ঢাকা ০৯:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

গাজীপুরে দুই গার্মেন্টের ৪ কর্মীর করোনা শনাক্ত

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গাজীপুরে দুইটি গার্মেন্ট কারখানার ৪ শ্রমিক করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে এক পরিবারের বাবা ও মেয়ে এবং অন্য দুইজন প্রতিবেশী।

গত কয়েকদিন ধরে তারা কারখানায় কাজ করছিলেন। মঙ্গলবার রাতে বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় বাসিন্দা ও ইউপি মেম্বার তাদেরকে ভাড়া বাসা থেকে বের হতে নিষেধ করেন। বুধবার তাদেরকে গার্মেন্টে যেতে দেওয়া হয়নি। তারা সবাই হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন।

তাদের সবার বাড়ি সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলার কাউকান্দি গ্রামে।

করোনায় আক্রান্ত এক নারী গার্মেন্ট কর্মীর ভাই জানান, গাজীপুর থেকে গেছেন শুনে এলাকার মানুষ ও প্রশাসন গত ২২ এপ্রিল তাদের নমূনা সংগ্রহ করে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখেন। এরমধ্যে গার্মেন্ট খোলার ঘোষণা দিলে গত ২৬ এপ্রিল গাজীপুর সদর উপজেলার ভাড়া বাড়িতে ফিরে আসেন। তারা ২৭ এপ্রিল ও ৩ মে থেকে কাজে যোগ দেন। মঙ্গলবার ডিউটি শেষ করে বিকেলে তারা সবাই বাসায় ফিরেন। রাত ১০টার পর স্থানীয় মেম্বার এসে জানান তার বাবা (৪৫) ও ছোট বোন (১৮) এবং প্রতিবেশী দুই নারী গার্মেন্ট কর্মী (৩০) করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

তাদের ঘর থেকে বের হতে এবং গার্মেন্টে যেতেও নিষেধ করে গেছেন। বুধবার কারখানার লোকজনও এসে কাজে যেতে নিষেধ করে গেছেন। তাই সবাই বাসাতে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে করোনার কোন লক্ষণ নেই বলে দাবি করেন তিনি।

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ইকবাল হোসেন জানান, আক্রান্তরা সকলেই গাজীপুর থেকে গ্রামের বাড়িতে আসলে স্থানীয়দের চাপে তারা গত ২২ এপ্রিল তাদের নমুনা দিয়ে যায়। পরে মঙ্গলবার (৫ মে) বিকেলে করোনা ভাইরাস পজেটিভ রিপোর্ট আসে। করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের অবস্থান নিশ্চিত করতে গেলে জানতে পারি চারজন গত ২৬ এপ্রিল গাজীপুর চলে গেছে এবং তাদের কর্মস্থল গাজীপুর সদর উপজেলার বাঘেরবাজার এলাকায় পোশাক কারখানায় কাজে যোগ দিয়েছে। পরে আমরা গাজীপুর সদর উপজেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগকে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া জন্যে সকল তথ্য সরবরাহ করেছি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

গাজীপুরে দুই গার্মেন্টের ৪ কর্মীর করোনা শনাক্ত

আপডেট সময় ০৮:৫৩:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গাজীপুরে দুইটি গার্মেন্ট কারখানার ৪ শ্রমিক করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে এক পরিবারের বাবা ও মেয়ে এবং অন্য দুইজন প্রতিবেশী।

গত কয়েকদিন ধরে তারা কারখানায় কাজ করছিলেন। মঙ্গলবার রাতে বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় বাসিন্দা ও ইউপি মেম্বার তাদেরকে ভাড়া বাসা থেকে বের হতে নিষেধ করেন। বুধবার তাদেরকে গার্মেন্টে যেতে দেওয়া হয়নি। তারা সবাই হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন।

তাদের সবার বাড়ি সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলার কাউকান্দি গ্রামে।

করোনায় আক্রান্ত এক নারী গার্মেন্ট কর্মীর ভাই জানান, গাজীপুর থেকে গেছেন শুনে এলাকার মানুষ ও প্রশাসন গত ২২ এপ্রিল তাদের নমূনা সংগ্রহ করে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখেন। এরমধ্যে গার্মেন্ট খোলার ঘোষণা দিলে গত ২৬ এপ্রিল গাজীপুর সদর উপজেলার ভাড়া বাড়িতে ফিরে আসেন। তারা ২৭ এপ্রিল ও ৩ মে থেকে কাজে যোগ দেন। মঙ্গলবার ডিউটি শেষ করে বিকেলে তারা সবাই বাসায় ফিরেন। রাত ১০টার পর স্থানীয় মেম্বার এসে জানান তার বাবা (৪৫) ও ছোট বোন (১৮) এবং প্রতিবেশী দুই নারী গার্মেন্ট কর্মী (৩০) করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

তাদের ঘর থেকে বের হতে এবং গার্মেন্টে যেতেও নিষেধ করে গেছেন। বুধবার কারখানার লোকজনও এসে কাজে যেতে নিষেধ করে গেছেন। তাই সবাই বাসাতে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে করোনার কোন লক্ষণ নেই বলে দাবি করেন তিনি।

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ইকবাল হোসেন জানান, আক্রান্তরা সকলেই গাজীপুর থেকে গ্রামের বাড়িতে আসলে স্থানীয়দের চাপে তারা গত ২২ এপ্রিল তাদের নমুনা দিয়ে যায়। পরে মঙ্গলবার (৫ মে) বিকেলে করোনা ভাইরাস পজেটিভ রিপোর্ট আসে। করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের অবস্থান নিশ্চিত করতে গেলে জানতে পারি চারজন গত ২৬ এপ্রিল গাজীপুর চলে গেছে এবং তাদের কর্মস্থল গাজীপুর সদর উপজেলার বাঘেরবাজার এলাকায় পোশাক কারখানায় কাজে যোগ দিয়েছে। পরে আমরা গাজীপুর সদর উপজেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগকে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া জন্যে সকল তথ্য সরবরাহ করেছি।