ঢাকা ০৪:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান সরকার অনুমোদন দিলে ক্রসফায়ারও করবে পুলিশ: আইজিপি ব্যবসায়ীকে আটকে চাঁদা দাবি: ডিজিএফআই সদস্যসহ কারাগারে ৬ দেশে হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইজিপি: চাঁদাবাজির অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করার ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ জাপান সফরে তারেক রহমান: অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে নতুন গতির আশা

সবাই একযোগে কাজ করলে বিপর্যয় কাটিয়ে ওঠা সম্ভব: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

করোনা পরিস্থিতিতে যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে ও সর্তকতা অবলম্বন করে উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়ন করতে হবে বল জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।

সোমবার মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবন থেকে জুম (ZOOM) ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশের ৬৪টি জেলার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর (এলজিইডি)-র নির্বাহী প্রকৌশলীদের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, জাতির এ দুঃসময় ও দুর্দিনে এলজিইডির জেলা পর্যায়ে কর্মরত নির্বাহী প্রকৌশলীরা কাজ করছেন। আমরা যেভাবে এগুচ্ছিলাম কোভিড-১৯ পরিস্থিতির কারণে তাতে কিছুটা বাধার সৃষ্টি হয়েছে। তবে সবাই একযোগে কাজ করলে এ বিপর্যয় কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে আমি আশা করি।

মন্ত্রী বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) ও এলজিইডি’র অন্যান্য কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনার উদ্দেশ্যে এ ভিডিও কনফারেন্সের উদ্যোগ নেন।

অনলাইনের মাধ্যমে ভিডিও কনফারেন্সে সংযুক্ত হয়ে ৬৪টি জেলা থেকে এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলীরা তাদের কাজের অগ্রগতি মন্ত্রীকে অবহিত করেন এবং বর্তমান পরিস্থিতিতে কী ধরনের সমস্যা মোকাবেলা করছেন তা তুলে ধরেন।
তারা জানান, রাস্তায় মাটি ভরাটসহ কিছু কাজ সামাজিক দূরত্ব মেনে করা সম্ভব হচ্ছে। তবে কার্পেটিং বা ঢালাইয়ের কাজ করতে কিছুটা অসুবিধার সৃষ্টি হচ্ছে। তাছাড়া নিয়মিত যে সব শ্রমিক কাজ করে তারা নিজ নিজ এলাকায় চলে যাওয়াতে দক্ষ কর্মীর অভাব আছে। পাথর আমদানিতে ও পরিবহনেও সমস্যা তৈরি হয়েছে। সিমেন্টসহ কিছু উপকরণের দাম বেড়ে গিয়েছে। তাছাড়া স্বাস্থ্যগত ঝুঁকির ব্যাপারগুলোও আছে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন লকডাউন বা ছুটি বাস্তবয়নে কঠোর হবার কারণে কাজ করতে সমস্যা হচ্ছে।

মন্ত্রী তাদের আশ্বস্ত করে বলেন, সরকার কিছু কিছু ক্ষেত্রে শিথিল হওয়ার নির্দেশনা প্রদান করছে। কাজেই সমস্যাগুলো ধীরে ধীরে কেটে যাবে। তারপরও যেসব জায়গায় আমাদের ভূমিকা রাখা দরকার সেটা আমরা করব। আপনারা এডিপি ও অন্যান্য কার্যক্রম যথাযথভাবে এবং গুণগত মান নিশ্চিত করে বাস্তবায়ন করুন। যেসব জেলায় কাজের অগ্রগতি কিছুটা ঘাটতি রয়েছে তারা একটু জোর দিয়ে কাজ করলে এ ঘাটতি পুষিয়ে ওঠা সম্ভব হবে। বেশিরভাগ জেলা ইতিমধ্যে এডিপি’র প্রায় শতকরা ৭৫-৮০ ভাগ কাজ বাস্তবায়ন করেছে বলে মন্ত্রী সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শতভাগ অর্জন করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

