ঢাকা ০৫:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচনে সেনাবাহিনীর ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতার যথাযথ প্রয়োগ চায় এনসিপি কানাডায় এমপি মনোনয়ন পেলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ডলি ১২ ফেব্রুয়ারির আগে শেরপুর-৩ আসনে তফসিল ঘোষণার সুযোগ নেই: ইসি মাছউদ রিপাবলিকানদের ভোটের নিয়ন্ত্রণ নিতে বললেন ট্রাম্প জয়ের ভার্চুয়াল বক্তব্যে পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতিতে তীব্র প্রতিক্রিয়া আ.লীগ সমর্থকদের ৪৮ শতাংশের পছন্দ বিএনপি: সিআরএফের জরিপ স্বৈরাচারের মতোই গুপ্তরা এখন নতুন জালিমে পরিণত হয়েছে : তারেক রহমান জুলাই সনদ রক্তের অক্ষরে শপথের স্বাক্ষর: আলী রীয়াজ মা-বোনদের কটু কথা নয়, সম্মান দিলেই বেহেশত পেতে পারি: মির্জা ফখরুল উত্তরবঙ্গকে আমরা কৃষিশিল্পের রাজধানীতে পরিণত করব : জামায়াত আমির

সরকার নয়, সংলাপ আ. লীগের সঙ্গে: কাদের

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে সংলাপ সরকারের সঙ্গে নয়, আওয়ামী লীগের সঙ্গে- বিষয়টি পরিস্কার করে বুঝিয়েছেন ওবায়দুল কাদের।

ক্ষমতাসীন দলের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘এ সংলাপ সরকারের সঙ্গে নয় এ সংলাপ আওয়ামী লীগের সঙ্গে। এ সংলাপ আওয়ামী লীগ সভাপতির সঙ্গে। আলোচনায় আওয়ামী লীগ সভাপতি নেতৃত্ব দেবেন। তারাও চেয়েছেন আওয়ামী লীগের সঙ্গে আলাপ করতে। এটা আপনাদের মনে রাখতে হবে।’

নবগঠিত ঐক্যফ্রন্টের সংলাপের প্রস্তাবে সায় দেয়ার পরদিন মঙ্গলবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন কাদের।

গত রবিবার কামাল হোসেনের সইসহ ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে সংলাপের আহ্বান জানিয়ে চিঠি যায় আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে। পরদিন ক্ষমতাসীন দলের পক্ষ থেকে চমকের ঘোষণা আসে। ‘জরুরি সংবাদসম্মেলন’ ডেকে ওবায়দুল কাদের জানান, তারা সংলাপে রাজি। আগামী বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঐক্যফ্রন্টকে গণভবনে আমন্ত্রণও জানিয়ে চিঠিও দেয়া হয়েছে।

সংলাপে রাজি হওয়ার সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্ন নিতে চাননি। চাপাচাপিতে দুই একটি বিষয়ে কেবল কথা বলেছেন, তাও সংক্ষিপ্ত আকারে।

তবে পরদিন সচিবালয়ে সাংবাদিকদের যত প্রশ্ন, তার জবাব দেন আওয়ামী লীগ নেতা। সংলাপে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে কতজন থাকবেন এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘তারা কতজন আসেন লিস্টটা দেখি। তারপর আমাদের কারা থাকবেন সেটা আমরা পরে ঠিক করব।’

‘দেখুন আমরা বা এদিকে চৌদ্দ দল, আমরা একই ভয়েসে কথা বলি। আমরা আমাদের সরকার ও দলের পলিসি যেটা ছিল সেটাই বলেছি। এখানে আমাদের পার্টি প্রধান যে সিদ্ধান্ত নেবেন সেটাই হবে।’

