অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
শরীয়তপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা ও সাবেক মেম্বার আ. খালেক পাংখাদারকে বাড়ি থেকে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে প্রকাশ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন।
নিহতের চাচা ছানা উল্লাহ পাংখাদার জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে আয়ুব আলী মাদবরের বাড়ির কাছে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত খালেক পাংখাদার শরীয়তপুর সদর উপজেলার রুদ্রকর ইউনিয়নের পূর্বসোনামূখী গ্রামের গনি পাংখাদারের ছেলে। তিনি রুদ্রকর ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।
পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে।
নিহতের চাচা সানাউল্লাহ পাংখাদার জানান, স্থানীয় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে খালেক পাংখাদারের সঙ্গে একই গ্রামের আলমগীর মাদবর আবু আলেম মাদবর, মকবুল মাদবর গংদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এ বিরোধের জের একাধিকবার হামলা মামলা ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে আলমগীর মাদবর পূর্বপরিকল্পিতভাবে আ. খালেক পাংখাদারকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে শরীয়তপুরে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে ডেকে আনে। সকাল সাড়ে ১০টায় পূর্বসোনামূখী গ্রামের আইয়ুব আলী মাদবরের বাড়ির নিকট পৌছিলে পূর্বপরিকল্পিত ভাবে আলমগীর মাদবরের নেতৃত্বে ১৫-২০ জন দুর্বৃত্ত ধারালো অস্ত্র নিয়ে প্রকাশ্যে খালেক পাংখাদারের ওপর হামলা চালায়।
এ সময় হামলাকারীরা তাকে ধারালো অস্ত্র সেনদা, রামদা দিয়ে কুপিয়ে ফেলে রেখে যায় বলে অভিযোগ পরিবারের। খবর পেয়ে স্বজনরা এসে স্থানীয় লোকজনদের সহায়তায় খালেক পাংখাদারকে উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করে।
নিহতের মা কমলা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন আমার বুক যারা খালি করেছে আমি তাদের ফাঁসি চাই।
রুদ্রকর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান ঢালী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় দুটি গ্রুপের মধ্যে এলাকার আধিপত্য নিয়ে বিরোধ রয়েছে। এরই জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড। আমি নির্মম এ হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করছি।
পালং মডেল থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান বলেন, শত্রুপক্ষ খালেককে কুপিয়ে হত্যা করেছে। ঘটনার সংবাদ পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আল মামুন সিকদার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















