ঢাকা ১১:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ২০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

ঐক্যফ্রন্ট কি ‘খোলা মনে’ নমনীয় হচ্ছে?

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আগামী নির্বাচন সামনে রেখে গঠিত বৃহত্তর রাজনৈতিক জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ইতিমধ্যেই রাজনীতির মাঠে নিজেদের অবস্থান জানান দিয়েছে। সিলেটে ও চট্টগ্রামে সমাবেশে জনগণের ব্যাপক সাড়া পেয়েছে এ রাজনৈতিক জোট।

নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবিতে ঐক্যফ্রন্ট ইতিমধ্যে সরকারকে সাত দফা দাবি জানিয়েছে। সর্বশেষ রোববার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে তারা সংলাপের জন্য চিঠি দিয়েছে।

ঐক্যফ্রন্টের চিঠি পেয়ে সাড়া দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। মঙ্গলবার তিনি একটি চিঠি দিয়ে বৃহস্পতিবার ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের গণভবনে দাওয়াত দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর এই সাড়াকে রাজনীতিতে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি হিসেবে দেখছে ঐক্যফ্রন্ট।

সেকারণে ঐক্যফ্রন্ট ইতিপূর্বে যে সাত দফা দাবি দিয়েছিল, নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে যদি তার বিকল্প কোনো উপায় পাওয়া যায় তাহলে ছাড় দিতে পারে এ রাজনৈতিক জোট। মঙ্গলবার এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা ও গণফোরাম সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে থাকা রাজনৈতিক দলগুলোর নেতারা মনে করছেন, আলোচনার টেবিলে সিদ্ধান্ত হবে। নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য অন্য কোনো বিকল্প ক্ষেত্র প্রস্তুত হতে পারে।

মোস্তফা মহসিন মন্টু গণমাধ্যমকে বলেন, আমাদের তরফ থেকে সমঝোতার জন্য সবাই আমরা উদ্যোগী। একদম গ্রহণযোগ্য না হলে অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য যেসব শর্ত আমরা দিয়েছি। সেসবের ক্ষেত্র যদি প্রস্তুত না হয় তাহলে বিকল্প কোনো ক্ষেত্র যদি প্রস্তুত করে দিতে পারে। অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন হতে পারে এমন যে কোনো কিছু অবশ্যই আমরা মেনে নেব।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

এ জাতিকে কখনো বিভাজন করা সম্ভব নয় : রিজভী

ঐক্যফ্রন্ট কি ‘খোলা মনে’ নমনীয় হচ্ছে?

আপডেট সময় ০৯:০৩:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আগামী নির্বাচন সামনে রেখে গঠিত বৃহত্তর রাজনৈতিক জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ইতিমধ্যেই রাজনীতির মাঠে নিজেদের অবস্থান জানান দিয়েছে। সিলেটে ও চট্টগ্রামে সমাবেশে জনগণের ব্যাপক সাড়া পেয়েছে এ রাজনৈতিক জোট।

নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবিতে ঐক্যফ্রন্ট ইতিমধ্যে সরকারকে সাত দফা দাবি জানিয়েছে। সর্বশেষ রোববার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে তারা সংলাপের জন্য চিঠি দিয়েছে।

ঐক্যফ্রন্টের চিঠি পেয়ে সাড়া দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। মঙ্গলবার তিনি একটি চিঠি দিয়ে বৃহস্পতিবার ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের গণভবনে দাওয়াত দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর এই সাড়াকে রাজনীতিতে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি হিসেবে দেখছে ঐক্যফ্রন্ট।

সেকারণে ঐক্যফ্রন্ট ইতিপূর্বে যে সাত দফা দাবি দিয়েছিল, নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে যদি তার বিকল্প কোনো উপায় পাওয়া যায় তাহলে ছাড় দিতে পারে এ রাজনৈতিক জোট। মঙ্গলবার এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা ও গণফোরাম সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে থাকা রাজনৈতিক দলগুলোর নেতারা মনে করছেন, আলোচনার টেবিলে সিদ্ধান্ত হবে। নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য অন্য কোনো বিকল্প ক্ষেত্র প্রস্তুত হতে পারে।

মোস্তফা মহসিন মন্টু গণমাধ্যমকে বলেন, আমাদের তরফ থেকে সমঝোতার জন্য সবাই আমরা উদ্যোগী। একদম গ্রহণযোগ্য না হলে অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য যেসব শর্ত আমরা দিয়েছি। সেসবের ক্ষেত্র যদি প্রস্তুত না হয় তাহলে বিকল্প কোনো ক্ষেত্র যদি প্রস্তুত করে দিতে পারে। অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন হতে পারে এমন যে কোনো কিছু অবশ্যই আমরা মেনে নেব।