এর আগে বিএনপির পক্ষ থেকে আসা সংলাপের দাবি অগ্রাহ্য করেছে আওয়ামী লীগ। হঠাৎ সিদ্ধান্ত বদলের বিষয়ে কাদের বলেন, ‘আমাদের পার্টি প্রধান বলেছেন, আমি তো কারো আন্দোলনের মুখে, বা কারো চাপের মুখে সংলাপে বসতে যাচ্ছি না। এটাতো এমন হয়নি দেশে একটি প্রতিবাদের ঝড় বা দেশে একটি আন্দোলনমুখর অবস্থা করছে যে সেই অবস্থায় সরকার নতি শিকার করে সংলাপে বসছে। বিষয়টা এমন নয়।’

‘বিষয়টা হচ্ছে ড. কামাল হোসেন সাহেব ঐকফ্রন্টের পক্ষ থেকে আমাদের দলীয় প্রধান শেখ হাসিনাকে চিঠি দিয়েছেন। শেখ হাসিনাও বলেছেন কেউ আমার সঙ্গে দেখা করতে চাইলে তার জন্য দরজা খোলা আছে। তাই আলোচনা হবে।’

“এ বিষয়ে গতকাল কেবিনেটের অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় নেত্রী (শেখ হাসিনা) বলেছেন, ‘কেউ যদি আমার সঙ্গে দেখা করতে চান, শেখ হাসিনার দরজাতো কারো জন্য বন্ধ নয়। আমার দরজা খোলা আছে। দেখা করতে চেয়ে যেহেতু চিঠি দিয়েছেন, ফলে আমি দেখা করব’। বিষয়টি এমন। এটা আসলে কারও চাপের কাছে নয়।”

আলোচনার বিষয়ে কিছু বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে উল্লেখ করে কাদের বলেন, ‘আমি গণফোরামের মোস্তফা মোহসীন মন্টুর সঙ্গে গতরাতে ফোনে আলাপ করেছি। কিছু পত্রিকা লিখেছে আলোচনার জন্য আমি নাকি ১০ জনের নাম প্রস্তাব করেছি, এটা সঠিক নয়। আমি এমন কিছু বলিনি, আমি মোস্তফা সাহেবকে বলেছি আপনারা আলোচনায় কতজন আসতে চান। তিনি আমাকে বলেছেন তারা ১৫ জন আসতে চান। আমি বলেছি ১৫ জন কেন, ২০-২৫ জনও আসতে পারেন।’

‘আবার কোন কোন কাগজে লিখেছে আমি নাকি খাবারের মেনু নিয়ে আলোচনা করেছি। এসব হালকা বিষয়গুলো এভয়েট করা উচিত গণমাধ্যমের। আলোচনার বিষয়টি একটি সিরিয়াস বিষয়, সেখানে এভাবে হালকা বিষয়গুলো তুলে ধরা ঠিক নয়।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচনে সেনাবাহিনীর ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতার যথাযথ প্রয়োগ চায় এনসিপি

সরকার নয়, সংলাপ আ. লীগের সঙ্গে: কাদের

আপডেট সময় ০২:১৭:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে সংলাপ সরকারের সঙ্গে নয়, আওয়ামী লীগের সঙ্গে- বিষয়টি পরিস্কার করে বুঝিয়েছেন ওবায়দুল কাদের।

ক্ষমতাসীন দলের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘এ সংলাপ সরকারের সঙ্গে নয় এ সংলাপ আওয়ামী লীগের সঙ্গে। এ সংলাপ আওয়ামী লীগ সভাপতির সঙ্গে। আলোচনায় আওয়ামী লীগ সভাপতি নেতৃত্ব দেবেন। তারাও চেয়েছেন আওয়ামী লীগের সঙ্গে আলাপ করতে। এটা আপনাদের মনে রাখতে হবে।’

নবগঠিত ঐক্যফ্রন্টের সংলাপের প্রস্তাবে সায় দেয়ার পরদিন মঙ্গলবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন কাদের।

গত রবিবার কামাল হোসেনের সইসহ ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে সংলাপের আহ্বান জানিয়ে চিঠি যায় আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে। পরদিন ক্ষমতাসীন দলের পক্ষ থেকে চমকের ঘোষণা আসে। ‘জরুরি সংবাদসম্মেলন’ ডেকে ওবায়দুল কাদের জানান, তারা সংলাপে রাজি। আগামী বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঐক্যফ্রন্টকে গণভবনে আমন্ত্রণও জানিয়ে চিঠিও দেয়া হয়েছে।