ভিডিও কনফারেন্সে আরো সংযুক্ত ছিলেন, স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ, অতিরিক্ত সচিব মেজবাহ উদ্দিন, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর (এলজিইডি)-এর প্রধান প্রকৌশলী মো. আব্দুর রশিদ খান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে বিনামূল্যে হুইলচেয়ার সেবা চালু

সবাই একযোগে কাজ করলে বিপর্যয় কাটিয়ে ওঠা সম্ভব: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

আপডেট সময় ০৭:৩৭:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

করোনা পরিস্থিতিতে যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে ও সর্তকতা অবলম্বন করে উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়ন করতে হবে বল জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।

সোমবার মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবন থেকে জুম (ZOOM) ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশের ৬৪টি জেলার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর (এলজিইডি)-র নির্বাহী প্রকৌশলীদের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, জাতির এ দুঃসময় ও দুর্দিনে এলজিইডির জেলা পর্যায়ে কর্মরত নির্বাহী প্রকৌশলীরা কাজ করছেন। আমরা যেভাবে এগুচ্ছিলাম কোভিড-১৯ পরিস্থিতির কারণে তাতে কিছুটা বাধার সৃষ্টি হয়েছে। তবে সবাই একযোগে কাজ করলে এ বিপর্যয় কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে আমি আশা করি।

মন্ত্রী বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) ও এলজিইডি’র অন্যান্য কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনার উদ্দেশ্যে এ ভিডিও কনফারেন্সের উদ্যোগ নেন।

অনলাইনের মাধ্যমে ভিডিও কনফারেন্সে সংযুক্ত হয়ে ৬৪টি জেলা থেকে এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলীরা তাদের কাজের অগ্রগতি মন্ত্রীকে অবহিত করেন এবং বর্তমান পরিস্থিতিতে কী ধরনের সমস্যা মোকাবেলা করছেন তা তুলে ধরেন।
তারা জানান, রাস্তায় মাটি ভরাটসহ কিছু কাজ সামাজিক দূরত্ব মেনে করা সম্ভব হচ্ছে। তবে কার্পেটিং বা ঢালাইয়ের কাজ করতে কিছুটা অসুবিধার সৃষ্টি হচ্ছে। তাছাড়া নিয়মিত যে সব শ্রমিক কাজ করে তারা নিজ নিজ এলাকায় চলে যাওয়াতে দক্ষ কর্মীর অভাব আছে। পাথর আমদানিতে ও পরিবহনেও সমস্যা তৈরি হয়েছে। সিমেন্টসহ কিছু উপকরণের দাম বেড়ে গিয়েছে। তাছাড়া স্বাস্থ্যগত ঝুঁকির ব্যাপারগুলোও আছে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন লকডাউন বা ছুটি বাস্তবয়নে কঠোর হবার কারণে কাজ করতে সমস্যা হচ্ছে।

মন্ত্রী তাদের আশ্বস্ত করে বলেন, সরকার কিছু কিছু ক্ষেত্রে শিথিল হওয়ার নির্দেশনা প্রদান করছে। কাজেই সমস্যাগুলো ধীরে ধীরে কেটে যাবে। তারপরও যেসব জায়গায় আমাদের ভূমিকা রাখা দরকার সেটা আমরা করব। আপনারা এডিপি ও অন্যান্য কার্যক্রম যথাযথভাবে এবং গুণগত মান নিশ্চিত করে বাস্তবায়ন করুন। যেসব জেলায় কাজের অগ্রগতি কিছুটা ঘাটতি রয়েছে তারা একটু জোর দিয়ে কাজ করলে এ ঘাটতি পুষিয়ে ওঠা সম্ভব হবে। বেশিরভাগ জেলা ইতিমধ্যে এডিপি’র প্রায় শতকরা ৭৫-৮০ ভাগ কাজ বাস্তবায়ন করেছে বলে মন্ত্রী সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শতভাগ অর্জন করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

ভিডিও কনফারেন্সে আরো সংযুক্ত ছিলেন, স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ, অতিরিক্ত সচিব মেজবাহ উদ্দিন, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর (এলজিইডি)-এর প্রধান প্রকৌশলী মো. আব্দুর রশিদ খান।