ঢাকা ০৯:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারীদের বাড়ি তৈরি করে দেবে সরকার জুলাই আকাঙ্ক্ষার ধারে কাছেও যেতে পারিনি আমরা: মান্না ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে অংশ নেবে না ইতালি: মেলোনি শোষণ ও লুটপাট করে যারা পালিয়ে যায় তাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ লড়াই চলবে: এবি পার্টি ফিলিস্তিনের পক্ষে দাঁড়ানোয় শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়: নেপথ্যে অস্ত্র ব্যবসা শেখ হাসিনাকে ফেরানোর চেষ্টায় কূটনৈতিক ঘাটতি নেই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সরকার অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ তৈরির লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে: সমাজকল্যাণমন্ত্রী জনগণের ঐক্য ভাঙার সুযোগ আর কোনো অপশক্তিকে দেওয়া হবে না: রিজভী শিক্ষার্থীদের সফট স্কিল বাড়াতে প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম চালুর উদ্যোগ ইউজিসির ময়মনসিংহে ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যা: ১০ কার্যদিবসে রায়, ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অবস্থা জানালেন মির্জা ফখরুল

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

৬ মাস জামিনে কারামুক্ত বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এখনও হোম কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন।করোনা পরিস্থিতিতে দলীয় নেতাদেরও দেখা দিচ্ছেন না তিনি।তার স্বাস্থ্যের অবস্থা জানতে দলীয় নেতাকর্মীদের আগ্রহের শেষ নেই।

মঙ্গলবার রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অবস্থা জানান দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি জানান, খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যগত উন্নতি হয়নি। তবে তিনি মানসিকভাবে ভালো আছেন।

১১ মে রাতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গুলশানে খালেদা জিয়ার বাসা ফিরোজায় গিয়ে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। জামিনে মুক্তির পর এটাই ছিল দুই নেতার প্রথম সাক্ষাৎ।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘উনি (খালেদা জিয়া) আমাকে ডেকেছিলেন, আমি গিয়েছিলাম। হাসপাতাল ছেড়ে বাসায় আসার কারণে নি:সন্দেহে মানসিকভাবে ওইটুকু রিলিফ তিনি পেয়েছেন। সেকারণে তিনি মানসিক দিক দিয়ে একটু বেটার আছেন। আর স্বাস্থ্যগত দিক থেকে, তার অসুখের দিক থেকে খুব একটা ইমপ্রুভমেন্ট একদমই হয় নাই। তার তো চিকিৎসাই হচ্ছে না। কারণ হাসপাতাল তো বন্ধ প্রায়। হাসপাতালে গিয়ে তিনি পরীক্ষা করবেন সেই সুযোগও নেই।’

জামিনের ক্ষেত্রে সরকারের শর্তের কথা উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, উনি বিদেশ যেতে পারবেন না। অন্যান্য দেশগুলোতে একই অবস্থা। লকডাউন, যোগাযোগ সবই বন্ধ। সে কারণে চিকিৎসার সুযোগটিও পাচ্ছেন না। উনি আগে যে চিকিৎসা নিতেন, তার ব্যক্তিগত যেসব চিকিৎসক রয়েছেন তাদের সঙ্গে পরামর্শ করে চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছেন।

গত ২৫ মার্চ সরকারের নির্বাহী আদেশে ৬ মাসের জন্য জামিন পান খালেদা জিয়া। মুক্তির পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের প্রিজন সেল থেকে তিনি গুলশানের বাসায় উঠেন। এরপর থেকে তিনি সেখানেই আছেন।

এর আগে দুর্নীতির দুই মামলায় ১৭ বছর দণ্ড নিয়ে টানা দুই বছরেরও বেশি সময় জেল খাটেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারীদের বাড়ি তৈরি করে দেবে সরকার

খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অবস্থা জানালেন মির্জা ফখরুল

আপডেট সময় ১২:৩৯:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

৬ মাস জামিনে কারামুক্ত বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এখনও হোম কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন।করোনা পরিস্থিতিতে দলীয় নেতাদেরও দেখা দিচ্ছেন না তিনি।তার স্বাস্থ্যের অবস্থা জানতে দলীয় নেতাকর্মীদের আগ্রহের শেষ নেই।

মঙ্গলবার রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অবস্থা জানান দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি জানান, খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যগত উন্নতি হয়নি। তবে তিনি মানসিকভাবে ভালো আছেন।

১১ মে রাতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গুলশানে খালেদা জিয়ার বাসা ফিরোজায় গিয়ে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। জামিনে মুক্তির পর এটাই ছিল দুই নেতার প্রথম সাক্ষাৎ।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘উনি (খালেদা জিয়া) আমাকে ডেকেছিলেন, আমি গিয়েছিলাম। হাসপাতাল ছেড়ে বাসায় আসার কারণে নি:সন্দেহে মানসিকভাবে ওইটুকু রিলিফ তিনি পেয়েছেন। সেকারণে তিনি মানসিক দিক দিয়ে একটু বেটার আছেন। আর স্বাস্থ্যগত দিক থেকে, তার অসুখের দিক থেকে খুব একটা ইমপ্রুভমেন্ট একদমই হয় নাই। তার তো চিকিৎসাই হচ্ছে না। কারণ হাসপাতাল তো বন্ধ প্রায়। হাসপাতালে গিয়ে তিনি পরীক্ষা করবেন সেই সুযোগও নেই।’

জামিনের ক্ষেত্রে সরকারের শর্তের কথা উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, উনি বিদেশ যেতে পারবেন না। অন্যান্য দেশগুলোতে একই অবস্থা। লকডাউন, যোগাযোগ সবই বন্ধ। সে কারণে চিকিৎসার সুযোগটিও পাচ্ছেন না। উনি আগে যে চিকিৎসা নিতেন, তার ব্যক্তিগত যেসব চিকিৎসক রয়েছেন তাদের সঙ্গে পরামর্শ করে চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছেন।

গত ২৫ মার্চ সরকারের নির্বাহী আদেশে ৬ মাসের জন্য জামিন পান খালেদা জিয়া। মুক্তির পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের প্রিজন সেল থেকে তিনি গুলশানের বাসায় উঠেন। এরপর থেকে তিনি সেখানেই আছেন।

এর আগে দুর্নীতির দুই মামলায় ১৭ বছর দণ্ড নিয়ে টানা দুই বছরেরও বেশি সময় জেল খাটেন।