ঢাকা ০২:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আ.লীগ দুর্নীতি করে অর্থনীতির বেহাল দশা করে গেছে: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের সঙ্গে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক নির্বাচনের আগে থেকেই রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করছে জামায়াত: মির্জা ফখরুল জঙ্গি হামলার আশঙ্কা নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই: সিটিটিসি জ্বালানির কারণে রফতানি কমেছে—এমন ধারণা ভুল: পাটমন্ত্রী বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসা স্থগিত করলো যুক্তরাষ্ট্র রাউজানে টিলা কাটা নিয়ে বিরোধে বিএনপি কর্মীকে গুলি করে হত্যা যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা বৃষ্টিও মারা গেছেন মেধানির্ভর আত্মবিশ্বাসী মানবসম্পদ গড়তে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের দাবি মেনে প্রস্তাব দিতে যাচ্ছে ইরান: ট্রাম্প

শরীয়তপুরে করোনায় মৃত্যু ১: লকডাউন ৩১টি বাড়ি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনাভাইরাস সংক্রমণে বাংলাদেশ আজ যে দুজনের মৃত্যু হয়েছে তাদের একজন শরীয়তপুরের। তিনি নড়িয়া উপজেলার ডিঙ্গামানিক ইউনিয়নের থিরোপাড়া এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।

ঘটনার পর ওই এলাকার ৩১টি বাড়িসহ নড়িয়া উপজেলার সকল হাট বাজারকে লকডাউন এর আওতায় এনেছে প্রশাসন এবং ১৮১ জনকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে নেয়া হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শরীয়তপুর জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের।

নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, করোনায় মৃত ওই ব্যক্তির বয়স ৯০ বছর। শ্বাসকষ্ট নিয়ে ১ এপ্রিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তার স্বজনরা নিয়ে আসেন। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে ঢাকায় ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ নিউরো সায়েন্স হাসপাতলে স্থানান্তর করা হয়।

হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার তার শ্বাসকষ্ট আরও বেড়ে যায়। পরে তাকে বক্ষব্যাধি হাসপাতাল পাঠিয়ে দেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বক্ষব্যাধি হাসপাতাল থেকেই তাঁর করোনার নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষায় তার দেহে করোনা উপস্থিতি পাওয়ায় তাকে কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে পাঠানো হয়। এখানেই শনিবার সকালে তিনি মারা যান।

নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোঃ শফিকুল ইসলাম জানান, ওই ব্যক্তি নিউমোনিয়া রোগে ভুগছিলেন। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছিল। এর আগে তিনি ঢাকায় মিরপুরের টোলারবাগ তার‌ বড় ছেলের বাসায় বেড়াতে গিয়েছিলেন।

সেখান থেকে তিনি দেওয়ানবাগী পীরের বাড়ি যান বলে জানা গেছে। এরপর সেখান থেকে তার ছোট মেয়ের বাড়ি আসেন। মেয়ের বাড়ি বেড়ানো শেষে গ্রামের বাড়ি চলে আসেন। তবে তিনি কিভাবে করোনা সংক্রমিত হয়েছেন তা এখনো নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের জানান, ওই ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার বাড়িসহ ওই এলাকার ৩১টি বাড়ি লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। একইসাথে নড়িয়া উপজেলার সকল হাট বাজার লকডাউন এর আওতায় রয়েছে। এই নির্দেশনা পুরো উপজেলা জুড়ে মাইকিং করা হচ্ছে। সেইসাথে করোনা প্রতিরোধে সকলকে নির্দেশনা মেনে ঘরে থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

কলেজছাত্রের বানানো গো-কার্ট চালালেন প্রধানমন্ত্রী, দিলেন উৎসাহ

শরীয়তপুরে করোনায় মৃত্যু ১: লকডাউন ৩১টি বাড়ি

আপডেট সময় ০৮:৫১:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনাভাইরাস সংক্রমণে বাংলাদেশ আজ যে দুজনের মৃত্যু হয়েছে তাদের একজন শরীয়তপুরের। তিনি নড়িয়া উপজেলার ডিঙ্গামানিক ইউনিয়নের থিরোপাড়া এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।

ঘটনার পর ওই এলাকার ৩১টি বাড়িসহ নড়িয়া উপজেলার সকল হাট বাজারকে লকডাউন এর আওতায় এনেছে প্রশাসন এবং ১৮১ জনকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে নেয়া হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শরীয়তপুর জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের।

নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, করোনায় মৃত ওই ব্যক্তির বয়স ৯০ বছর। শ্বাসকষ্ট নিয়ে ১ এপ্রিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তার স্বজনরা নিয়ে আসেন। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে ঢাকায় ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ নিউরো সায়েন্স হাসপাতলে স্থানান্তর করা হয়।

হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার তার শ্বাসকষ্ট আরও বেড়ে যায়। পরে তাকে বক্ষব্যাধি হাসপাতাল পাঠিয়ে দেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বক্ষব্যাধি হাসপাতাল থেকেই তাঁর করোনার নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষায় তার দেহে করোনা উপস্থিতি পাওয়ায় তাকে কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে পাঠানো হয়। এখানেই শনিবার সকালে তিনি মারা যান।

নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোঃ শফিকুল ইসলাম জানান, ওই ব্যক্তি নিউমোনিয়া রোগে ভুগছিলেন। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছিল। এর আগে তিনি ঢাকায় মিরপুরের টোলারবাগ তার‌ বড় ছেলের বাসায় বেড়াতে গিয়েছিলেন।

সেখান থেকে তিনি দেওয়ানবাগী পীরের বাড়ি যান বলে জানা গেছে। এরপর সেখান থেকে তার ছোট মেয়ের বাড়ি আসেন। মেয়ের বাড়ি বেড়ানো শেষে গ্রামের বাড়ি চলে আসেন। তবে তিনি কিভাবে করোনা সংক্রমিত হয়েছেন তা এখনো নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের জানান, ওই ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার বাড়িসহ ওই এলাকার ৩১টি বাড়ি লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। একইসাথে নড়িয়া উপজেলার সকল হাট বাজার লকডাউন এর আওতায় রয়েছে। এই নির্দেশনা পুরো উপজেলা জুড়ে মাইকিং করা হচ্ছে। সেইসাথে করোনা প্রতিরোধে সকলকে নির্দেশনা মেনে ঘরে থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।