‘তিন লাখ টাকা না দেয়ায় মেয়েকে হত্যা করে লাশ ঝুলিয়েছে’

87

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

‘তিন লাখ টাকা যৌতুক দিতে না পারায় মিতালীর স্বামী ও তার বাড়ির লোকজন মেয়ে মিতালীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রেখেছে। এরপর তারা বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়। ’

শনিবার ভোরে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে কলিগ্রাম গ্রামে নিহত মিতালীর মা মঞ্জু হালদার অভিযোগ করে এ কথা বলেন।

নিহত মিতালী (২৪) পার্শ্ববর্তী গোয়ালগ্রাম গ্রামের মনিন্দ্র হালদারের মেয়ে ও জলিরপাড় বঙ্গরত্ন ডিগ্রি কলেজের ডিগ্রির ১ম বর্ষের ছাত্রী।

নিহত মিতালীর ভাই অশোক হালদারের অভিযোগ, ৮ মাস আগে মুকসুদপুর উপজেলার কলিগ্রামে বিশ্বনাথ বাড়ৈর ছেলে তাপস বাড়ৈর (৩০) সঙ্গে মিতালী হালদারের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তিন লাখ টাকা যৌতুকের জন্য বিভিন্ন সময় চাপ সৃষ্টি করে স্বামী তাপস বাড়ৈ ও তার পরিবারের লোকজন।

এ ঘটনায় স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে প্রায় কলহ লেগে থাকতো। এরই জের ধরে স্বামী ও শশুরবাড়ির লোকজন শনিবার ভোরে গৃহবধূ মিতালীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে গলায় কাপড় পেঁচিয়ে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখে পালিয়ে যায় বলে দাবি করেছে মিতালীর পরিবার।

সিন্দিয়াঘাট ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মহিদুল ইসলাম জানান, ফ্লোরের সঙ্গে হাঁটু গেড়ে বসা ও গলায় ফাঁস লাগানো ঝুলন্ত অবস্থায় ওই গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করা হয়।

ময়নাতদন্তের রিপোট পেলে মৃত্যুর আসল রহস্য পাওয়া যাবে বলে জানান পুলিশের ওই কর্মকর্তা।