ঢাকা ০৯:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

নিউইয়র্কে দুই সৌদি নারীর মৃতদেহ উদ্ধার

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক থেকে দুই সৌদি নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শহরের হাডসন নদী থেকে দুই নারীর টেপ দিয়ে মোড়ানো মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তারা দুই বোন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। হাডসন নদীতে ম্যানহাটান সিটির পশ্চিম তীরে গত ২৪ অক্টোবর ১৬ বছর বয়সি তালা ফারিয়া ও ২২ বছর বয়সি রোতানা ফারিয়া’র লাশ পাওয়া যায়।

নিহত দুই বোন সৌদি থেকে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে দেশটিতে আশ্রয়লাভের চেষ্টা করছিল। কিন্তু ওয়াশিংটনস্থ সৌদি দূতাবাস তাদেরকে আমেরিকা ত্যাগ করে সৌদি আরবে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল বলে জানিয়েছেন তাদের মা। পুলিশ এ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। খবর বিবিসির।

এক সপ্তাহেরও বেশি সময় আগে দুই সৌদি বোনের লাশ উদ্ধার করা হলেও এখন পর্যন্ত তাদের মৃত্যুর কোনো কারণ খুঁজে বের করতে পারেনি মার্কিন পুলিশ। সম্পূর্ণ পোশাক পরিহিত এবং পরস্পরের দিকে মুখ করে তাদের দেহ টেপ দিয়ে প্যাঁচানো ছিল।

নিউ ইয়র্কস্থ সৌদি কনস্যুলেট জেনারেল এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, দুই বোন তার এক ভাইয়ের সঙ্গে ওয়াশিংটনে বসবাস করছিল। দুই বোনের মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে সাহায্য করার জন্য সৌদি আরবের পক্ষ থেকে একজন আইনজীবী নিয়োগ করা হয়েছে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তা জানান, দুই বোন ২০১৫ সালে তাদের মায়ের সঙ্গে ভার্জিনিয়ায় ফেয়ারফ্যাক্সে আসেন। সেখানেই তারা বসবাস করছিলেন। তাদের বাড়ি থেকে ৪০০ কিলোমিটার দূরে নদীতে তাদের মৃতদেহ পাওয়া গেছে। এত দূরে তাদের মৃতদেহ থাকার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিচ্ছে মার্কিন পুলিশ।

ইস্তাম্বুলের সৌদি দূতাবাসে নির্বাসিত সাংবাদিক জামাল খাশোগিকে হত্যার বিষয়ে আন্তর্জাতিক সমালোচনার শিকার হচ্ছে সৌদি রাজপরিবার। এমন চাপের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রে এই দুই নারীর মৃতদেহ পাওয়া গেল। এছাড়া তারা যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছিলেন বলে তাদের মৃত্যু নিয়ে কেউ কেউ সৌদির দিকে চোখ তুলছে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কি কারণ দুই বোনকে হত্যা করা হয়েছে তা স্পষ্ট হচ্ছে না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

নিউইয়র্কে দুই সৌদি নারীর মৃতদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় ০১:২৩:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ নভেম্বর ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক থেকে দুই সৌদি নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শহরের হাডসন নদী থেকে দুই নারীর টেপ দিয়ে মোড়ানো মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তারা দুই বোন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। হাডসন নদীতে ম্যানহাটান সিটির পশ্চিম তীরে গত ২৪ অক্টোবর ১৬ বছর বয়সি তালা ফারিয়া ও ২২ বছর বয়সি রোতানা ফারিয়া’র লাশ পাওয়া যায়।

নিহত দুই বোন সৌদি থেকে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে দেশটিতে আশ্রয়লাভের চেষ্টা করছিল। কিন্তু ওয়াশিংটনস্থ সৌদি দূতাবাস তাদেরকে আমেরিকা ত্যাগ করে সৌদি আরবে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল বলে জানিয়েছেন তাদের মা। পুলিশ এ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। খবর বিবিসির।

এক সপ্তাহেরও বেশি সময় আগে দুই সৌদি বোনের লাশ উদ্ধার করা হলেও এখন পর্যন্ত তাদের মৃত্যুর কোনো কারণ খুঁজে বের করতে পারেনি মার্কিন পুলিশ। সম্পূর্ণ পোশাক পরিহিত এবং পরস্পরের দিকে মুখ করে তাদের দেহ টেপ দিয়ে প্যাঁচানো ছিল।

নিউ ইয়র্কস্থ সৌদি কনস্যুলেট জেনারেল এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, দুই বোন তার এক ভাইয়ের সঙ্গে ওয়াশিংটনে বসবাস করছিল। দুই বোনের মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে সাহায্য করার জন্য সৌদি আরবের পক্ষ থেকে একজন আইনজীবী নিয়োগ করা হয়েছে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তা জানান, দুই বোন ২০১৫ সালে তাদের মায়ের সঙ্গে ভার্জিনিয়ায় ফেয়ারফ্যাক্সে আসেন। সেখানেই তারা বসবাস করছিলেন। তাদের বাড়ি থেকে ৪০০ কিলোমিটার দূরে নদীতে তাদের মৃতদেহ পাওয়া গেছে। এত দূরে তাদের মৃতদেহ থাকার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিচ্ছে মার্কিন পুলিশ।

ইস্তাম্বুলের সৌদি দূতাবাসে নির্বাসিত সাংবাদিক জামাল খাশোগিকে হত্যার বিষয়ে আন্তর্জাতিক সমালোচনার শিকার হচ্ছে সৌদি রাজপরিবার। এমন চাপের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রে এই দুই নারীর মৃতদেহ পাওয়া গেল। এছাড়া তারা যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছিলেন বলে তাদের মৃত্যু নিয়ে কেউ কেউ সৌদির দিকে চোখ তুলছে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কি কারণ দুই বোনকে হত্যা করা হয়েছে তা স্পষ্ট হচ্ছে না।