ঢাকা ০৭:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচনে ‘অনিয়ম’ হলেই কেবল জামায়াত ক্ষমতায় আসতে পারবে: হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর এটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন: আসিফ নজরুল ওরা দেশকে ভালোবাসার নামে আমেরিকার সঙ্গে গোপন বৈঠক করে: চরমোনাই পীর বিশ্বকাপে বাংলাদেশে বাদকে দিয়ে স্কটল্যান্ডকে নিলো আইসিসি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তিতে সংলাপ জরুরি : শিক্ষা উপদেষ্টা আমার কোনো প্রতিশ্রুতি নেই, যা প্রয়োজন তাই করব: মির্জা আব্বাস নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ না থাকলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না : সুজন শিশুদের সঠিক শিক্ষা প্রদানের জন্য আমরা প্রাইমারি শিক্ষার ওপর জোর দিতে চাচ্ছি: তারেক রহমান ‘অতীতেও পাশে ছিলাম, এখনো আছি এবং ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতেও থাকব’:মির্জা ফখরুল দ.আফ্রিকায় বাংলাদেশি ব্যবসায়ীকে গুলি করে খুন

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের চেয়ে ভয়াবহ মন্দায় বৈশ্বিক অর্থনীতি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় ১৯৩৯ সালে। সে সময় মুখ থুবড়ে পড়ে বৈশ্বিক অর্থনীতি। বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণের ফলে বৈশ্বিক অর্থনীতি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের চেয়ে ভয়াবহ মন্দায় পড়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) বিশ্বব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ওয়াশিংটন ডিসি থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিশ্বব্যাংক বলছে, বৈশ্বিক অর্থনীতি এখন সবচেয়ে ভয়াবহ অর্থনৈতিক মন্দায় পড়েছে। সব অঞ্চলে মাথাপিছু আয় কমার পাশাপাশি বাড়ছে বেকারত্বের হাহাকার। চলতি ২০২০ সালে বিশ্বের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) ৩ শতাংশ সংকুচিত হবে। তবে পরের বছরেই অর্থাৎ ২০২১ সালেই বৈশ্বিক জিডিপি ঘুরে দাঁড়াবে। তখন জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার হবে ৫ দশমিক ৯ শতাংশ।

বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস অনুসারে, বৈশ্বিক অর্থনীতি এই বছর ৫ দশমিক ২ শতাংশ কমে হবে। এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে ভয়াবহ মন্দা। ১৮৪০ সাল থেকে মাথাপিছু আয়ের ক্ষেত্রে সব সময় ইতিবাচক ছিল, তবে এবার নেতিবাচক অবস্থায়।

অভ্যন্তরীণ চাহিদা ও সরবরাহ, বাণিজ্য এবং অর্থনীতির সব খাত মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। ২০২০ সালে অর্থনৈতিক কাজ ৭ শতাংশ কম হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। উদীয়মান বাজার ও উন্নয়নশীল অর্থনীতি (ইএমডিই) এবছর ২ দশমিক ৫ শতাংশ কমবে। যা গত ৬০ বছরে হয়নি। মাথাপিছু আয় ৩ দশমিক ৬ শতাংশ কম হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা এই বছর লাখ লাখ লোককে চরম দারিদ্র্যের দিকে ঠেলে দেবে।

‘বিশ্বব্যাপী বাণিজ্য, পর্যটন, পণ্য রপ্তানি এবং যেখানে বৈদেশিক অর্থায়নের নির্ভরতা রয়েছে সেখানে মারাত্মকভাবে আঘাত হেনেছে। বিদ্যালয়ের পড়াশোনায় বাধা ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় মানুষের টাকা খরচে স্থায়ী প্রভাব পড়েছে।’

বিশ্বব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট সায়লা পাজারবাসিয়োগলু বলেন, কোভিড-১৯ গভীরভাবে বিশ্বকে সংকটে ফেলে দিয়েছে। বিশ্বব্যাপী বড় ধরনের ঝুঁকি রয়েছে। আমাদের ব্যবসার প্রথম আদেশ হলো বিশ্ব স্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক জরুরিভাবে সমাধান করা। এর বাইরে আরও বেশি মানুষ দারিদ্র্য ও বেকারত্বের কবলে পড়বে।

