ঢাকা ০৬:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জুলাইয়ের হত্যাকাণ্ড ছিল একটি বর্বরোচিত ঘটনা : শ্রম প্রতিমন্ত্রী জাইকার সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যাশা স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর সমন্বিত ও প্রযুক্তিনির্ভর বাজার মনিটরিংয়ের ওপর জোর বাণিজ্য সচিবের অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক মারা গেছেন জনগণের বিশ্বাস ও ভালোবাসার ওপর নির্ভরতা বজায় রাখতে চাই: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মধ্যে কোনো প্রতিহিংসা নেই : শামসুজ্জামান দুদু জামায়াত-শিবিরের বাঁচার জন্য হলেও বিএনপিকে ক্ষমতায় রাখা প্রয়োজন: রাশেদ মৃতদেহের মুখে সোনার টুকরো, মিসরে মিলল প্রাচীন সমাধি ও শহর জমি নিয়ে বিরোধের জেরে মারধরে আহত জামায়াত নেতার মৃত্যু তথ্য মন্ত্রণালয়ের আইন যুগোপযোগী করা হবে: তথ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশকে ৩ হাজার কোটি টাকা অনুদান দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশকে ৩৫ কোটি ডলার অনুদান দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। কক্সবাজারের স্থানীয় জনগণ এবং রোহিঙ্গাদের জন্য ইতোমধ্যেই এ অনুদান অনুমোদন করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) প্রতি ডলার সমান ৮৬ টাকা ধরে বাংলাদশি মুদ্রায় প্রায় তিন হাজার ১০ কোটি টাকা অনুদান অনুমোদন করে বাংলাদেশের অন্যতম সহযোগী সংস্থাটি। তিন প্রকল্পের আওতায় এই অর্থ খরচ করা হবে।

বুধবার (০১ এপ্রিল) বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিস সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য জানায়। এই অনুদান স্বাস্থ্যসেবা, লিঙ্গ-ভিত্তিক সহিংসতার প্রতিক্রিয়া, সামাজিক সুরক্ষা, মৌলিক পরিষেবা এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নে কক্সবাজার জেলায় ব্যবহার করা হবে।

বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্বন বলেন, বাংলাদেশ প্রায় ১.১ মিলিয়ন রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে বিশাল উদারতা দেখিয়েছে। আশ্রয় পাওয়া এই জনগোষ্ঠী টেকনাফ ও উখিয়া উপজেলার স্থানীয় জনসংখ্যার চেয়ে প্রায় তিনগুণ বেশি। স্বাভাবিকভাবেই এটি বিদ্যমান অবকাঠামো এবং সমাজসেবা সরবরাহের ওপর প্রচুর পরিমাণে চাপ সৃষ্টি করছে। এবং স্বাস্থ্য ও দুর্যোগ ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলেছে।

তিনি বলেন, এই অনুদান দেশের পরিষেবা সরবরাহের ক্ষমতা আরও জোরদার করবে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও স্থিতি বাড়িয়ে তুলবে।

কক্সবাজার জেলার জন্য ১৫ কোটি ডলারের হেলথ এবং জেন্ডার সহায়তা প্রকল্পটি রোহিঙ্গাসহ তিন দশমিক ছয় মিলিয়ন মানুষকে স্বাস্থ্য, পুষ্টি এবং পরিবার পরিকল্পনা পরিষেবায় অ্যাক্সেস করতে সক্ষম করবে এবং প্রতিরোধমূলক ও প্রতিক্রিয়াশীল পরিষেবার মাধ্যমে লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা মোকাবিলা করতে সক্ষম করবে।

প্রকল্পটি উন্নত পাবলিক অবকাঠামোতে স্থানীয় লোকসহ প্রায় সাত লাখ ৮০ হাজার ৮০০ মানুষকে উপকৃত করবে। এরমধ্যে রয়েছে তিন লাখ ৬৫ হাজার ৮০০ মানুষের জন্য সুপেয় পানির ব্যবস্থা। এক লাখ ৭১ হাজার ৮০০ জনের জন্য আরও ভালো স্যানিটেশন।

