ঢাকা ০৪:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ২০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জুলাই চেতনা নিয়ে ব্যবসা না করার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সকল বৈচিত্র্যের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের জন্য মুক্ত বুদ্ধিচর্চা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জুলাই আন্দোলনকে কটাক্ষ:অভিনেত্রী শাওন, মাহিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ আওয়ামী লীগ দেশে আর কোনোদিন রাজনীতি করতে পারবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুলাই স্মৃতি স্মারক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী কৃষি কার্ডের কারণে মধ্যস্বত্বভোগীরা সুবিধা নিতে পারবে না : কৃষিমন্ত্রী ১০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি, ব্যারিস্টার ফুয়াদকে আইনি নোটিশ শিক্ষকতার চেয়ে মহান পেশা আর কিছু হতে পারে না: মির্জা ফখরুল ঐতিহাসিক জয় ফিলিস্তিনকে উৎসর্গ করল মিসর, গাজায় আনন্দের ঢেউ ইমাম খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজায় স্পিকারের শ্রদ্ধা

নির্বাচন কমিশনে যুক্তফ্রন্টের পাঁচ দফা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল না পেছানোর দাবি জানিয়েছে যুক্তফ্রন্ট। এ সময় তারা নির্বাচন কমিশনের কাছে ৫ দফা দাবি তুলে ধরেন।

মঙ্গলবার বিকালে নির্বাচন ভবনে বিকল্পধারার মহাসচিব মেজর (অব.) আবদুল মান্নানের নেতৃত্বে ৯ সদস্যের প্রতিনিধিদল সিইসির সঙ্গে বৈঠকে বসেন।

বৈঠকে যুক্তফ্রন্টের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরা হয়। এগুলো হচ্ছে-

১. সমস্ত জাতি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। *নির্বাচনকমিশনের Constitutional and Conscience আপনাদের প্রয়োগ করতে হবে। তবে এটা করতে ব্যর্থ হলে জাতি আপনাদের ক্ষমা করবে না।

২. নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা অকারণে বিলম্ব হলে জাতির মধ্যে সংশয়, বিভ্রান্তি ও হতাশার সৃষ্টি হবে- যা কোনোক্রমেই কাম্য নয়।

৩. জাতির প্রত্যাশায় যাতে কোনোরকম অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির উদ্ভব না হয়- সেটা দেখা নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক ও নৈতিক দায়িত্ব।

৪. জনগণের এই সময়ের অবাধ, সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবির প্রতি যুক্তফ্রন্টের নিরঙ্কুশ সমর্থন রয়েছে।

৫. সরকার বা অন্য কোনো জোটের চাপ বা ভয়-ভীতি প্রদর্শন করলে- নির্বাচন কমিশন মাথা নত করবে না এটা যুক্তফ্রন্ট ও সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা।

কারণ: ক) নির্বাচন কমিশন তফসিল ঘোষণার পর শত ভাগ মাননীয় রাষ্ট্রপতির অধীন।

খ) নির্বাচনের সাথে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত কর্মচারীদের নির্বাচন কমিশনের অধীনস্থ করতে হবে।

গ) তফসিল ঘোষণার পর এমপিগণ সংশ্লিষ্ট এলাকায় কোনো প্রকল্প উদ্বোধন/ প্রতিশ্রুতি যাতে না দিতে পারে সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। মন্ত্রী ও এমপিদের সরকারি সুযোগ-সুবিধা প্রত্যাহার করতে হবে।

ঘ) সরকারি দলের প্রার্থীদের বিল বোর্ড, ব্যানার, পোস্টার অবিলম্বে অপসারণ করতে হবে।

এর আগে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদার সঙ্গে সাক্ষাতের আগ্রহ প্রকাশ করে মঙ্গলবার সকালে একটি চিঠি পাঠিয়েছিলেন বিকল্পধারার মহাসচিব আব্দুল মান্নান।

চিঠিতে বলা হয়, আগামী সাধারণ নির্বাচন প্রসঙ্গে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আমাদের একটি প্রতিনিধিদল আপনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আগ্রহী।

