ঢাকা ০৪:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকার ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: বাণিজ্যমন্ত্রী ভাতার আওতায় এলেন আরও ১৭১ খেলোয়াড় তেলের দাম বিশ্ববাজারে দ্বিগুণ বাড়লেও আমরা সামান্য বাড়িয়েছি: জ্বালানি মন্ত্রী আইএমএফের চাপে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়নি: অর্থমন্ত্রী জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের কাছে ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’: গোলাম পরওয়ার ইসরাইল বিজয় ছিনিয়ে আনতে জানে: ট্রাম্প মেরিন ড্রাইভে প্রাইভেটকারে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন যাত্রীরা নেতানিয়াহুর প্ররোচনায় ইরানযুদ্ধে জড়িয়েছেন ট্রাম্প: কমলা হ্যারিস ১০৭ বছরের পুরোনো মাঠ দখলমুক্ত করার ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর চাকরি পুনর্বহাল চেয়ে মতিঝিলে ৬ ইসলামী ব্যাংকের সাবেক কর্মীদের অবস্থান

ধর্ষণে অভিযুক্ত ভারতীয় ধর্মগুরুর রায় ঘিরে ভক্তদের তাণ্ডব, নিহত ১২

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

দুটি ধর্ষণ মামলায় বিতর্কিত ধর্মগুরু রাম রহিমকে দোষী সাব্যস্ত করে দেয়া রায়ের সহিংস প্রতিবাদে ভারতের দুটি রাজ্যে ১২ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এনডিটিভির খবরে বলা হয়, রায় ঘোষণার পরপরই পাঞ্জাব ও হরিয়ানা রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে।

বিভিন্ন স্থানে লাঠি, বাঁশ, ইট-পাথর নিয়ে পুলিশের উপর হামলে পড়ে ধর্মগুরুর সমর্থকরা। পুলিশও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ ও গুলি চালায়। এ ঘটনায় ৭ জন নিহত ও ৫০ জনের বেশি আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

হরিয়ানা ও পাঞ্জাব রাজ্য ছাড়াও সংঘর্ষ ভারতের রাজধানী দিল্লিতে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।

জানা গেছে, পাঞ্জাবের দু’টি রেলওয়ে স্টেশনে ইতিমধ্যেই আগুন লাগিয়ে দিয়েছেন রাম রহিমের সমর্থকরা। দুই রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় থানা এবং সরকারি দফতরে আগুন লাগানো শুরু হয়েছে। পাঁচকুলা ছাড়াও পাঞ্জাবের ভাতিন্ডা, মনসা, মুকতাসর, ফিরোজপুরে কার্ফু জারি করা হয়েছে।

ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের ডেরা সাচা সওদার প্রধান ধর্মগুরু গুরমিত রাম রহিম সিংয়ের বিরুদ্ধে নিজের এক শিষ্যকে ধর্ষণের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।

সোমবার তার বিরুদ্ধে সাজা ঘোষণা করবে আদালত। আইন অনুযায়ী তার সাত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।

শুক্রবার হরিয়ানা রাজ্যের পঞ্চকুলার বিশেষ সিবিআই আদালত বাবা রামকে ধর্ষণ মামলায় দোষী সাব্যস্ত করে রায় ঘোষণা করে।

রায়ের পর আদালত তাকে আমবালার অস্থায়ী কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। এরপর কড়া নিরাপত্তায় রাম রহিমকে নিয়ে কারাগারের পথে রওনা করে নয়টি গাড়ির বহর। এ সময় কান্নায় ভেঙে পড়ে তার ভক্তরা। এরপর সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে।

সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনীর কমপক্ষে পাঁচটি টিম মোতায়েন করা হয়েছ।

উল্লেখ্য, হরিয়ানার সিরসা শহরের কাছে অবস্থিত এলাকার ডেরা সাচা সওদার সদর দফতরের ভেতরে একজন শিষ্যকে রাম রহিম নিয়মিত ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ ওঠে। ধর্ষিতা ২০০২ সালে থানায় মামলা দায়ের করেন। এতে তিনি দাবি করেন, ১৯৯৯ সালে রাম রহিম তাকে ধর্ষণ করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

সরকার ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: বাণিজ্যমন্ত্রী

ধর্ষণে অভিযুক্ত ভারতীয় ধর্মগুরুর রায় ঘিরে ভক্তদের তাণ্ডব, নিহত ১২

আপডেট সময় ০৬:৫৩:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

দুটি ধর্ষণ মামলায় বিতর্কিত ধর্মগুরু রাম রহিমকে দোষী সাব্যস্ত করে দেয়া রায়ের সহিংস প্রতিবাদে ভারতের দুটি রাজ্যে ১২ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এনডিটিভির খবরে বলা হয়, রায় ঘোষণার পরপরই পাঞ্জাব ও হরিয়ানা রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে।

বিভিন্ন স্থানে লাঠি, বাঁশ, ইট-পাথর নিয়ে পুলিশের উপর হামলে পড়ে ধর্মগুরুর সমর্থকরা। পুলিশও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ ও গুলি চালায়। এ ঘটনায় ৭ জন নিহত ও ৫০ জনের বেশি আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

হরিয়ানা ও পাঞ্জাব রাজ্য ছাড়াও সংঘর্ষ ভারতের রাজধানী দিল্লিতে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।

জানা গেছে, পাঞ্জাবের দু’টি রেলওয়ে স্টেশনে ইতিমধ্যেই আগুন লাগিয়ে দিয়েছেন রাম রহিমের সমর্থকরা। দুই রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় থানা এবং সরকারি দফতরে আগুন লাগানো শুরু হয়েছে। পাঁচকুলা ছাড়াও পাঞ্জাবের ভাতিন্ডা, মনসা, মুকতাসর, ফিরোজপুরে কার্ফু জারি করা হয়েছে।

ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের ডেরা সাচা সওদার প্রধান ধর্মগুরু গুরমিত রাম রহিম সিংয়ের বিরুদ্ধে নিজের এক শিষ্যকে ধর্ষণের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।

সোমবার তার বিরুদ্ধে সাজা ঘোষণা করবে আদালত। আইন অনুযায়ী তার সাত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।

শুক্রবার হরিয়ানা রাজ্যের পঞ্চকুলার বিশেষ সিবিআই আদালত বাবা রামকে ধর্ষণ মামলায় দোষী সাব্যস্ত করে রায় ঘোষণা করে।

রায়ের পর আদালত তাকে আমবালার অস্থায়ী কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। এরপর কড়া নিরাপত্তায় রাম রহিমকে নিয়ে কারাগারের পথে রওনা করে নয়টি গাড়ির বহর। এ সময় কান্নায় ভেঙে পড়ে তার ভক্তরা। এরপর সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে।

সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনীর কমপক্ষে পাঁচটি টিম মোতায়েন করা হয়েছ।

উল্লেখ্য, হরিয়ানার সিরসা শহরের কাছে অবস্থিত এলাকার ডেরা সাচা সওদার সদর দফতরের ভেতরে একজন শিষ্যকে রাম রহিম নিয়মিত ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ ওঠে। ধর্ষিতা ২০০২ সালে থানায় মামলা দায়ের করেন। এতে তিনি দাবি করেন, ১৯৯৯ সালে রাম রহিম তাকে ধর্ষণ করেন।