ঢাকা ০৭:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

সংলাপ সেনাবাহিনী ও পর্যবেক্ষক নিয়ে যা ভাবছে আওয়ামী লীগ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা পশ্চিমা দেশ থেকে যদি নির্বাচন পর্যবেক্ষক দল আসে তাতে আওয়ামী লীগের কোনো আপত্তি নেই বলে জানিয়েছেন দলটির সভাপতিমণ্ডলির সদস্য ড. আবদুর রাজ্জাক।

সোমবার তিনি গণমাধ্যমকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, আওয়ামী লীগ চায় না ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারির মতো নির্বাচনের পুনরাবৃত্তি হোক। সে লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেন স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে সেটা নিশ্চিত করার কথাও জানান তিনি।

সংলাপে কী প্রতিশ্রুতি থাকতে পারে সে বিষয়ে আবদুর রাজ্জাক বলেন, নির্বাচন যাতে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হয়, সে জন্য প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, বিশেষ করে নির্বাচন কমিশন, তারা যেন স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে। তাদের ওপর যেন সরকার কোনো প্রভাব বিস্তার করতে না পারে, সংলাপে আমরা এই ধরনের প্রতিশ্রুতি দেয়ার চেষ্টা করব।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলির সদস্য ড. আবদুর রাজ্জাক।

নির্বাচনকালীন সরকার ও বিদেশি পর্যবেক্ষক বিষয়ে তিনি বলেন, সরকার থাকবে নামমাত্র। নির্বাচনকালীন সময়ে তাদের কোনো প্রশাসনিক ক্ষমতা থাকবে না। এছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা যেসব পশ্চিমা দেশে গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক রূপ নিয়েছে। ওইসব দেশ থেকে যদি নির্বাচন পর্যবেক্ষক দল আসে। আমাদের তাতেও কোনো আপত্তি নেই।

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, নির্বাচন কালীন সময় সামরিক বাহিনীকে বিচারিক ক্ষমতা দিয়ে মোতায়েনের যে দাবি ঐক্যফ্রন্ট দিয়েছে সেটা সংবিধান অনুযায়ী সম্ভব নয়। দুযোর্গকালীন পরিস্থিতি মোকাবিলায় যেভাবে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়, তেমনি নির্বাচনে যদি এমন কোন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় তাহলে তাদের স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে নিয়োজিত করা হবে। এক্ষেত্রে সেনাবাহিনীকে কোনো বিচারিক ক্ষমতা দেয়া হবে না। ম্যাজিস্ট্রেট বা সিভিল প্রশাসনের জুডিশিয়ালি যারা, তারাই এই ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার খাটানোর এখতিয়ার রাখেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

সংলাপ সেনাবাহিনী ও পর্যবেক্ষক নিয়ে যা ভাবছে আওয়ামী লীগ

আপডেট সময় ০৯:৪৮:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ নভেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা পশ্চিমা দেশ থেকে যদি নির্বাচন পর্যবেক্ষক দল আসে তাতে আওয়ামী লীগের কোনো আপত্তি নেই বলে জানিয়েছেন দলটির সভাপতিমণ্ডলির সদস্য ড. আবদুর রাজ্জাক।

সোমবার তিনি গণমাধ্যমকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, আওয়ামী লীগ চায় না ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারির মতো নির্বাচনের পুনরাবৃত্তি হোক। সে লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেন স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে সেটা নিশ্চিত করার কথাও জানান তিনি।

সংলাপে কী প্রতিশ্রুতি থাকতে পারে সে বিষয়ে আবদুর রাজ্জাক বলেন, নির্বাচন যাতে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হয়, সে জন্য প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, বিশেষ করে নির্বাচন কমিশন, তারা যেন স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে। তাদের ওপর যেন সরকার কোনো প্রভাব বিস্তার করতে না পারে, সংলাপে আমরা এই ধরনের প্রতিশ্রুতি দেয়ার চেষ্টা করব।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলির সদস্য ড. আবদুর রাজ্জাক।

নির্বাচনকালীন সরকার ও বিদেশি পর্যবেক্ষক বিষয়ে তিনি বলেন, সরকার থাকবে নামমাত্র। নির্বাচনকালীন সময়ে তাদের কোনো প্রশাসনিক ক্ষমতা থাকবে না। এছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা যেসব পশ্চিমা দেশে গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক রূপ নিয়েছে। ওইসব দেশ থেকে যদি নির্বাচন পর্যবেক্ষক দল আসে। আমাদের তাতেও কোনো আপত্তি নেই।

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, নির্বাচন কালীন সময় সামরিক বাহিনীকে বিচারিক ক্ষমতা দিয়ে মোতায়েনের যে দাবি ঐক্যফ্রন্ট দিয়েছে সেটা সংবিধান অনুযায়ী সম্ভব নয়। দুযোর্গকালীন পরিস্থিতি মোকাবিলায় যেভাবে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়, তেমনি নির্বাচনে যদি এমন কোন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় তাহলে তাদের স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে নিয়োজিত করা হবে। এক্ষেত্রে সেনাবাহিনীকে কোনো বিচারিক ক্ষমতা দেয়া হবে না। ম্যাজিস্ট্রেট বা সিভিল প্রশাসনের জুডিশিয়ালি যারা, তারাই এই ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার খাটানোর এখতিয়ার রাখেন।