ঢাকা ০৬:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

মুরকে সেঞ্চুরি বঞ্চিত করে জুটি ভাঙলেন আরিফুল

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

শিকড় গেঁড়ে বসে গিয়েছিলেন পিটার মুর। ছোটাচ্ছিলেন রানের ফোয়ারা। কি স্পিন, কি পেস-কোনো কিছু দিয়েই থামানো যাচ্ছিল না তাকে। ব্যর্থ হয়েছেন স্ট্রাইক বোলাররা। অবশেষে এ মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যানকে থামালেন পার্টটাইমার আরিফুল হক। মিডিয়াম পেসে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলে তাকে ফেরালেন তিনি।

ফেরার আগে ১১৪ বলে ১২ চার ও ১ ছক্কায় ৮৩ রান করেন মুর। দুর্দান্ত খেলতে থাকা ব্রেন্ডন টেইলরের সঙ্গে গড়েন মহামূল্যবান ১৩৯ রানের জুটি। বাংলাদেশের বিপক্ষে জিম্বাবুয়ের হয়ে ষষ্ঠ উইকেটে এটি রেকর্ড রানের পার্টনারশিপ।

শেষ খবর পর্যন্ত ৬ উইকেটে ২৭৪ রান করেছে জিম্বাবুয়ে।সেঞ্চুরির অপেক্ষায় আছেন ব্রেন্ডন টেইলর। ৯৯ রান নিয়ে ক্রিজে আছেন তিনি। তার নতুন সঙ্গী রেজিস চাকাভা। আগের দিনের ১ উইকেটে ২৫ রান নিয়ে তৃতীয় দিন খেলতে নামে জিম্বাবুয়ে। ব্রায়ান চারি ১০ এবং নাইটওয়াচম্যান ডোনাল্ড তিরিপানো শূন্য রান নিয়ে খেলা শুরু করেন। রান তোলাই ছিল তাদের লক্ষ্য।

অন্যদিকে প্রতিপক্ষকে দ্রুত গুঁড়িয়ে দেয়ার প্রত্যয় নিয়ে ফিল্ডিংয়ে নামে বাংলাদেশ। শুরু থেকে চেষ্টা করেন বোলাররা। তবে সাফল্য আসছিল না। অবশেষে তাদের প্রচেষ্টা আলোর মুখ দেখে। তাইজুলের স্পিনে ঘায়েল হয়ে মেহেদী হাসান মিরাজকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিরিপানো।

নাইটওয়াচম্যান দ্রুত ফিরলেও থেকে যান ব্রায়ান চারি। শুরুটা ধীরস্থির করলেও সময় গড়ানোর সঙ্গে হাত খোলেন তিনি। এক পর্যায়ে রীতিমতো বাংলাদেশ বোলারদের ওপর তাণ্ডব চালান। ছোটান স্ট্রোকের ফুলঝুরি। ফিফটি (৫৩) তুলে চোখ রাঙাতে থাকেন। দারুণ এক ডেলিভেরিতে তার চোখ রাঙানি থামান মিরাজ। মুমিনুল হকের তালুবন্দি করে জিম্বাবুয়ে ওপেনারকে ফেরান এ অফস্পিনার।

অবশ্য মিরাজের আবেদনে প্রথমে সাড়া দেননি আম্পায়ার। পরে রিভিউ নেয় বাংলাদেশ। তাতে তার আবেদন পজিটিভ প্রমাণিত হলে সিদ্ধান্ত পাল্টাতে বাধ্য হন আম্পায়ার। এতে পথ হারায় রোডেশিয়ানরা।

পরে ক্রিজে আসেন ইনফর্ম শন উইলিয়ামস। তবে ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেননি তিনি। তাকে সেট হতে দেননি তাইজুল। দুর্দান্ত স্পিনে ফর্মের তুঙ্গে থাকা ব্যাটসম্যানকে বোল্ড করে ফেরান তিনি। খানিক বাদেই মায়াবি এ স্পিনারের শিকার হয়ে ফেরেন সিকান্দার রাজা। তিনিও সাজঘরের পথ ধরেন সোজা বোল্ড হয়ে। ফলে কোণঠাসা হয়ে পড়ে জিম্বাবুয়ে।

এর আগে দ্বিতীয় দিন শেষ বিকালে বাংলাদেশের দেয়া ৫২২ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই উইকেট হারায় সফরকারীরা। দলীয় ২০ রানে তাইজুলের বলে মেহেদী হাসান মিরাজকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন হ্যামিল্টন মাসাকাদজা।

প্রথম ইনিংসে মুশফিকুর রহিমের রেকর্ড ডাবল সেঞ্চুরি (২১৯), মুমিনুল হকের সেঞ্চুরি (১৬১) এবং মেহেদী হাসান মিরাজের ফিফটিতে (৬৮) রানের পাহাড় গড়ে বাংলাদেশ। ৭ উইকেটে ৫২২ রানে ইনিংস ঘোষণা করেন স্বাগতিক অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। জিম্বাবুয়ের হয়ে ৫ উইকেট নেন কাইল জার্ভিস।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

