ঢাকা ১২:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১৭ মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ১৯৫, আহত ১১ হাজার: এইচআরএসএসের প্রতিবেদন ক্ষমতায় এলে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মুছে দেবে জামায়াত: মিন্টু অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে মাঠ পর্যায় পরিদর্শনে নৌবাহিনী প্রধান জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাকের ঘটনায় বঙ্গভবনের কর্মকর্তা আটক আমরা বসন্তের কোকিল নই, জুলুম-নির্যাতনের পরও দেশ ছাড়িনি: শফিকুর রহমান ‘শুধু একদিন আমার হাঁসটাকে পাহারা দেন, নির্বাচিত হলে ৫ বছর আপনাদেরকে পাহারা দেব’:রুমিন ফারহানা ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ রুখতে ছাত্র-জনতাকে রাজপথে থাকতে হবে: মামুনুল হক সামাজিক ন্যায়বিচারের জন্য জনমুখী নীতিমালার আহ্বান বাংলাদেশের অনলাইন গেমে আসক্তি, নবম তলা থেকে লাফিয়ে তিন বোনের আত্মহত্যা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে ধানের শীষে ভোট চাইলেন যুবলীগ নেতা

খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে প্রেসক্লাবে নেতাকর্মীদের বিক্ষোভ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা।

রোববার দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে ঐক্যফ্রন্টের সংবাদ সম্মেলনের পর পরই বিক্ষোভ শুরু করেন তারা।

এসময় তারা খালেদা জিয়ার মুক্তি চেয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

এর আগে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচনে অংশ নেয়ার ঘোষণা দেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন।

তিনি বলেন, দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য নির্বাচনে অংশ নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। সে জন্য নির্বাচনী পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে।

নির্বাচন কমিশনকে পুনরায় তফসিল ঘোষণার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচন এক মাস পিছিয়ে দিতে হবে। নতুন তফসিল ঘোষণা করতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেনের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র ফখরুল বলেন, আমরা সাত দফা দাবি থেকে সরে আসিনি। সাত দফা দাবি আদায়ে আমাদের সংগ্রাম চলমান।

আন্দোলনের অংশ হিসেবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনে যাচ্ছে উল্লেখ করে বিএনপির মহাসচিব বলেন, দেশের গণতন্ত্র রক্ষায় আমরা একাদশ জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

তিনি বলেন, নির্বাচনে সব দলের জন্য সমতল ভূমি সৃষ্টি করার জন্য নির্বাচন এক মাস পিছিয়ে দেয়ার দাবি করছি। এখানে উল্লেখ্য যে, দেশের ইতিহাসে নির্বাচন পেছানোর ঘটনা আরও আছে। ২০০৮ সালের নির্বাচনের তারিখও পিছিয়ে দেয়া হয়েছিল।

মির্জা ফখরুল বলেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি জনগণের। এ দাবি পূরণ না হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সমুচিত জবাব দেয়া হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাসদ সভাপতি আ স ম আবদুর রব, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী, এনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১৭ মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ১৯৫, আহত ১১ হাজার: এইচআরএসএসের প্রতিবেদন

খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে প্রেসক্লাবে নেতাকর্মীদের বিক্ষোভ

আপডেট সময় ০৫:৫৯:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ নভেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা।

রোববার দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে ঐক্যফ্রন্টের সংবাদ সম্মেলনের পর পরই বিক্ষোভ শুরু করেন তারা।

এসময় তারা খালেদা জিয়ার মুক্তি চেয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

এর আগে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচনে অংশ নেয়ার ঘোষণা দেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন।

তিনি বলেন, দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য নির্বাচনে অংশ নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। সে জন্য নির্বাচনী পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে।

নির্বাচন কমিশনকে পুনরায় তফসিল ঘোষণার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচন এক মাস পিছিয়ে দিতে হবে। নতুন তফসিল ঘোষণা করতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেনের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র ফখরুল বলেন, আমরা সাত দফা দাবি থেকে সরে আসিনি। সাত দফা দাবি আদায়ে আমাদের সংগ্রাম চলমান।

আন্দোলনের অংশ হিসেবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনে যাচ্ছে উল্লেখ করে বিএনপির মহাসচিব বলেন, দেশের গণতন্ত্র রক্ষায় আমরা একাদশ জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

তিনি বলেন, নির্বাচনে সব দলের জন্য সমতল ভূমি সৃষ্টি করার জন্য নির্বাচন এক মাস পিছিয়ে দেয়ার দাবি করছি। এখানে উল্লেখ্য যে, দেশের ইতিহাসে নির্বাচন পেছানোর ঘটনা আরও আছে। ২০০৮ সালের নির্বাচনের তারিখও পিছিয়ে দেয়া হয়েছিল।

মির্জা ফখরুল বলেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি জনগণের। এ দাবি পূরণ না হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সমুচিত জবাব দেয়া হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাসদ সভাপতি আ স ম আবদুর রব, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী, এনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না প্রমুখ।