছিল। করোনার ভয়ে সড়ক পথে পণ্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা। পরে কয়েক দফা বৈঠকের পর স্বল্প পরিসরে রেলপথে কিছু কাঁচামাল দিতে রাজি হয়। এতে বড় ব্যবসায়ীদের সুবিধা হলেও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের লোকসান হচ্ছিল। অবশেষে স্থলপথে পুনরায় কাঁচামাল আমদানি শুরু হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে সবার মধ্যে।

বেনাপোল বন্দরের উপ-পরিচালক (ট্রাফিক) মামুন কবীর তরফদার বলেন, ধীরে ধীরে বন্দরে আমদানি বাণিজ্য স্বাভাবিক হচ্ছে। স্থলপথে কাঁচামাল আমদানি শুরু হওয়ায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। দ্রুত যাতে তারা পণ্য খালাস নিতে পারেন তার জন্য সংশিষ্ট সবাইকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

করোনার কারণে গত ২২ র্মাচ থেকে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে সব ধরনের পণ্য আমদানি-রপ্তানি বন্ধ হয়ে যায়। পরর্বতীতে লকডাউন শিথিত হলে গত ০৭ জুন সড়ক পথে সাধারণ পণ্যের আমদানি শুরু হলেও খাদ্যদ্রব্য জাতীয় পণ্যের আমদানি বন্ধ ছিল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

বেনাপোলে স্থলপথে কাঁচামাল আমদানি সচল

আপডেট সময় ১০:১১:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

করোনা সংক্রমণ রোধে ভারতে লকডাউন ঘোষণায় ভারতের পেট্রাপোল-বেনাপোল বন্দরের স্থলপথে প্রায় দীর্ঘ তিন মাস ধরে খাদ্যদ্রব্য জাতীয় কাঁচামাল আমদানি বন্ধ থাকার পর পুনরায় সচল হয়েছে। এতে ব্যবসায়ীদের মধ্যে যেমন স্বস্তি ফিরেছে তেমনি সরকাররেও রাজস্ব আয় বড়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সন্ধ্যায় ভারতের পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে সড়ক পথে ৩৯ ট্রাক বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে প্রবেশ করে। এসব আমদানিকৃত পণ্যের মধ্যে রয়েছে পেঁয়াজ, ডালিম, পান পাতা ও মাছ।

বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমস কার্গো শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা নাসিদুল হক জানান, প্রায় তিন মাস পর স্থলপথে ভারত থেকে ৩৯ ট্রাক খাদ্যদ্রব্য জাতীয় পণ্য আমদানি হয়েছে। তবে খুব দ্রুত আগের মতোই আমদানি-রপ্তানি স্বাভাবিক হবে।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি মফিজুর রহমান সজন জানান, করোনা ভাইরাসের কারণে লকডাউনে স্থলপথে ভারত থেকে এসব কাঁচামাল আমদানি বন্ধ ছিল। করোনার ভয়ে সড়ক পথে পণ্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা। পরে কয়েক দফা বৈঠকের পর স্বল্প পরিসরে রেলপথে কিছু কাঁচামাল দিতে রাজি হয়। এতে বড় ব্যবসায়ীদের সুবিধা হলেও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের লোকসান হচ্ছিল। অবশেষে স্থলপথে পুনরায় কাঁচামাল আমদানি শুরু হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে সবার মধ্যে।

বেনাপোল বন্দরের উপ-পরিচালক (ট্রাফিক) মামুন কবীর তরফদার বলেন, ধীরে ধীরে বন্দরে আমদানি বাণিজ্য স্বাভাবিক হচ্ছে। স্থলপথে কাঁচামাল আমদানি শুরু হওয়ায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। দ্রুত যাতে তারা পণ্য খালাস নিতে পারেন তার জন্য সংশিষ্ট সবাইকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

করোনার কারণে গত ২২ র্মাচ থেকে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে সব ধরনের পণ্য আমদানি-রপ্তানি বন্ধ হয়ে যায়। পরর্বতীতে লকডাউন শিথিত হলে গত ০৭ জুন সড়ক পথে সাধারণ পণ্যের আমদানি শুরু হলেও খাদ্যদ্রব্য জাতীয় পণ্যের আমদানি বন্ধ ছিল।