ঢাকা ০৭:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন,পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী স্বৈরাচারের লোকেরা নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস গাজীপুরে নবজাতকের লাশ নিয়ে কুকুরের টানাহ্যাঁচড়া, উদ্ধার করল পুলিশ ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে : খায়রুল কবির খোকন দলে বড় নাম থাকলেও জেতার জন্য সবাইকে আরও দায়িত্ব নিতে হবে: সোহান ২৫ জন বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আমিরাত দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায়

শরীয়তপুরে করোনায় মৃত্যু ১: লকডাউন ৩১টি বাড়ি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনাভাইরাস সংক্রমণে বাংলাদেশ আজ যে দুজনের মৃত্যু হয়েছে তাদের একজন শরীয়তপুরের। তিনি নড়িয়া উপজেলার ডিঙ্গামানিক ইউনিয়নের থিরোপাড়া এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।

ঘটনার পর ওই এলাকার ৩১টি বাড়িসহ নড়িয়া উপজেলার সকল হাট বাজারকে লকডাউন এর আওতায় এনেছে প্রশাসন এবং ১৮১ জনকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে নেয়া হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শরীয়তপুর জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের।

নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, করোনায় মৃত ওই ব্যক্তির বয়স ৯০ বছর। শ্বাসকষ্ট নিয়ে ১ এপ্রিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তার স্বজনরা নিয়ে আসেন। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে ঢাকায় ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ নিউরো সায়েন্স হাসপাতলে স্থানান্তর করা হয়।

হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার তার শ্বাসকষ্ট আরও বেড়ে যায়। পরে তাকে বক্ষব্যাধি হাসপাতাল পাঠিয়ে দেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বক্ষব্যাধি হাসপাতাল থেকেই তাঁর করোনার নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষায় তার দেহে করোনা উপস্থিতি পাওয়ায় তাকে কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে পাঠানো হয়। এখানেই শনিবার সকালে তিনি মারা যান।

নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোঃ শফিকুল ইসলাম জানান, ওই ব্যক্তি নিউমোনিয়া রোগে ভুগছিলেন। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছিল। এর আগে তিনি ঢাকায় মিরপুরের টোলারবাগ তার‌ বড় ছেলের বাসায় বেড়াতে গিয়েছিলেন।

সেখান থেকে তিনি দেওয়ানবাগী পীরের বাড়ি যান বলে জানা গেছে। এরপর সেখান থেকে তার ছোট মেয়ের বাড়ি আসেন। মেয়ের বাড়ি বেড়ানো শেষে গ্রামের বাড়ি চলে আসেন। তবে তিনি কিভাবে করোনা সংক্রমিত হয়েছেন তা এখনো নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের জানান, ওই ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার বাড়িসহ ওই এলাকার ৩১টি বাড়ি লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। একইসাথে নড়িয়া উপজেলার সকল হাট বাজার লকডাউন এর আওতায় রয়েছে। এই নির্দেশনা পুরো উপজেলা জুড়ে মাইকিং করা হচ্ছে। সেইসাথে করোনা প্রতিরোধে সকলকে নির্দেশনা মেনে ঘরে থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট

শরীয়তপুরে করোনায় মৃত্যু ১: লকডাউন ৩১টি বাড়ি

আপডেট সময় ০৮:৫১:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনাভাইরাস সংক্রমণে বাংলাদেশ আজ যে দুজনের মৃত্যু হয়েছে তাদের একজন শরীয়তপুরের। তিনি নড়িয়া উপজেলার ডিঙ্গামানিক ইউনিয়নের থিরোপাড়া এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।

ঘটনার পর ওই এলাকার ৩১টি বাড়িসহ নড়িয়া উপজেলার সকল হাট বাজারকে লকডাউন এর আওতায় এনেছে প্রশাসন এবং ১৮১ জনকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে নেয়া হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শরীয়তপুর জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের।

নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, করোনায় মৃত ওই ব্যক্তির বয়স ৯০ বছর। শ্বাসকষ্ট নিয়ে ১ এপ্রিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তার স্বজনরা নিয়ে আসেন। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে ঢাকায় ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ নিউরো সায়েন্স হাসপাতলে স্থানান্তর করা হয়।

হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার তার শ্বাসকষ্ট আরও বেড়ে যায়। পরে তাকে বক্ষব্যাধি হাসপাতাল পাঠিয়ে দেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বক্ষব্যাধি হাসপাতাল থেকেই তাঁর করোনার নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষায় তার দেহে করোনা উপস্থিতি পাওয়ায় তাকে কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে পাঠানো হয়। এখানেই শনিবার সকালে তিনি মারা যান।

নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোঃ শফিকুল ইসলাম জানান, ওই ব্যক্তি নিউমোনিয়া রোগে ভুগছিলেন। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছিল। এর আগে তিনি ঢাকায় মিরপুরের টোলারবাগ তার‌ বড় ছেলের বাসায় বেড়াতে গিয়েছিলেন।

সেখান থেকে তিনি দেওয়ানবাগী পীরের বাড়ি যান বলে জানা গেছে। এরপর সেখান থেকে তার ছোট মেয়ের বাড়ি আসেন। মেয়ের বাড়ি বেড়ানো শেষে গ্রামের বাড়ি চলে আসেন। তবে তিনি কিভাবে করোনা সংক্রমিত হয়েছেন তা এখনো নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের জানান, ওই ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার বাড়িসহ ওই এলাকার ৩১টি বাড়ি লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। একইসাথে নড়িয়া উপজেলার সকল হাট বাজার লকডাউন এর আওতায় রয়েছে। এই নির্দেশনা পুরো উপজেলা জুড়ে মাইকিং করা হচ্ছে। সেইসাথে করোনা প্রতিরোধে সকলকে নির্দেশনা মেনে ঘরে থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।