ঢাকা ১০:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ মারা গেছেন

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ এইচ. ডব্লিউ. বুশ ৯৪ বছর বয়সে শুক্রবার মারা গেছেন। তার পরিবারের বরাতে বার্তা সংস্থা এএফপি এ তথ্য জানিয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট থাকাকালে ১৯৮৯ সালে রাশিয়ার সঙ্গে ঠাণ্ডা যুদ্ধের অবসানে তিনি ভূমিকা রেখেছিলেন। এর মধ্য দিয়ে বিশ্বের একক পরাশক্তি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের আত্মপ্রকাশ ঘটে।

এর দুই বছর ইরাকের প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনের বাহিনীকে পরাজিত করতে এক নজিরবিহীন জোট গড়তে সক্ষম হয়েছিলেন তিনি।

প্রেসিডেন্ট বুশ তার যে কোনো পূর্বসূরির চেয়ে বেশি সময় বেঁচে ছিলেন। তার স্ত্রী বারবারা বুশের মৃত্যুর সাত মাস পর শুক্রবার রাত ১০টা ১০ মিনিটে তিনি মারা যান।

তারা ছেলে যুক্তরাষ্ট্রের আরেক সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ টুইটারে বলেন, জেব, নেইল, মারভিন ও আমি খুবই দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে ৯৪টি উল্লেখযোগ্য বছর পার করে তিনি মারা গেছেন। আমাদের প্রিয় বাবা আর নেই।

তিনি বলেন, জর্জ এই. ডব্লিউ. বুশ উন্নত চরিত্রের একজন মানুষ ছিলেন। ছেলে ও মেয়েদের জন্য তিনি ছিলেন একজন ভালো বাবা।

জর্জ হারবাট ওয়াকার বুশ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন নৌবাহিনীর বিমান চালক ছিলেন। প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগানের আমলে তিনি ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন।

পরবর্তীতে ১৯৮৯ থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত তিনি প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তবে দ্বিতীয়বার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে গিয়ে মার্কিন দুর্বল অর্থনীতির কারণে বিল ক্লিনটনের কাছে তিনি হেরে যান।

বৈশ্বিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে এক কঠিন এবং অনিশ্চিত সময়ে ৪১তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেন। তার আমলে বার্লিন দেয়াল ভেঙে ফেলা হয় ও পূর্ব ইউরোপে সোভিয়েত সমর্থিত সমাজতন্ত্রের পতন ঘটে।

তিনি পাঁচ সান্তান, ১৭ নাতি-নাতনি ও তাদের সন্তানদের রেখে গেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে একটি সফল পরিবারতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। তার এক সন্তান জর্জ বুশ দুইবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

আরেক ছেলে জেব বুশ ২০১৬ সালের রিপাবলিকাদের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে গিয়ে বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে হেরে যান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ মারা গেছেন

আপডেট সময় ১২:৪২:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ ডিসেম্বর ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ এইচ. ডব্লিউ. বুশ ৯৪ বছর বয়সে শুক্রবার মারা গেছেন। তার পরিবারের বরাতে বার্তা সংস্থা এএফপি এ তথ্য জানিয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট থাকাকালে ১৯৮৯ সালে রাশিয়ার সঙ্গে ঠাণ্ডা যুদ্ধের অবসানে তিনি ভূমিকা রেখেছিলেন। এর মধ্য দিয়ে বিশ্বের একক পরাশক্তি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের আত্মপ্রকাশ ঘটে।

এর দুই বছর ইরাকের প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনের বাহিনীকে পরাজিত করতে এক নজিরবিহীন জোট গড়তে সক্ষম হয়েছিলেন তিনি।

প্রেসিডেন্ট বুশ তার যে কোনো পূর্বসূরির চেয়ে বেশি সময় বেঁচে ছিলেন। তার স্ত্রী বারবারা বুশের মৃত্যুর সাত মাস পর শুক্রবার রাত ১০টা ১০ মিনিটে তিনি মারা যান।

তারা ছেলে যুক্তরাষ্ট্রের আরেক সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ টুইটারে বলেন, জেব, নেইল, মারভিন ও আমি খুবই দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে ৯৪টি উল্লেখযোগ্য বছর পার করে তিনি মারা গেছেন। আমাদের প্রিয় বাবা আর নেই।

তিনি বলেন, জর্জ এই. ডব্লিউ. বুশ উন্নত চরিত্রের একজন মানুষ ছিলেন। ছেলে ও মেয়েদের জন্য তিনি ছিলেন একজন ভালো বাবা।

জর্জ হারবাট ওয়াকার বুশ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন নৌবাহিনীর বিমান চালক ছিলেন। প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগানের আমলে তিনি ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন।

পরবর্তীতে ১৯৮৯ থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত তিনি প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তবে দ্বিতীয়বার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে গিয়ে মার্কিন দুর্বল অর্থনীতির কারণে বিল ক্লিনটনের কাছে তিনি হেরে যান।

বৈশ্বিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে এক কঠিন এবং অনিশ্চিত সময়ে ৪১তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেন। তার আমলে বার্লিন দেয়াল ভেঙে ফেলা হয় ও পূর্ব ইউরোপে সোভিয়েত সমর্থিত সমাজতন্ত্রের পতন ঘটে।

তিনি পাঁচ সান্তান, ১৭ নাতি-নাতনি ও তাদের সন্তানদের রেখে গেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে একটি সফল পরিবারতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। তার এক সন্তান জর্জ বুশ দুইবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

আরেক ছেলে জেব বুশ ২০১৬ সালের রিপাবলিকাদের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে গিয়ে বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে হেরে যান।