ঢাকা ০২:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

প্রতিবছর ফ্লু হয়ে ফিরবে করোনা: চীনের গবেষণা

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

বিশ্বের সব হিসাব পাল্টে দিয়েছে করোনাভাইরাস। কবে এর প্রতিষেধক আবিষ্কার হবে, কবে এটি নির্মূল হবে তা জানে না কেউ। এমন অবস্থায় চীনের গবেষকরা জানিয়েছেন আরও ভয়ংকর তথ্য। তাদের মতে, করোনাভাইরাস কখনো নির্মূল হবে না, বরং ফ্লু আকারে প্রতিবছর এটি ফিরে আসবে। কখনও কখনও যা ভয়াবহ আকার নেবে। খবর ব্লুমবার্গের।

চীনের ওই গবেষক দল মনে করছেন, সার্স ভাইরাসের মতো করোনাভাইরাসও বহু বছর ধরে সমস্যা তৈরি করবে। জ্বরসহ নানা ধরনের ফ্লুয়ের মত উপসর্গ নিয়ে হানা দিবে করোনা। অ্যাসিম্পটোম্যাটিক ক্যারিয়ার ধরে ছড়াবে সংক্রমণ। ঠিক এইভাবেই সার্স ১৭ বছর আগে আতঙ্ক তৈরি করেছিল। সার্সও এভাবে এক মানুষ থেকে আরেক মানুষের শরীরে ছড়ায়।

সোমবার বেইজিংয়ে এক অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান চীনের একদল বিশিষ্ট ভাইরাল ও চিকিৎসা গবেষক।

চীনের অন্যতম মেডিক্যাল সংস্থা ইনস্টিটিউট অফ প্যাথোজেন বায়োলজির প্রধান জিন কি বলেছেন, মানুষের শরীরে দীর্ঘদিন থাকতে পারে করোনা ভাইরাস। যেটা ভয়ের। কারণ করোনাকে নির্মূল করা এখনও সম্ভব হয়নি। সেই চেষ্টা চলছে। তবে দীর্ঘদিন সোশ্যাল ডিসট্যান্স ও লকডাউন চালালে করোনার সংক্রমণ শেষ হতে পারে।

এর আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন ‘মার্কিন প্রশাসনের বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, কোভিড-১৯ ভাইরাস বধ করার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা নিতে পারে অতিবেগুনি রশ্মি। পারে ব্লিচ ও অ্যালকোহলের মতো জীবাণুনাশকও। আর ভাইরাস মাটিতে থাকলে সেটা ৩০ সেকেন্ডের মধ্যেই করা সম্ভব। এটাই এখনকার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পর্যবেক্ষণ। এছাড়াও তার বক্তব্য ছিল তীব্র রোদ, গরম ও আর্দ্র আবহাওয়াতে করোনা ভাইরাস কার্যক্ষমতা সাময়িক ভাবে হারায়। গরম কাল চলছে। ফলে খুব বেশিদিন আর চোখ রাঙাতে পারবে না করোনা ভাইরাস।

এই দাবি নস্যাৎ করেছেন চীনা গবেষকরা। তারা জানিয়েছেন, এরকম কোনো তথ্য এখনও প্রমাণিত হয়নি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

প্রতিবছর ফ্লু হয়ে ফিরবে করোনা: চীনের গবেষণা

আপডেট সময় ০৪:১০:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

বিশ্বের সব হিসাব পাল্টে দিয়েছে করোনাভাইরাস। কবে এর প্রতিষেধক আবিষ্কার হবে, কবে এটি নির্মূল হবে তা জানে না কেউ। এমন অবস্থায় চীনের গবেষকরা জানিয়েছেন আরও ভয়ংকর তথ্য। তাদের মতে, করোনাভাইরাস কখনো নির্মূল হবে না, বরং ফ্লু আকারে প্রতিবছর এটি ফিরে আসবে। কখনও কখনও যা ভয়াবহ আকার নেবে। খবর ব্লুমবার্গের।

চীনের ওই গবেষক দল মনে করছেন, সার্স ভাইরাসের মতো করোনাভাইরাসও বহু বছর ধরে সমস্যা তৈরি করবে। জ্বরসহ নানা ধরনের ফ্লুয়ের মত উপসর্গ নিয়ে হানা দিবে করোনা। অ্যাসিম্পটোম্যাটিক ক্যারিয়ার ধরে ছড়াবে সংক্রমণ। ঠিক এইভাবেই সার্স ১৭ বছর আগে আতঙ্ক তৈরি করেছিল। সার্সও এভাবে এক মানুষ থেকে আরেক মানুষের শরীরে ছড়ায়।

সোমবার বেইজিংয়ে এক অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান চীনের একদল বিশিষ্ট ভাইরাল ও চিকিৎসা গবেষক।

চীনের অন্যতম মেডিক্যাল সংস্থা ইনস্টিটিউট অফ প্যাথোজেন বায়োলজির প্রধান জিন কি বলেছেন, মানুষের শরীরে দীর্ঘদিন থাকতে পারে করোনা ভাইরাস। যেটা ভয়ের। কারণ করোনাকে নির্মূল করা এখনও সম্ভব হয়নি। সেই চেষ্টা চলছে। তবে দীর্ঘদিন সোশ্যাল ডিসট্যান্স ও লকডাউন চালালে করোনার সংক্রমণ শেষ হতে পারে।

এর আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন ‘মার্কিন প্রশাসনের বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, কোভিড-১৯ ভাইরাস বধ করার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা নিতে পারে অতিবেগুনি রশ্মি। পারে ব্লিচ ও অ্যালকোহলের মতো জীবাণুনাশকও। আর ভাইরাস মাটিতে থাকলে সেটা ৩০ সেকেন্ডের মধ্যেই করা সম্ভব। এটাই এখনকার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পর্যবেক্ষণ। এছাড়াও তার বক্তব্য ছিল তীব্র রোদ, গরম ও আর্দ্র আবহাওয়াতে করোনা ভাইরাস কার্যক্ষমতা সাময়িক ভাবে হারায়। গরম কাল চলছে। ফলে খুব বেশিদিন আর চোখ রাঙাতে পারবে না করোনা ভাইরাস।

এই দাবি নস্যাৎ করেছেন চীনা গবেষকরা। তারা জানিয়েছেন, এরকম কোনো তথ্য এখনও প্রমাণিত হয়নি।