ঢাকা ০৭:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচনে ‘অনিয়ম’ হলেই কেবল জামায়াত ক্ষমতায় আসতে পারবে: হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর এটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন: আসিফ নজরুল ওরা দেশকে ভালোবাসার নামে আমেরিকার সঙ্গে গোপন বৈঠক করে: চরমোনাই পীর বিশ্বকাপে বাংলাদেশে বাদকে দিয়ে স্কটল্যান্ডকে নিলো আইসিসি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তিতে সংলাপ জরুরি : শিক্ষা উপদেষ্টা আমার কোনো প্রতিশ্রুতি নেই, যা প্রয়োজন তাই করব: মির্জা আব্বাস নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ না থাকলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না : সুজন শিশুদের সঠিক শিক্ষা প্রদানের জন্য আমরা প্রাইমারি শিক্ষার ওপর জোর দিতে চাচ্ছি: তারেক রহমান ‘অতীতেও পাশে ছিলাম, এখনো আছি এবং ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতেও থাকব’:মির্জা ফখরুল দ.আফ্রিকায় বাংলাদেশি ব্যবসায়ীকে গুলি করে খুন

রেমিটেন্স ১৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বিদায়ী ২০১৯-২০ অর্থবছরের ১০ জুন পর্যন্ত এক হাজার ৭০৬ কোটি ৪০ লাখ ডলার (১৭.০৪ বিলিয়ন) রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এই অঙ্ক ২০১৮-১৯ অর্থবছরের পুরো সময়ের (জুলাই-জুন) চেয়েও ৪ শতাংশ বেশি। আর এই রেমিটেন্সের ওপর ভর করে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও সর্বোচ্চ উচ্চতায় উঠেছে।

বৃহস্পতিবার দিন শেষে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৪ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন ডলার। দেশের ইতিহাসে এত বেশি রিজার্ভ আর কখনও ছিল না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, ২০১৯-২০ অর্থবছরের শেষ মাস জুনের প্রথম ১০ দিন (১ জুন থেকে ১০ জুন) ৭২ কোটি ডলার রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। সব মিলিয়ে এই অর্থবছরের ১১ মাস ১০ দিনে (২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২০ সালের ১০ জুন) ১৭ দশমিক ৬৪ বিলিয়ন ডলার রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এর আগে কখনোই কোনো অর্থবছরের পুরো সময়েও এই পরিমাণ রেমিটেন্স আসেনি বলে জানান তিনি।

সর্বশেষ মে মাসে রেমিটেন্স এসেছিল ১৫০ কোটি ৪৬ লাখ (১.৫) বিলিয়ন ডলার। তাতে ১১ মাসে রেমিটেন্সের পরিমাণ গত পুরো অর্থবছরের প্রায় সমান হয়ে গিয়েছিল। এখন তা গত অর্থবছরকে ছাড়িয়ে গেল। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ১৬ দশমিক ৩৪ বিলিয়ন ডলার রেমিটেন্স এসেছিল। আর সে কারণেই বৃহস্পতিবার ২০২০-২১ অর্থবছরের যে নতুন বাজেট উপস্থাপন করেছেন তাতেও ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।

মার্চে ১২৮ কোটি ৬৮ লাখ ডলারের রেমিটেন্স এসেছিল, যা গত বছরের মার্চ মাসের চেয়ে ১৩ দশমিক ৩৪ শতাংশ কম। পরের মাস এপ্রিলে রেমিটেন্স আরও কমে ১০৮ কোটি ১০ লাখ ডলারে নেমে আসে, তাও গত বছরের এপ্রিলের চেয়ে ২৪ দশমিক ৬১ শতাংশ কম। কিন্তু মে মাসে চিত্র পাল্টাতে থাকে। প্রথম ১১ দিনে ৫১ কোটি ২০ লাখ ডলার রেমিটেন্স আসে, ৩১ মে মাস শেষে সেই রেমিটেন্স গিয়ে দাঁড়িয়েছে ১৫০ কোটি ৪০ লাখ ডলারে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকার চাইলে বিশ্বকাপ বয়কট করবে পাকিস্তান: নাকভি

রেমিটেন্স ১৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

আপডেট সময় ০৭:০৪:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বিদায়ী ২০১৯-২০ অর্থবছরের ১০ জুন পর্যন্ত এক হাজার ৭০৬ কোটি ৪০ লাখ ডলার (১৭.০৪ বিলিয়ন) রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এই অঙ্ক ২০১৮-১৯ অর্থবছরের পুরো সময়ের (জুলাই-জুন) চেয়েও ৪ শতাংশ বেশি। আর এই রেমিটেন্সের ওপর ভর করে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও সর্বোচ্চ উচ্চতায় উঠেছে।

বৃহস্পতিবার দিন শেষে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৪ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন ডলার। দেশের ইতিহাসে এত বেশি রিজার্ভ আর কখনও ছিল না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, ২০১৯-২০ অর্থবছরের শেষ মাস জুনের প্রথম ১০ দিন (১ জুন থেকে ১০ জুন) ৭২ কোটি ডলার রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। সব মিলিয়ে এই অর্থবছরের ১১ মাস ১০ দিনে (২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২০ সালের ১০ জুন) ১৭ দশমিক ৬৪ বিলিয়ন ডলার রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এর আগে কখনোই কোনো অর্থবছরের পুরো সময়েও এই পরিমাণ রেমিটেন্স আসেনি বলে জানান তিনি।

সর্বশেষ মে মাসে রেমিটেন্স এসেছিল ১৫০ কোটি ৪৬ লাখ (১.৫) বিলিয়ন ডলার। তাতে ১১ মাসে রেমিটেন্সের পরিমাণ গত পুরো অর্থবছরের প্রায় সমান হয়ে গিয়েছিল। এখন তা গত অর্থবছরকে ছাড়িয়ে গেল। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ১৬ দশমিক ৩৪ বিলিয়ন ডলার রেমিটেন্স এসেছিল। আর সে কারণেই বৃহস্পতিবার ২০২০-২১ অর্থবছরের যে নতুন বাজেট উপস্থাপন করেছেন তাতেও ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।

মার্চে ১২৮ কোটি ৬৮ লাখ ডলারের রেমিটেন্স এসেছিল, যা গত বছরের মার্চ মাসের চেয়ে ১৩ দশমিক ৩৪ শতাংশ কম। পরের মাস এপ্রিলে রেমিটেন্স আরও কমে ১০৮ কোটি ১০ লাখ ডলারে নেমে আসে, তাও গত বছরের এপ্রিলের চেয়ে ২৪ দশমিক ৬১ শতাংশ কম। কিন্তু মে মাসে চিত্র পাল্টাতে থাকে। প্রথম ১১ দিনে ৫১ কোটি ২০ লাখ ডলার রেমিটেন্স আসে, ৩১ মে মাস শেষে সেই রেমিটেন্স গিয়ে দাঁড়িয়েছে ১৫০ কোটি ৪০ লাখ ডলারে।