ঢাকা ০৬:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শোষণ ও লুটপাট করে যারা পালিয়ে যায় তাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ লড়াই চলবে: এবি পার্টি শেখ হাসিনাকে ফেরানোর চেষ্টায় কূটনৈতিক ঘাটতি নেই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সরকার অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ তৈরির লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে: সমাজকল্যাণমন্ত্রী ময়মনসিংহে ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যা: ১০ কার্যদিবসে রায়, ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড জ্বালানি নিরাপত্তায় বড় পদক্ষেপ, ইউরেনিয়াম চুক্তিতে সই করল ভারত-অস্ট্রেলিয়া খামেনির শেষযাত্রার পথে মার্কিন হামলা, রেলসেতু ধ্বংসের পর বন্ধ ট্রেন চলাচল বাংলাদেশের অর্থনীতি প্রবৃদ্ধি কিছুটা শ্লথ হলেও স্থিতিস্থাপকতা বজায় রয়েছে : এডিবি আগামী সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে: আইনমন্ত্রী ফিফা প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ নিয়ে থানায় নোয়াখালীর তরুণ তুরস্কের সঙ্গে যৌথ ড্রোন কারখানা হবে বগুড়ায় : এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী

পারাদ্বীপ থেকে ৯৮০ ও দীঘা থেকে ১১৩০ কি.মি দূরে ‘আম্পান’

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত হওয়া অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘আম্পান’ পশ্চিমবঙ্গে আছড়ে পড়তে পারে বলে ৭০ ভাগ সম্ভাবনা রয়েছে। তবে দিক পরিবর্তন হয়ে উড়িষ্যা রাজ্যের দিকে যেতে পারে বলে ৩০ ভাগ সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া দপ্তর থেকে এমনটাই জানা গেছে।

সর্বশেষ বুলেটিন অনুযায়ী, বর্তমানে ঘূর্ণিঝড়টি উড়িষ্যার পারাদ্বীপ থেকে ৯৮০ কিলোমিটার দক্ষিণে, বাংলাদেশের খেপুপুরা থেকে ১,২৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ এবং দক্ষিণ-পশ্চিমে, এবং পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার দীঘা সমুদ্র থেকে ১,১৩০ কিলোমিটার দক্ষিণ, দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছে।

এই ঘূর্ণিঝড় আগামী ১২ ঘণ্টায় আরও প্রবল আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সোমবার (১৮ মে) বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শক্তি বাড়িয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপান্তরিত হয়ে ক্রমশ উত্তর দিকে এগোবে।

আগামী বুধবার (২০ মে) বিকেল অথবা সন্ধ্যা নাগাদ দীঘা হয়ে তা বাংলাদেশের দিকে চলে যাবে। তখনই এটি সব থেকে ভয়াবহ প্রভাব ফেলবে বলে আশঙ্কা করছেন আবহাওয়া দপ্তরের অধিকর্তারা।

আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, এ দুর্যোগের জের শুরু হবে মঙ্গলবার (১৯ মে) থেকেই রাজ্যের দুই ২৪ পরগনা, মেদিনীপুরসহ হাওড়া, হুগলি ও কলকাতায় হালকা থেকে মাঝারি এবং কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টি হবে। দুপুরের পর থেকেই ৪৫ থেকে ৬৫ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা বেগে ঝড়ো হাওয়া বইবে।

আগামী বুধবার (২০ মে) পশ্চিমবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় মাঝারি থেকে ভারী, কোথাও অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। বিকেল বা সন্ধ্যায় প্রতি ঘণ্টায় ঝড়ের গতিবেগ ১২০ থেকে ১৪০ কিলোমিটার হতে পারে। ঘূর্ণিঝড়ের গতিবেগ ১৫৫ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ঘূর্ণিঝড় আম্পানের পূর্বাভাস পেয়েই সতর্ক হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। বিশেষভাবে সতর্ক এনডিআরএফ বা বিপর্য়য় মোকাবিলা বাহিনী। অন্যদিকে ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কায় ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে উড়িষ্যা রাজ্য। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইতোমধ্যে পৌঁছেছে ন্যাশনার ডিজার্স্টার ফোর্স (এনডিআরএফ)। পুরী, ভুবনেশ্বর, জাজপুর, ময়ুরভঞ্জসহ একাধিক জায়গায় মোতায়েন এনডিআরএফের ১০টি টিম।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শোষণ ও লুটপাট করে যারা পালিয়ে যায় তাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ লড়াই চলবে: এবি পার্টি

পারাদ্বীপ থেকে ৯৮০ ও দীঘা থেকে ১১৩০ কি.মি দূরে ‘আম্পান’

আপডেট সময় ১২:১৭:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত হওয়া অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘আম্পান’ পশ্চিমবঙ্গে আছড়ে পড়তে পারে বলে ৭০ ভাগ সম্ভাবনা রয়েছে। তবে দিক পরিবর্তন হয়ে উড়িষ্যা রাজ্যের দিকে যেতে পারে বলে ৩০ ভাগ সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া দপ্তর থেকে এমনটাই জানা গেছে।

সর্বশেষ বুলেটিন অনুযায়ী, বর্তমানে ঘূর্ণিঝড়টি উড়িষ্যার পারাদ্বীপ থেকে ৯৮০ কিলোমিটার দক্ষিণে, বাংলাদেশের খেপুপুরা থেকে ১,২৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ এবং দক্ষিণ-পশ্চিমে, এবং পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার দীঘা সমুদ্র থেকে ১,১৩০ কিলোমিটার দক্ষিণ, দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছে।

এই ঘূর্ণিঝড় আগামী ১২ ঘণ্টায় আরও প্রবল আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সোমবার (১৮ মে) বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শক্তি বাড়িয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপান্তরিত হয়ে ক্রমশ উত্তর দিকে এগোবে।

আগামী বুধবার (২০ মে) বিকেল অথবা সন্ধ্যা নাগাদ দীঘা হয়ে তা বাংলাদেশের দিকে চলে যাবে। তখনই এটি সব থেকে ভয়াবহ প্রভাব ফেলবে বলে আশঙ্কা করছেন আবহাওয়া দপ্তরের অধিকর্তারা।

আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, এ দুর্যোগের জের শুরু হবে মঙ্গলবার (১৯ মে) থেকেই রাজ্যের দুই ২৪ পরগনা, মেদিনীপুরসহ হাওড়া, হুগলি ও কলকাতায় হালকা থেকে মাঝারি এবং কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টি হবে। দুপুরের পর থেকেই ৪৫ থেকে ৬৫ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা বেগে ঝড়ো হাওয়া বইবে।

আগামী বুধবার (২০ মে) পশ্চিমবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় মাঝারি থেকে ভারী, কোথাও অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। বিকেল বা সন্ধ্যায় প্রতি ঘণ্টায় ঝড়ের গতিবেগ ১২০ থেকে ১৪০ কিলোমিটার হতে পারে। ঘূর্ণিঝড়ের গতিবেগ ১৫৫ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ঘূর্ণিঝড় আম্পানের পূর্বাভাস পেয়েই সতর্ক হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। বিশেষভাবে সতর্ক এনডিআরএফ বা বিপর্য়য় মোকাবিলা বাহিনী। অন্যদিকে ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কায় ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে উড়িষ্যা রাজ্য। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইতোমধ্যে পৌঁছেছে ন্যাশনার ডিজার্স্টার ফোর্স (এনডিআরএফ)। পুরী, ভুবনেশ্বর, জাজপুর, ময়ুরভঞ্জসহ একাধিক জায়গায় মোতায়েন এনডিআরএফের ১০টি টিম।