ঢাকা ০৫:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

এবার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে করোনার হানা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গণহত্যা ও নির্যাতনের মুখে মিয়ানমার থেকে কক্সবাজারে এসে আশ্রয় নেয়া লাখ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ক্যাম্পে এবার করোনাভাইরাস হানা দিয়েছে। প্রথমবারের মতো প্রায় ১০ লাখ শরণার্থীর আবাসনস্থলে কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার কক্সবাজারের কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দুজন শরণার্থীকে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে।

রোহিঙ্গা শরণার্থী প্রত্যাবাসন কমিশনারের কার্যালয়ের স্বাস্থ্য সমন্বয়ক ডা. তোয়াহা ভুঁইয়া জানান, আজ ৩৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে ওই দুজন করোনাভাইরাস পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন।

আক্রান্ত দুজনের সংস্পর্শে এসেছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে এমন প্রায় এক হাজার ৯০০ জনকে এখন আলাদা করার প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানান ডা. তোয়াহা।

আক্রান্ত দুজনের একজনকে আন্তর্জাতিক সংস্থা মেডিসিন উইদাউট বর্ডারস এবং অন্যকে আন্তর্জাতিক শরণার্থী সংস্থার তত্ত্বাবধানে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে।

দেশে প্রথমবারের মতো করোনা রোগী শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ। সে সময় থেকেই স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরগুলো নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছিলেন। ক্যাম্পে অনেক ছোট জায়গায় প্রায় দশ লাখ রোহিঙ্গার বসবাসের কারণেই এ উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল।

রোহিঙ্গা শিবিরে যেন করোনা হানা দিতে না পারে সে ব্যাপারে শুরু থেকেই সতর্ক ছিল কর্তৃপক্ষ। গত ৪ মার্চ ক্যাম্প আংশিক এবং ১৪ মার্চ থেকে পুরোপুরি লকডাউন করে দেয়া হয়। সতর্কতার মধ্যেই অবশেষে সারাদেশে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস হানা দিলো রোহিঙ্গা ক্যাম্পেও।

এদিকে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আরও ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ২৮৩ জনে। এছাড়া নতুন শনাক্তের তালিকায় যুক্ত হয়েছেন আরও এক হাজার ৪১ জন। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১৮ হাজার ৮৬৩ জনে।

কক্সবাজারের ল্যাবে নতুন পরীক্ষা করা ১৮৬ জনের মধ্যে ১২ ব্যক্তির দেহে করোনা পজেটিভ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে দুজন রোহিঙ্গা। অপর ১০ জনের মধ্যে কক্সবাজার সদরের নয়জন এবং একজন চকরিয়া উপজেলার বাসিন্দা। এনিয়ে কক্সবাজারে করোনায় শনাক্ত হলেন দুই রোহিঙ্গাসহ ১৩১ জন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

এবার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে করোনার হানা

আপডেট সময় ০৮:০১:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গণহত্যা ও নির্যাতনের মুখে মিয়ানমার থেকে কক্সবাজারে এসে আশ্রয় নেয়া লাখ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ক্যাম্পে এবার করোনাভাইরাস হানা দিয়েছে। প্রথমবারের মতো প্রায় ১০ লাখ শরণার্থীর আবাসনস্থলে কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার কক্সবাজারের কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দুজন শরণার্থীকে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে।

রোহিঙ্গা শরণার্থী প্রত্যাবাসন কমিশনারের কার্যালয়ের স্বাস্থ্য সমন্বয়ক ডা. তোয়াহা ভুঁইয়া জানান, আজ ৩৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে ওই দুজন করোনাভাইরাস পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন।

আক্রান্ত দুজনের সংস্পর্শে এসেছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে এমন প্রায় এক হাজার ৯০০ জনকে এখন আলাদা করার প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানান ডা. তোয়াহা।

আক্রান্ত দুজনের একজনকে আন্তর্জাতিক সংস্থা মেডিসিন উইদাউট বর্ডারস এবং অন্যকে আন্তর্জাতিক শরণার্থী সংস্থার তত্ত্বাবধানে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে।

দেশে প্রথমবারের মতো করোনা রোগী শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ। সে সময় থেকেই স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরগুলো নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছিলেন। ক্যাম্পে অনেক ছোট জায়গায় প্রায় দশ লাখ রোহিঙ্গার বসবাসের কারণেই এ উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল।

রোহিঙ্গা শিবিরে যেন করোনা হানা দিতে না পারে সে ব্যাপারে শুরু থেকেই সতর্ক ছিল কর্তৃপক্ষ। গত ৪ মার্চ ক্যাম্প আংশিক এবং ১৪ মার্চ থেকে পুরোপুরি লকডাউন করে দেয়া হয়। সতর্কতার মধ্যেই অবশেষে সারাদেশে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস হানা দিলো রোহিঙ্গা ক্যাম্পেও।

এদিকে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আরও ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ২৮৩ জনে। এছাড়া নতুন শনাক্তের তালিকায় যুক্ত হয়েছেন আরও এক হাজার ৪১ জন। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১৮ হাজার ৮৬৩ জনে।

কক্সবাজারের ল্যাবে নতুন পরীক্ষা করা ১৮৬ জনের মধ্যে ১২ ব্যক্তির দেহে করোনা পজেটিভ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে দুজন রোহিঙ্গা। অপর ১০ জনের মধ্যে কক্সবাজার সদরের নয়জন এবং একজন চকরিয়া উপজেলার বাসিন্দা। এনিয়ে কক্সবাজারে করোনায় শনাক্ত হলেন দুই রোহিঙ্গাসহ ১৩১ জন।