ঢাকা ০৪:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকার ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: বাণিজ্যমন্ত্রী ভাতার আওতায় এলেন আরও ১৭১ খেলোয়াড় তেলের দাম বিশ্ববাজারে দ্বিগুণ বাড়লেও আমরা সামান্য বাড়িয়েছি: জ্বালানি মন্ত্রী আইএমএফের চাপে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়নি: অর্থমন্ত্রী জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের কাছে ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’: গোলাম পরওয়ার ইসরাইল বিজয় ছিনিয়ে আনতে জানে: ট্রাম্প মেরিন ড্রাইভে প্রাইভেটকারে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন যাত্রীরা নেতানিয়াহুর প্ররোচনায় ইরানযুদ্ধে জড়িয়েছেন ট্রাম্প: কমলা হ্যারিস ১০৭ বছরের পুরোনো মাঠ দখলমুক্ত করার ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর চাকরি পুনর্বহাল চেয়ে মতিঝিলে ৬ ইসলামী ব্যাংকের সাবেক কর্মীদের অবস্থান

দেশ ছেড়ে পালালেন থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মাথায় নিয়ে দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইংলাক সিনাওয়াত্রা।

আজ শুক্রবার ইংলাকের দল পুয়ে থাই পার্টির সূত্রের বরাত বিবিসি জানায়, চালে ভর্তুকি দেওয়ার নামে দুর্নীতির মামলায় আদালতে হাজির হওয়ার কিছুক্ষণ আগেই তিনি পালানোর সিদ্ধান্ত নেন।

ইংলাকের আইনজীবীরা আদালতকে বলেছেন, তিনি অসুস্থ থাকায় আদালতে হাজির হতে পারেননি। এরপর আদালত তাঁর জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

বিচারকরা আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এ মামলায় রায় ঘোষণা স্থগিত করেন। আজই এ রায় ঘোষণার কথা ছিল।

ইংলাক কোনো দুর্নীতি করেনননি বলে আদালতকে জানিয়েছেন। চাল ভর্তুকির মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রের শতকোটি ডলার অপচয় হয়েছে। তিনি দোষী প্রমাণিত হলে তাঁর ১০ বছর কারাদণ্ড এবং রাজনীতি থেকে নিষিদ্ধ হতে পারেন।

ইংলাকের দলীয় সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানায়, তিনি দেশ ছেড়ে চলে গেছেন এটা নিশ্চিত। তবে এর বেশি কিছু জানাননি।

থাইল্যান্ডের সামরিক বাহিনীর প্রধান এবং প্রধানমন্ত্রী প্রয়ুথ চান-ওচা বলেন, দেশ ছেড়ে যাওয়ার সব পথে নজরদারি করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমি মাত্র শুনলাম তিনি আদালতে হাজির হননি। আমি সীমান্তের তল্লাশিচৌকিতে কঠোর নজরদারির নির্দেশ দিয়েছি।’

২০১১ সালের মে মাসে ইংলাক সিনাওয়াত্রা থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। এরপর চালে ভর্তুকি দেওয়ার কর্মসূচি চালু করেন। ২০১৪ সালের জানুয়ারিতে দেশটির দুর্নীতি দমন কর্তৃপক্ষ তাঁর বিরুদ্ধে ভর্তুকি কর্মসূচিতে দুর্নীতির তদন্ত করে। একই বছর মে মাসে তিনি পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। এর কয়েক সপ্তাহ পর সেনাবাহিনী তাঁর সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে।

২০১৫ সালের জানুয়ারি সেনাসমর্থিত আইনসভা দুর্নীতির অভিযোগে ইংলাককে অভিশংসন করে। এরপর তিনি পাঁচ বছরের জন্য রাজনীতি থেকে নিষিদ্ধ হন। তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির বিচারও শুরু হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

সরকার ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: বাণিজ্যমন্ত্রী

দেশ ছেড়ে পালালেন থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৫:৪৬:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মাথায় নিয়ে দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইংলাক সিনাওয়াত্রা।

আজ শুক্রবার ইংলাকের দল পুয়ে থাই পার্টির সূত্রের বরাত বিবিসি জানায়, চালে ভর্তুকি দেওয়ার নামে দুর্নীতির মামলায় আদালতে হাজির হওয়ার কিছুক্ষণ আগেই তিনি পালানোর সিদ্ধান্ত নেন।

ইংলাকের আইনজীবীরা আদালতকে বলেছেন, তিনি অসুস্থ থাকায় আদালতে হাজির হতে পারেননি। এরপর আদালত তাঁর জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

বিচারকরা আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এ মামলায় রায় ঘোষণা স্থগিত করেন। আজই এ রায় ঘোষণার কথা ছিল।

ইংলাক কোনো দুর্নীতি করেনননি বলে আদালতকে জানিয়েছেন। চাল ভর্তুকির মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রের শতকোটি ডলার অপচয় হয়েছে। তিনি দোষী প্রমাণিত হলে তাঁর ১০ বছর কারাদণ্ড এবং রাজনীতি থেকে নিষিদ্ধ হতে পারেন।

ইংলাকের দলীয় সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানায়, তিনি দেশ ছেড়ে চলে গেছেন এটা নিশ্চিত। তবে এর বেশি কিছু জানাননি।

থাইল্যান্ডের সামরিক বাহিনীর প্রধান এবং প্রধানমন্ত্রী প্রয়ুথ চান-ওচা বলেন, দেশ ছেড়ে যাওয়ার সব পথে নজরদারি করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমি মাত্র শুনলাম তিনি আদালতে হাজির হননি। আমি সীমান্তের তল্লাশিচৌকিতে কঠোর নজরদারির নির্দেশ দিয়েছি।’

২০১১ সালের মে মাসে ইংলাক সিনাওয়াত্রা থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। এরপর চালে ভর্তুকি দেওয়ার কর্মসূচি চালু করেন। ২০১৪ সালের জানুয়ারিতে দেশটির দুর্নীতি দমন কর্তৃপক্ষ তাঁর বিরুদ্ধে ভর্তুকি কর্মসূচিতে দুর্নীতির তদন্ত করে। একই বছর মে মাসে তিনি পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। এর কয়েক সপ্তাহ পর সেনাবাহিনী তাঁর সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে।

২০১৫ সালের জানুয়ারি সেনাসমর্থিত আইনসভা দুর্নীতির অভিযোগে ইংলাককে অভিশংসন করে। এরপর তিনি পাঁচ বছরের জন্য রাজনীতি থেকে নিষিদ্ধ হন। তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির বিচারও শুরু হয়।