ঢাকা ০৪:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দোয়া করবেন যেন সংসদে গিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হতে পারি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম, হচ্ছে এসআইএফ একাত্তর আমাদের অস্তিত্ব, একটি গোষ্ঠী সেটিকে পেছনে ফেলতে চায়: মির্জা ফখরুল জাপানে ভারি তুষারপাতে ৩০ জনের প্রাণহানি রমজানে সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রি করবে সরকার জামায়াত ক্ষমতায় আসলে আবার নতুন করে ফ্যাসিবাদের আবির্ভাব হবে: রিজভী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা:স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা সব ধর্ম নিয়ে ফুলের বাগানের মতো দেশ সাজাবো ইনশাআল্লাহ: জামায়াত আমির জামায়াত চাঁদা নিলে হাদিয়া, অন্যরা নিলে চাঁদাবাজি : বুলু রাজধানীর মানিকনগরে নারী ব্যাংকারের বাসায় ২৭ লাখ টাকার স্বর্ণাালঙ্কার চুরি, গ্রেফতার ২

আজকের শিশুরাই বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়বে: প্রধানমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শিশুদের দেশের ভবিষ্যৎ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আশা প্রকাশ করেছেন, তারাই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলবে।

শুক্রবার বিকেলে গণভবনে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন উপলক্ষে অনুষ্ঠিত চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতাকালে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন। খবর বাসসের

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকের শিশুরাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ এবং আমি আশা করি তারা বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ে তুলবে।’

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি ট্রাস্ট জাতির পিতার ৯৬, ৯৭ ও ৯৮তম জন্মদিন উপলক্ষে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।

ট্রাস্টের চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা শিক্ষার উন্নয়নে তার সরকারের গৃহীত পদক্ষেপসমূহ তুলে ধরে বলেন, ‘দেশকে এগিয়ে নিতে এবং আগামী প্রজন্ম যাতে দেশের সুশিক্ষিত নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে পারে সেজন্য আমরা শিক্ষার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা চাই সকল শিশু তাদের শিক্ষা অব্যাহত রাখুক। আর তাই আমরা প্রাক-প্রাথমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ করছি এবং তাদের বৃত্তি ও উপবৃত্তি দিচ্ছি।’

তার সরকার বঙ্গবন্ধুর পদাঙ্ক অনুসরণ করে ২৬ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা শিক্ষার উন্নয়নে দেশের প্রতিটি উপজেলায় সরকারি কলেজ ও স্কুল প্রতিষ্ঠা করছি।’

বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর ছয় বছরের শরণার্থী জীবনের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই সময় তিনি এবং তার বোনকে দেশে আসতে দেয়া হয়নি।

তিনি বলেন, ‘অনেক বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে যখন আমরা দেশে আসলাম তখন আমাদের ঐতিহাসিক ধানমণ্ডি ৩২ এর বাড়িতে ঢুকতে দেয়া হয়নি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা ধানমণ্ডির বাড়িকে বঙ্গবন্ধু জাদুঘরে পরিণত করেছেন এবং জাতির পিতার নামে একটি স্ট্রাস্ট গঠন করেছেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা এই ফান্ড থেকে ১৭শ’ দরিদ্র অথচ মেধাবী শিশুকে বৃত্তি দিচ্ছি এবং ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলায় হতাহতদের সহায়তা দিচ্ছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার শিশুদের গান ও চিত্রাঙ্কনের মত খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে উৎসাহ দিচ্ছে যাতে তাদের মেধা ও চিন্তা-চেতনা সঠিকভাবে বিকশিত হয়।

বাংলাদেশকে ২০২১ সালের মধ্যে একটি মধ্য আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে একটি সমৃদ্ধ ও উন্নত দেশে পরিণত করার সংকল্প পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘আগামী শতাব্দীতে বাংলাদেশকে সবচেয়ে উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে এবং আগামী প্রজন্মকে একটি সমৃদ্ধ ও সুন্দর জীবন উপহার দিতে আমরা বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০ প্রণয়ন করেছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার ২০২০-২১ সালকে মুজিব বর্ষ ঘোষণা করেছে এবং এই বর্ষকে যথাযথ মর্যাদায় উদযাপন করার প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করতে সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের সভাপতি শিল্পী হাশেম খান, স্বাগত বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু স্মৃতি স্ট্রাস্টের সদস্য সচিব শেখ হাফিজুর রহমান। স্মৃতি স্ট্রাস্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাশুরা হোসেন ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমীন চৌধুরী, মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, সংসদ সদস্য এবং বেসামরিক ও সামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার ও সনদ বিতরণ করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দোয়া করবেন যেন সংসদে গিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হতে পারি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

