ঢাকা ০৭:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

শরীয়তপুরে করোনায় মৃত্যু ১: লকডাউন ৩১টি বাড়ি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনাভাইরাস সংক্রমণে বাংলাদেশ আজ যে দুজনের মৃত্যু হয়েছে তাদের একজন শরীয়তপুরের। তিনি নড়িয়া উপজেলার ডিঙ্গামানিক ইউনিয়নের থিরোপাড়া এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।

ঘটনার পর ওই এলাকার ৩১টি বাড়িসহ নড়িয়া উপজেলার সকল হাট বাজারকে লকডাউন এর আওতায় এনেছে প্রশাসন এবং ১৮১ জনকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে নেয়া হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শরীয়তপুর জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের।

নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, করোনায় মৃত ওই ব্যক্তির বয়স ৯০ বছর। শ্বাসকষ্ট নিয়ে ১ এপ্রিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তার স্বজনরা নিয়ে আসেন। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে ঢাকায় ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ নিউরো সায়েন্স হাসপাতলে স্থানান্তর করা হয়।

হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার তার শ্বাসকষ্ট আরও বেড়ে যায়। পরে তাকে বক্ষব্যাধি হাসপাতাল পাঠিয়ে দেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বক্ষব্যাধি হাসপাতাল থেকেই তাঁর করোনার নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষায় তার দেহে করোনা উপস্থিতি পাওয়ায় তাকে কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে পাঠানো হয়। এখানেই শনিবার সকালে তিনি মারা যান।

নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোঃ শফিকুল ইসলাম জানান, ওই ব্যক্তি নিউমোনিয়া রোগে ভুগছিলেন। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছিল। এর আগে তিনি ঢাকায় মিরপুরের টোলারবাগ তার‌ বড় ছেলের বাসায় বেড়াতে গিয়েছিলেন।

সেখান থেকে তিনি দেওয়ানবাগী পীরের বাড়ি যান বলে জানা গেছে। এরপর সেখান থেকে তার ছোট মেয়ের বাড়ি আসেন। মেয়ের বাড়ি বেড়ানো শেষে গ্রামের বাড়ি চলে আসেন। তবে তিনি কিভাবে করোনা সংক্রমিত হয়েছেন তা এখনো নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের জানান, ওই ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার বাড়িসহ ওই এলাকার ৩১টি বাড়ি লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। একইসাথে নড়িয়া উপজেলার সকল হাট বাজার লকডাউন এর আওতায় রয়েছে। এই নির্দেশনা পুরো উপজেলা জুড়ে মাইকিং করা হচ্ছে। সেইসাথে করোনা প্রতিরোধে সকলকে নির্দেশনা মেনে ঘরে থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

শরীয়তপুরে করোনায় মৃত্যু ১: লকডাউন ৩১টি বাড়ি

আপডেট সময় ০৮:৫১:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনাভাইরাস সংক্রমণে বাংলাদেশ আজ যে দুজনের মৃত্যু হয়েছে তাদের একজন শরীয়তপুরের। তিনি নড়িয়া উপজেলার ডিঙ্গামানিক ইউনিয়নের থিরোপাড়া এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।

ঘটনার পর ওই এলাকার ৩১টি বাড়িসহ নড়িয়া উপজেলার সকল হাট বাজারকে লকডাউন এর আওতায় এনেছে প্রশাসন এবং ১৮১ জনকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে নেয়া হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শরীয়তপুর জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের।

নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, করোনায় মৃত ওই ব্যক্তির বয়স ৯০ বছর। শ্বাসকষ্ট নিয়ে ১ এপ্রিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তার স্বজনরা নিয়ে আসেন। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে ঢাকায় ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ নিউরো সায়েন্স হাসপাতলে স্থানান্তর করা হয়।

হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার তার শ্বাসকষ্ট আরও বেড়ে যায়। পরে তাকে বক্ষব্যাধি হাসপাতাল পাঠিয়ে দেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বক্ষব্যাধি হাসপাতাল থেকেই তাঁর করোনার নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষায় তার দেহে করোনা উপস্থিতি পাওয়ায় তাকে কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে পাঠানো হয়। এখানেই শনিবার সকালে তিনি মারা যান।

নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোঃ শফিকুল ইসলাম জানান, ওই ব্যক্তি নিউমোনিয়া রোগে ভুগছিলেন। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছিল। এর আগে তিনি ঢাকায় মিরপুরের টোলারবাগ তার‌ বড় ছেলের বাসায় বেড়াতে গিয়েছিলেন।

সেখান থেকে তিনি দেওয়ানবাগী পীরের বাড়ি যান বলে জানা গেছে। এরপর সেখান থেকে তার ছোট মেয়ের বাড়ি আসেন। মেয়ের বাড়ি বেড়ানো শেষে গ্রামের বাড়ি চলে আসেন। তবে তিনি কিভাবে করোনা সংক্রমিত হয়েছেন তা এখনো নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের জানান, ওই ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার বাড়িসহ ওই এলাকার ৩১টি বাড়ি লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। একইসাথে নড়িয়া উপজেলার সকল হাট বাজার লকডাউন এর আওতায় রয়েছে। এই নির্দেশনা পুরো উপজেলা জুড়ে মাইকিং করা হচ্ছে। সেইসাথে করোনা প্রতিরোধে সকলকে নির্দেশনা মেনে ঘরে থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।