মুরকে সেঞ্চুরি বঞ্চিত করে জুটি ভাঙলেন আরিফুল

আপডেট সময় ০৫:৩৫:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৮

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

শিকড় গেঁড়ে বসে গিয়েছিলেন পিটার মুর। ছোটাচ্ছিলেন রানের ফোয়ারা। কি স্পিন, কি পেস-কোনো কিছু দিয়েই থামানো যাচ্ছিল না তাকে। ব্যর্থ হয়েছেন স্ট্রাইক বোলাররা। অবশেষে এ মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যানকে থামালেন পার্টটাইমার আরিফুল হক। মিডিয়াম পেসে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলে তাকে ফেরালেন তিনি।

ফেরার আগে ১১৪ বলে ১২ চার ও ১ ছক্কায় ৮৩ রান করেন মুর। দুর্দান্ত খেলতে থাকা ব্রেন্ডন টেইলরের সঙ্গে গড়েন মহামূল্যবান ১৩৯ রানের জুটি। বাংলাদেশের বিপক্ষে জিম্বাবুয়ের হয়ে ষষ্ঠ উইকেটে এটি রেকর্ড রানের পার্টনারশিপ।

শেষ খবর পর্যন্ত ৬ উইকেটে ২৭৪ রান করেছে জিম্বাবুয়ে।সেঞ্চুরির অপেক্ষায় আছেন ব্রেন্ডন টেইলর। ৯৯ রান নিয়ে ক্রিজে আছেন তিনি। তার নতুন সঙ্গী রেজিস চাকাভা। আগের দিনের ১ উইকেটে ২৫ রান নিয়ে তৃতীয় দিন খেলতে নামে জিম্বাবুয়ে। ব্রায়ান চারি ১০ এবং নাইটওয়াচম্যান ডোনাল্ড তিরিপানো শূন্য রান নিয়ে খেলা শুরু করেন। রান তোলাই ছিল তাদের লক্ষ্য।

অন্যদিকে প্রতিপক্ষকে দ্রুত গুঁড়িয়ে দেয়ার প্রত্যয় নিয়ে ফিল্ডিংয়ে নামে বাংলাদেশ। শুরু থেকে চেষ্টা করেন বোলাররা। তবে সাফল্য আসছিল না। অবশেষে তাদের প্রচেষ্টা আলোর মুখ দেখে। তাইজুলের স্পিনে ঘায়েল হয়ে মেহেদী হাসান মিরাজকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিরিপানো।

নাইটওয়াচম্যান দ্রুত ফিরলেও থেকে যান ব্রায়ান চারি। শুরুটা ধীরস্থির করলেও সময় গড়ানোর সঙ্গে হাত খোলেন তিনি। এক পর্যায়ে রীতিমতো বাংলাদেশ বোলারদের ওপর তাণ্ডব চালান। ছোটান স্ট্রোকের ফুলঝুরি। ফিফটি (৫৩) তুলে চোখ রাঙাতে থাকেন। দারুণ এক ডেলিভেরিতে তার চোখ রাঙানি থামান মিরাজ। মুমিনুল হকের তালুবন্দি করে জিম্বাবুয়ে ওপেনারকে ফেরান এ অফস্পিনার।

অবশ্য মিরাজের আবেদনে প্রথমে সাড়া দেননি আম্পায়ার। পরে রিভিউ নেয় বাংলাদেশ। তাতে তার আবেদন পজিটিভ প্রমাণিত হলে সিদ্ধান্ত পাল্টাতে বাধ্য হন আম্পায়ার। এতে পথ হারায় রোডেশিয়ানরা।

পরে ক্রিজে আসেন ইনফর্ম শন উইলিয়ামস। তবে ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেননি তিনি। তাকে সেট হতে দেননি তাইজুল। দুর্দান্ত স্পিনে ফর্মের তুঙ্গে থাকা ব্যাটসম্যানকে বোল্ড করে ফেরান তিনি। খানিক বাদেই মায়াবি এ স্পিনারের শিকার হয়ে ফেরেন সিকান্দার রাজা। তিনিও সাজঘরের পথ ধরেন সোজা বোল্ড হয়ে। ফলে কোণঠাসা হয়ে পড়ে জিম্বাবুয়ে।

এর আগে দ্বিতীয় দিন শেষ বিকালে বাংলাদেশের দেয়া ৫২২ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই উইকেট হারায় সফরকারীরা। দলীয় ২০ রানে তাইজুলের বলে মেহেদী হাসান মিরাজকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন হ্যামিল্টন মাসাকাদজা।

প্রথম ইনিংসে মুশফিকুর রহিমের রেকর্ড ডাবল সেঞ্চুরি (২১৯), মুমিনুল হকের সেঞ্চুরি (১৬১) এবং মেহেদী হাসান মিরাজের ফিফটিতে (৬৮) রানের পাহাড় গড়ে বাংলাদেশ। ৭ উইকেটে ৫২২ রানে ইনিংস ঘোষণা করেন স্বাগতিক অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। জিম্বাবুয়ের হয়ে ৫ উইকেট নেন কাইল জার্ভিস।