চিঠিতে আরও বলা হয়, যেহেতু সময় সংক্ষিপ্ত, সেহেতু ন্যূনতম সময়ে প্রয়োজনীয় সাক্ষাতের সময় (আগামী ৯ নভেম্বরের মধ্যে) দিলে বাধিত হব।

সোমবার বিএনপিকে নিয়ে কামাল হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে বৈঠক করে নির্বাচন কমিশন। ইসির কাছে তারা দাবি জানায়, রাজনৈতিক সংলাপ শেষ না হওয়ার আগে তফসিল না দিতে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জুলাই চেতনা নিয়ে ব্যবসা না করার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

নির্বাচন কমিশনে যুক্তফ্রন্টের পাঁচ দফা

আপডেট সময় ০৮:০৩:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ নভেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল না পেছানোর দাবি জানিয়েছে যুক্তফ্রন্ট। এ সময় তারা নির্বাচন কমিশনের কাছে ৫ দফা দাবি তুলে ধরেন।

মঙ্গলবার বিকালে নির্বাচন ভবনে বিকল্পধারার মহাসচিব মেজর (অব.) আবদুল মান্নানের নেতৃত্বে ৯ সদস্যের প্রতিনিধিদল সিইসির সঙ্গে বৈঠকে বসেন।

বৈঠকে যুক্তফ্রন্টের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরা হয়। এগুলো হচ্ছে-

১. সমস্ত জাতি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। *নির্বাচনকমিশনের Constitutional and Conscience আপনাদের প্রয়োগ করতে হবে। তবে এটা করতে ব্যর্থ হলে জাতি আপনাদের ক্ষমা করবে না।

২. নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা অকারণে বিলম্ব হলে জাতির মধ্যে সংশয়, বিভ্রান্তি ও হতাশার সৃষ্টি হবে- যা কোনোক্রমেই কাম্য নয়।

৩. জাতির প্রত্যাশায় যাতে কোনোরকম অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির উদ্ভব না হয়- সেটা দেখা নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক ও নৈতিক দায়িত্ব।

৪. জনগণের এই সময়ের অবাধ, সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবির প্রতি যুক্তফ্রন্টের নিরঙ্কুশ সমর্থন রয়েছে।

৫. সরকার বা অন্য কোনো জোটের চাপ বা ভয়-ভীতি প্রদর্শন করলে- নির্বাচন কমিশন মাথা নত করবে না এটা যুক্তফ্রন্ট ও সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা।

কারণ: ক) নির্বাচন কমিশন তফসিল ঘোষণার পর শত ভাগ মাননীয় রাষ্ট্রপতির অধীন।

খ) নির্বাচনের সাথে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত কর্মচারীদের নির্বাচন কমিশনের অধীনস্থ করতে হবে।

গ) তফসিল ঘোষণার পর এমপিগণ সংশ্লিষ্ট এলাকায় কোনো প্রকল্প উদ্বোধন/ প্রতিশ্রুতি যাতে না দিতে পারে সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। মন্ত্রী ও এমপিদের সরকারি সুযোগ-সুবিধা প্রত্যাহার করতে হবে।

ঘ) সরকারি দলের প্রার্থীদের বিল বোর্ড, ব্যানার, পোস্টার অবিলম্বে অপসারণ করতে হবে।

এর আগে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদার সঙ্গে সাক্ষাতের আগ্রহ প্রকাশ করে মঙ্গলবার সকালে একটি চিঠি পাঠিয়েছিলেন বিকল্পধারার মহাসচিব আব্দুল মান্নান।

চিঠিতে বলা হয়, আগামী সাধারণ নির্বাচন প্রসঙ্গে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আমাদের একটি প্রতিনিধিদল আপনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আগ্রহী।

চিঠিতে আরও বলা হয়, যেহেতু সময় সংক্ষিপ্ত, সেহেতু ন্যূনতম সময়ে প্রয়োজনীয় সাক্ষাতের সময় (আগামী ৯ নভেম্বরের মধ্যে) দিলে বাধিত হব।

সোমবার বিএনপিকে নিয়ে কামাল হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে বৈঠক করে নির্বাচন কমিশন। ইসির কাছে তারা দাবি জানায়, রাজনৈতিক সংলাপ শেষ না হওয়ার আগে তফসিল না দিতে।