আজকের শিশুরাই বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়বে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০১:২৪:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শিশুদের দেশের ভবিষ্যৎ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আশা প্রকাশ করেছেন, তারাই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলবে।

শুক্রবার বিকেলে গণভবনে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন উপলক্ষে অনুষ্ঠিত চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতাকালে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন। খবর বাসসের

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকের শিশুরাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ এবং আমি আশা করি তারা বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ে তুলবে।’

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি ট্রাস্ট জাতির পিতার ৯৬, ৯৭ ও ৯৮তম জন্মদিন উপলক্ষে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।

ট্রাস্টের চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা শিক্ষার উন্নয়নে তার সরকারের গৃহীত পদক্ষেপসমূহ তুলে ধরে বলেন, ‘দেশকে এগিয়ে নিতে এবং আগামী প্রজন্ম যাতে দেশের সুশিক্ষিত নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে পারে সেজন্য আমরা শিক্ষার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা চাই সকল শিশু তাদের শিক্ষা অব্যাহত রাখুক। আর তাই আমরা প্রাক-প্রাথমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ করছি এবং তাদের বৃত্তি ও উপবৃত্তি দিচ্ছি।’

তার সরকার বঙ্গবন্ধুর পদাঙ্ক অনুসরণ করে ২৬ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা শিক্ষার উন্নয়নে দেশের প্রতিটি উপজেলায় সরকারি কলেজ ও স্কুল প্রতিষ্ঠা করছি।’

বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর ছয় বছরের শরণার্থী জীবনের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই সময় তিনি এবং তার বোনকে দেশে আসতে দেয়া হয়নি।

তিনি বলেন, ‘অনেক বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে যখন আমরা দেশে আসলাম তখন আমাদের ঐতিহাসিক ধানমণ্ডি ৩২ এর বাড়িতে ঢুকতে দেয়া হয়নি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা ধানমণ্ডির বাড়িকে বঙ্গবন্ধু জাদুঘরে পরিণত করেছেন এবং জাতির পিতার নামে একটি স্ট্রাস্ট গঠন করেছেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা এই ফান্ড থেকে ১৭শ’ দরিদ্র অথচ মেধাবী শিশুকে বৃত্তি দিচ্ছি এবং ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলায় হতাহতদের সহায়তা দিচ্ছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার শিশুদের গান ও চিত্রাঙ্কনের মত খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে উৎসাহ দিচ্ছে যাতে তাদের মেধা ও চিন্তা-চেতনা সঠিকভাবে বিকশিত হয়।

বাংলাদেশকে ২০২১ সালের মধ্যে একটি মধ্য আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে একটি সমৃদ্ধ ও উন্নত দেশে পরিণত করার সংকল্প পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘আগামী শতাব্দীতে বাংলাদেশকে সবচেয়ে উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে এবং আগামী প্রজন্মকে একটি সমৃদ্ধ ও সুন্দর জীবন উপহার দিতে আমরা বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০ প্রণয়ন করেছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার ২০২০-২১ সালকে মুজিব বর্ষ ঘোষণা করেছে এবং এই বর্ষকে যথাযথ মর্যাদায় উদযাপন করার প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করতে সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের সভাপতি শিল্পী হাশেম খান, স্বাগত বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু স্মৃতি স্ট্রাস্টের সদস্য সচিব শেখ হাফিজুর রহমান। স্মৃতি স্ট্রাস্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাশুরা হোসেন ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমীন চৌধুরী, মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, সংসদ সদস্য এবং বেসামরিক ও সামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার ও সনদ বিতরণ করেন।