ঢাকা ১০:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

যুক্তরাষ্ট্রকে চাপে রাখতে গভীর সমুদ্রে ইরানের টহল

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রকে চাপে রাখতে গভীর সমুদ্রে সামরিক উপস্থিতি জোরদার করেছে ইরান।

দেশটির সামরিক বাহিনীর ডেপুটি কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহমুদ মুসাভি বলেছেন, দেশের স্বার্থরক্ষার জন্য গভীর সমুদ্রে নিজের উপস্থিতি বজায় রাখবে ইরানের নৌবাহিনী। খবর বার্তা সংস্থা ইরনার।

অ্যাডমিরাল মুসাভি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে চাপে রাখতেই গভীর সমুদ্রে ইরানের উপস্থিতি বজায় রাখতে হবে; তা না হলে অন্যরা ইরানের অনুপস্থিতির সুযোগ নেবে। তিনি আরও জানান, প্রয়োজনে আটলান্টিক মহাসাগরে আবারও নৌবহর পাঠাবে ইরান।

২০১৬ সালের নভেম্বরে ইরানের একটি নৌবহর আটলান্টিক মহাসাগরে টহল দিয়েছিল। গভীর সমুদ্রে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজ ও ট্যাংকারের নিরাপত্তার সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সাগরে টহল জোরদার করেছে ইরানের নৌবাহিনী।

১৯৭৯ সালে ইসলামী বিপ্লবের পর থেকে নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ইরান সামরিক দিকে দিয়ে চোখ ধাঁধানো সাফল্য অর্জন করেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

যুক্তরাষ্ট্রকে চাপে রাখতে গভীর সমুদ্রে ইরানের টহল

আপডেট সময় ০১:৩৯:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রকে চাপে রাখতে গভীর সমুদ্রে সামরিক উপস্থিতি জোরদার করেছে ইরান।

দেশটির সামরিক বাহিনীর ডেপুটি কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহমুদ মুসাভি বলেছেন, দেশের স্বার্থরক্ষার জন্য গভীর সমুদ্রে নিজের উপস্থিতি বজায় রাখবে ইরানের নৌবাহিনী। খবর বার্তা সংস্থা ইরনার।

অ্যাডমিরাল মুসাভি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে চাপে রাখতেই গভীর সমুদ্রে ইরানের উপস্থিতি বজায় রাখতে হবে; তা না হলে অন্যরা ইরানের অনুপস্থিতির সুযোগ নেবে। তিনি আরও জানান, প্রয়োজনে আটলান্টিক মহাসাগরে আবারও নৌবহর পাঠাবে ইরান।

২০১৬ সালের নভেম্বরে ইরানের একটি নৌবহর আটলান্টিক মহাসাগরে টহল দিয়েছিল। গভীর সমুদ্রে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজ ও ট্যাংকারের নিরাপত্তার সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সাগরে টহল জোরদার করেছে ইরানের নৌবাহিনী।

১৯৭৯ সালে ইসলামী বিপ্লবের পর থেকে নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ইরান সামরিক দিকে দিয়ে চোখ ধাঁধানো সাফল্য অর্জন করেছে।