ঢাকা ০৬:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচনে সেনাবাহিনীর ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতার যথাযথ প্রয়োগ চায় এনসিপি কানাডায় এমপি মনোনয়ন পেলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ডলি ১২ ফেব্রুয়ারির আগে শেরপুর-৩ আসনে তফসিল ঘোষণার সুযোগ নেই: ইসি মাছউদ রিপাবলিকানদের ভোটের নিয়ন্ত্রণ নিতে বললেন ট্রাম্প জয়ের ভার্চুয়াল বক্তব্যে পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতিতে তীব্র প্রতিক্রিয়া আ.লীগ সমর্থকদের ৪৮ শতাংশের পছন্দ বিএনপি: সিআরএফের জরিপ স্বৈরাচারের মতোই গুপ্তরা এখন নতুন জালিমে পরিণত হয়েছে : তারেক রহমান জুলাই সনদ রক্তের অক্ষরে শপথের স্বাক্ষর: আলী রীয়াজ মা-বোনদের কটু কথা নয়, সম্মান দিলেই বেহেশত পেতে পারি: মির্জা ফখরুল উত্তরবঙ্গকে আমরা কৃষিশিল্পের রাজধানীতে পরিণত করব : জামায়াত আমির

কারামুক্ত হলেন আমীর খসরু

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রায় এক মাসের কারাভোগের পর সোমবার সকালে মুক্তি পেয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন এবং বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়ের করা মামলায় তিনি ২২ দিন কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পেলেন। সকাল ৭টায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তাকে মুক্তি দেয়া হয়।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার প্রশান্ত কুমার বণিক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়েছেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। উচ্চ আদালতের জামিনের আদেশ হাতে পেয়ে কারা কর্তৃপক্ষ যাচাই-বাছাই শেষে আজ সকালে তাকে মুক্তি দিয়েছে।’

গত ৪ আগস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি অডিও ক্লিপ ভাইরাল হয়। এটি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর বলে অভিযোগ উঠে। ওই দিন রাতে আমীর খসরুর বিরুদ্ধে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭(২) এবং বিশেষ ক্ষমতা আইনে নগরের কোতোয়ালি থানায় মামলা হয়। মামলাটি করেন চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া দন্তগীর।

মামলার এজাহারে বলা হয়, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছিলেন। ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস ব্যবহারের মাধ্যমে রাষ্ট্রে নৈরাজ্য সৃষ্টির উদ্দেশ্যে তিনি উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন।

পরে এ মামলায় আসামির আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ৭ অক্টোবর পর্যন্ত ছয় সপ্তাহের জামিন মঞ্জুর করে আদালত। ৭ অক্টোবর আদালতে হাজির হয়ে তিনি জামিনের মেয়াদ বৃদ্ধির আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক ২১ অক্টোবর পর্যন্ত তার জামিন মঞ্জুর করেছিলেন।

এ ছাড়া নিম্ন আদালত থেকে মামলার নথিও পূর্ণাঙ্গ জামিন শুনানিতে উপস্থাপনের জন্য আদালত নির্দেশনা দেন। পরে ২১ অক্টোবর আদালতে হাজির হয়ে ফের জামিনের জন্য আবেদন করলে আদালত জামিন না মঞ্জুর করে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। তখন থেকে তিনি কারাগারেই ছিলেন

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচনে সেনাবাহিনীর ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতার যথাযথ প্রয়োগ চায় এনসিপি

কারামুক্ত হলেন আমীর খসরু

আপডেট সময় ১২:০২:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ নভেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রায় এক মাসের কারাভোগের পর সোমবার সকালে মুক্তি পেয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন এবং বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়ের করা মামলায় তিনি ২২ দিন কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পেলেন। সকাল ৭টায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তাকে মুক্তি দেয়া হয়।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার প্রশান্ত কুমার বণিক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়েছেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। উচ্চ আদালতের জামিনের আদেশ হাতে পেয়ে কারা কর্তৃপক্ষ যাচাই-বাছাই শেষে আজ সকালে তাকে মুক্তি দিয়েছে।’

গত ৪ আগস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি অডিও ক্লিপ ভাইরাল হয়। এটি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর বলে অভিযোগ উঠে। ওই দিন রাতে আমীর খসরুর বিরুদ্ধে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭(২) এবং বিশেষ ক্ষমতা আইনে নগরের কোতোয়ালি থানায় মামলা হয়। মামলাটি করেন চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া দন্তগীর।

মামলার এজাহারে বলা হয়, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছিলেন। ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস ব্যবহারের মাধ্যমে রাষ্ট্রে নৈরাজ্য সৃষ্টির উদ্দেশ্যে তিনি উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন।

পরে এ মামলায় আসামির আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ৭ অক্টোবর পর্যন্ত ছয় সপ্তাহের জামিন মঞ্জুর করে আদালত। ৭ অক্টোবর আদালতে হাজির হয়ে তিনি জামিনের মেয়াদ বৃদ্ধির আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক ২১ অক্টোবর পর্যন্ত তার জামিন মঞ্জুর করেছিলেন।

এ ছাড়া নিম্ন আদালত থেকে মামলার নথিও পূর্ণাঙ্গ জামিন শুনানিতে উপস্থাপনের জন্য আদালত নির্দেশনা দেন। পরে ২১ অক্টোবর আদালতে হাজির হয়ে ফের জামিনের জন্য আবেদন করলে আদালত জামিন না মঞ্জুর করে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। তখন থেকে তিনি কারাগারেই ছিলেন