ঢাকা ১১:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জুলাই সনদের বিরুদ্ধে রায় এলে সংসদ বাতিল হয়ে যাবে: আসিফ সরকারকে বলব, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করুন: নাহিদ ইসলাম শ্রমিক হত্যা মামলায় আইভীর গ্রেপ্তার আবেদন মঞ্জুর মধ্যপ্রাচ্য সংকটে প্রবাসীদের নিরাপত্তাই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার: পররাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী ছয় মাসে কী করবো জানতে চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী : শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে এবার বাহরাইনে বাংলাদেশি নিহত সৌদিতে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য জরু‌রি বিজ্ঞ‌প্তি দূতাবাসের স্বাস্থ্যখাতে চীনের সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান মন্ত্রীর নেতানিয়াহুর কার্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি ইরানের রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস সার্ভিস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

দেশ ছেড়ে পালালেন থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মাথায় নিয়ে দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইংলাক সিনাওয়াত্রা।

আজ শুক্রবার ইংলাকের দল পুয়ে থাই পার্টির সূত্রের বরাত বিবিসি জানায়, চালে ভর্তুকি দেওয়ার নামে দুর্নীতির মামলায় আদালতে হাজির হওয়ার কিছুক্ষণ আগেই তিনি পালানোর সিদ্ধান্ত নেন।

ইংলাকের আইনজীবীরা আদালতকে বলেছেন, তিনি অসুস্থ থাকায় আদালতে হাজির হতে পারেননি। এরপর আদালত তাঁর জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

বিচারকরা আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এ মামলায় রায় ঘোষণা স্থগিত করেন। আজই এ রায় ঘোষণার কথা ছিল।

ইংলাক কোনো দুর্নীতি করেনননি বলে আদালতকে জানিয়েছেন। চাল ভর্তুকির মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রের শতকোটি ডলার অপচয় হয়েছে। তিনি দোষী প্রমাণিত হলে তাঁর ১০ বছর কারাদণ্ড এবং রাজনীতি থেকে নিষিদ্ধ হতে পারেন।

ইংলাকের দলীয় সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানায়, তিনি দেশ ছেড়ে চলে গেছেন এটা নিশ্চিত। তবে এর বেশি কিছু জানাননি।

থাইল্যান্ডের সামরিক বাহিনীর প্রধান এবং প্রধানমন্ত্রী প্রয়ুথ চান-ওচা বলেন, দেশ ছেড়ে যাওয়ার সব পথে নজরদারি করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমি মাত্র শুনলাম তিনি আদালতে হাজির হননি। আমি সীমান্তের তল্লাশিচৌকিতে কঠোর নজরদারির নির্দেশ দিয়েছি।’

২০১১ সালের মে মাসে ইংলাক সিনাওয়াত্রা থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। এরপর চালে ভর্তুকি দেওয়ার কর্মসূচি চালু করেন। ২০১৪ সালের জানুয়ারিতে দেশটির দুর্নীতি দমন কর্তৃপক্ষ তাঁর বিরুদ্ধে ভর্তুকি কর্মসূচিতে দুর্নীতির তদন্ত করে। একই বছর মে মাসে তিনি পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। এর কয়েক সপ্তাহ পর সেনাবাহিনী তাঁর সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে।

২০১৫ সালের জানুয়ারি সেনাসমর্থিত আইনসভা দুর্নীতির অভিযোগে ইংলাককে অভিশংসন করে। এরপর তিনি পাঁচ বছরের জন্য রাজনীতি থেকে নিষিদ্ধ হন। তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির বিচারও শুরু হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হামলা ও সংঘাতের ঘটনা বিশ্ব সভ্যতার জন্য ভয়াবহ বার্তা দিচ্ছে: মির্জা ফখরুল

দেশ ছেড়ে পালালেন থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৫:৪৬:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মাথায় নিয়ে দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইংলাক সিনাওয়াত্রা।

আজ শুক্রবার ইংলাকের দল পুয়ে থাই পার্টির সূত্রের বরাত বিবিসি জানায়, চালে ভর্তুকি দেওয়ার নামে দুর্নীতির মামলায় আদালতে হাজির হওয়ার কিছুক্ষণ আগেই তিনি পালানোর সিদ্ধান্ত নেন।

ইংলাকের আইনজীবীরা আদালতকে বলেছেন, তিনি অসুস্থ থাকায় আদালতে হাজির হতে পারেননি। এরপর আদালত তাঁর জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

বিচারকরা আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এ মামলায় রায় ঘোষণা স্থগিত করেন। আজই এ রায় ঘোষণার কথা ছিল।

ইংলাক কোনো দুর্নীতি করেনননি বলে আদালতকে জানিয়েছেন। চাল ভর্তুকির মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রের শতকোটি ডলার অপচয় হয়েছে। তিনি দোষী প্রমাণিত হলে তাঁর ১০ বছর কারাদণ্ড এবং রাজনীতি থেকে নিষিদ্ধ হতে পারেন।

ইংলাকের দলীয় সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানায়, তিনি দেশ ছেড়ে চলে গেছেন এটা নিশ্চিত। তবে এর বেশি কিছু জানাননি।

থাইল্যান্ডের সামরিক বাহিনীর প্রধান এবং প্রধানমন্ত্রী প্রয়ুথ চান-ওচা বলেন, দেশ ছেড়ে যাওয়ার সব পথে নজরদারি করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমি মাত্র শুনলাম তিনি আদালতে হাজির হননি। আমি সীমান্তের তল্লাশিচৌকিতে কঠোর নজরদারির নির্দেশ দিয়েছি।’

২০১১ সালের মে মাসে ইংলাক সিনাওয়াত্রা থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। এরপর চালে ভর্তুকি দেওয়ার কর্মসূচি চালু করেন। ২০১৪ সালের জানুয়ারিতে দেশটির দুর্নীতি দমন কর্তৃপক্ষ তাঁর বিরুদ্ধে ভর্তুকি কর্মসূচিতে দুর্নীতির তদন্ত করে। একই বছর মে মাসে তিনি পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। এর কয়েক সপ্তাহ পর সেনাবাহিনী তাঁর সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে।

২০১৫ সালের জানুয়ারি সেনাসমর্থিত আইনসভা দুর্নীতির অভিযোগে ইংলাককে অভিশংসন করে। এরপর তিনি পাঁচ বছরের জন্য রাজনীতি থেকে নিষিদ্ধ হন। তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির বিচারও শুরু হয়।