বিশ্বব্যাংক আরো জানায়, বৈশ্বিক অর্থনীতি অত্যন্ত অনিশ্চিত এবং নেতিবাচক ঝুঁকিতে রয়েছে। বিশ্বব্যাপী অর্থনীতি এবছর ৪ শতাংশ সঙ্কুচিত হতে পারে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকার চাইলে বিশ্বকাপ বয়কট করবে পাকিস্তান: নাকভি

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের চেয়ে ভয়াবহ মন্দায় বৈশ্বিক অর্থনীতি

আপডেট সময় ০৪:৪৫:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় ১৯৩৯ সালে। সে সময় মুখ থুবড়ে পড়ে বৈশ্বিক অর্থনীতি। বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণের ফলে বৈশ্বিক অর্থনীতি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের চেয়ে ভয়াবহ মন্দায় পড়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) বিশ্বব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ওয়াশিংটন ডিসি থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিশ্বব্যাংক বলছে, বৈশ্বিক অর্থনীতি এখন সবচেয়ে ভয়াবহ অর্থনৈতিক মন্দায় পড়েছে। সব অঞ্চলে মাথাপিছু আয় কমার পাশাপাশি বাড়ছে বেকারত্বের হাহাকার। চলতি ২০২০ সালে বিশ্বের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) ৩ শতাংশ সংকুচিত হবে। তবে পরের বছরেই অর্থাৎ ২০২১ সালেই বৈশ্বিক জিডিপি ঘুরে দাঁড়াবে। তখন জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার হবে ৫ দশমিক ৯ শতাংশ।

বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস অনুসারে, বৈশ্বিক অর্থনীতি এই বছর ৫ দশমিক ২ শতাংশ কমে হবে। এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে ভয়াবহ মন্দা। ১৮৪০ সাল থেকে মাথাপিছু আয়ের ক্ষেত্রে সব সময় ইতিবাচক ছিল, তবে এবার নেতিবাচক অবস্থায়।

অভ্যন্তরীণ চাহিদা ও সরবরাহ, বাণিজ্য এবং অর্থনীতির সব খাত মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। ২০২০ সালে অর্থনৈতিক কাজ ৭ শতাংশ কম হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। উদীয়মান বাজার ও উন্নয়নশীল অর্থনীতি (ইএমডিই) এবছর ২ দশমিক ৫ শতাংশ কমবে। যা গত ৬০ বছরে হয়নি। মাথাপিছু আয় ৩ দশমিক ৬ শতাংশ কম হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা এই বছর লাখ লাখ লোককে চরম দারিদ্র্যের দিকে ঠেলে দেবে।

‘বিশ্বব্যাপী বাণিজ্য, পর্যটন, পণ্য রপ্তানি এবং যেখানে বৈদেশিক অর্থায়নের নির্ভরতা রয়েছে সেখানে মারাত্মকভাবে আঘাত হেনেছে। বিদ্যালয়ের পড়াশোনায় বাধা ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় মানুষের টাকা খরচে স্থায়ী প্রভাব পড়েছে।’

বিশ্বব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট সায়লা পাজারবাসিয়োগলু বলেন, কোভিড-১৯ গভীরভাবে বিশ্বকে সংকটে ফেলে দিয়েছে। বিশ্বব্যাপী বড় ধরনের ঝুঁকি রয়েছে। আমাদের ব্যবসার প্রথম আদেশ হলো বিশ্ব স্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক জরুরিভাবে সমাধান করা। এর বাইরে আরও বেশি মানুষ দারিদ্র্য ও বেকারত্বের কবলে পড়বে।

বিশ্বব্যাংক আরো জানায়, বৈশ্বিক অর্থনীতি অত্যন্ত অনিশ্চিত এবং নেতিবাচক ঝুঁকিতে রয়েছে। বিশ্বব্যাপী অর্থনীতি এবছর ৪ শতাংশ সঙ্কুচিত হতে পারে।