সংলাপে রাজি হওয়ার সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্ন নিতে চাননি। চাপাচাপিতে দুই একটি বিষয়ে কেবল কথা বলেছেন, তাও সংক্ষিপ্ত আকারে।

তবে পরদিন সচিবালয়ে সাংবাদিকদের যত প্রশ্ন, তার জবাব দেন আওয়ামী লীগ নেতা। সংলাপে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে কতজন থাকবেন এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘তারা কতজন আসেন লিস্টটা দেখি। তারপর আমাদের কারা থাকবেন সেটা আমরা পরে ঠিক করব।’

‘দেখুন আমরা বা এদিকে চৌদ্দ দল, আমরা একই ভয়েসে কথা বলি। আমরা আমাদের সরকার ও দলের পলিসি যেটা ছিল সেটাই বলেছি। এখানে আমাদের পার্টি প্রধান যে সিদ্ধান্ত নেবেন সেটাই হবে।’

এর আগে বিএনপির পক্ষ থেকে আসা সংলাপের দাবি অগ্রাহ্য করেছে আওয়ামী লীগ। হঠাৎ সিদ্ধান্ত বদলের বিষয়ে কাদের বলেন, ‘আমাদের পার্টি প্রধান বলেছেন, আমি তো কারো আন্দোলনের মুখে, বা কারো চাপের মুখে সংলাপে বসতে যাচ্ছি না। এটাতো এমন হয়নি দেশে একটি প্রতিবাদের ঝড় বা দেশে একটি আন্দোলনমুখর অবস্থা করছে যে সেই অবস্থায় সরকার নতি শিকার করে সংলাপে বসছে। বিষয়টা এমন নয়।’

‘বিষয়টা হচ্ছে ড. কামাল হোসেন সাহেব ঐকফ্রন্টের পক্ষ থেকে আমাদের দলীয় প্রধান শেখ হাসিনাকে চিঠি দিয়েছেন। শেখ হাসিনাও বলেছেন কেউ আমার সঙ্গে দেখা করতে চাইলে তার জন্য দরজা খোলা আছে। তাই আলোচনা হবে।’

“এ বিষয়ে গতকাল কেবিনেটের অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় নেত্রী (শেখ হাসিনা) বলেছেন, ‘কেউ যদি আমার সঙ্গে দেখা করতে চান, শেখ হাসিনার দরজাতো কারো জন্য বন্ধ নয়। আমার দরজা খোলা আছে। দেখা করতে চেয়ে যেহেতু চিঠি দিয়েছেন, ফলে আমি দেখা করব’। বিষয়টি এমন। এটা আসলে কারও চাপের কাছে নয়।”

আলোচনার বিষয়ে কিছু বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে উল্লেখ করে কাদের বলেন, ‘আমি গণফোরামের মোস্তফা মোহসীন মন্টুর সঙ্গে গতরাতে ফোনে আলাপ করেছি। কিছু পত্রিকা লিখেছে আলোচনার জন্য আমি নাকি ১০ জনের নাম প্রস্তাব করেছি, এটা সঠিক নয়। আমি এমন কিছু বলিনি, আমি মোস্তফা সাহেবকে বলেছি আপনারা আলোচনায় কতজন আসতে চান। তিনি আমাকে বলেছেন তারা ১৫ জন আসতে চান। আমি বলেছি ১৫ জন কেন, ২০-২৫ জনও আসতে পারেন।’

‘আবার কোন কোন কাগজে লিখেছে আমি নাকি খাবারের মেনু নিয়ে আলোচনা করেছি। এসব হালকা বিষয়গুলো এভয়েট করা উচিত গণমাধ্যমের। আলোচনার বিষয়টি একটি সিরিয়াস বিষয়, সেখানে এভাবে হালকা বিষয়গুলো তুলে ধরা ঠিক নয়।’