এছাড়া জেলাটির দরিদ্র মোকাবিলায় আরেকটি প্রকল্পের আওতায় খরচ করা হবে ১০ কোটি ডলার। দারিদ্র্য নিরসন কর্মসংস্থান জেনারেশন প্রোগ্রাম ব্যবহার করে হোস্ট সম্প্রদায়ের দরিদ্র ও দুর্বল পরিবারগুলোকে জীবিকা এবং আয়ের সহায়তা দেওয়া হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাইয়ের হত্যাকাণ্ড ছিল একটি বর্বরোচিত ঘটনা : শ্রম প্রতিমন্ত্রী

বাংলাদেশকে ৩ হাজার কোটি টাকা অনুদান দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

আপডেট সময় ০৬:০৩:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশকে ৩৫ কোটি ডলার অনুদান দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। কক্সবাজারের স্থানীয় জনগণ এবং রোহিঙ্গাদের জন্য ইতোমধ্যেই এ অনুদান অনুমোদন করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) প্রতি ডলার সমান ৮৬ টাকা ধরে বাংলাদশি মুদ্রায় প্রায় তিন হাজার ১০ কোটি টাকা অনুদান অনুমোদন করে বাংলাদেশের অন্যতম সহযোগী সংস্থাটি। তিন প্রকল্পের আওতায় এই অর্থ খরচ করা হবে।

বুধবার (০১ এপ্রিল) বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিস সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য জানায়। এই অনুদান স্বাস্থ্যসেবা, লিঙ্গ-ভিত্তিক সহিংসতার প্রতিক্রিয়া, সামাজিক সুরক্ষা, মৌলিক পরিষেবা এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নে কক্সবাজার জেলায় ব্যবহার করা হবে।

বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্বন বলেন, বাংলাদেশ প্রায় ১.১ মিলিয়ন রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে বিশাল উদারতা দেখিয়েছে। আশ্রয় পাওয়া এই জনগোষ্ঠী টেকনাফ ও উখিয়া উপজেলার স্থানীয় জনসংখ্যার চেয়ে প্রায় তিনগুণ বেশি। স্বাভাবিকভাবেই এটি বিদ্যমান অবকাঠামো এবং সমাজসেবা সরবরাহের ওপর প্রচুর পরিমাণে চাপ সৃষ্টি করছে। এবং স্বাস্থ্য ও দুর্যোগ ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলেছে।

তিনি বলেন, এই অনুদান দেশের পরিষেবা সরবরাহের ক্ষমতা আরও জোরদার করবে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও স্থিতি বাড়িয়ে তুলবে।

কক্সবাজার জেলার জন্য ১৫ কোটি ডলারের হেলথ এবং জেন্ডার সহায়তা প্রকল্পটি রোহিঙ্গাসহ তিন দশমিক ছয় মিলিয়ন মানুষকে স্বাস্থ্য, পুষ্টি এবং পরিবার পরিকল্পনা পরিষেবায় অ্যাক্সেস করতে সক্ষম করবে এবং প্রতিরোধমূলক ও প্রতিক্রিয়াশীল পরিষেবার মাধ্যমে লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা মোকাবিলা করতে সক্ষম করবে।

প্রকল্পটি উন্নত পাবলিক অবকাঠামোতে স্থানীয় লোকসহ প্রায় সাত লাখ ৮০ হাজার ৮০০ মানুষকে উপকৃত করবে। এরমধ্যে রয়েছে তিন লাখ ৬৫ হাজার ৮০০ মানুষের জন্য সুপেয় পানির ব্যবস্থা। এক লাখ ৭১ হাজার ৮০০ জনের জন্য আরও ভালো স্যানিটেশন।

এছাড়া জেলাটির দরিদ্র মোকাবিলায় আরেকটি প্রকল্পের আওতায় খরচ করা হবে ১০ কোটি ডলার। দারিদ্র্য নিরসন কর্মসংস্থান জেনারেশন প্রোগ্রাম ব্যবহার করে হোস্ট সম্প্রদায়ের দরিদ্র ও দুর্বল পরিবারগুলোকে জীবিকা এবং আয়ের সহায়তা দেওয়া হবে।