ঢাকা ০২:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম, হচ্ছে এসআইএফ একাত্তর আমাদের অস্তিত্ব, একটি গোষ্ঠী সেটিকে পেছনে ফেলতে চায়: মির্জা ফখরুল জাপানে ভারি তুষারপাতে ৩০ জনের প্রাণহানি রমজানে সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রি করবে সরকার জামায়াত ক্ষমতায় আসলে আবার নতুন করে ফ্যাসিবাদের আবির্ভাব হবে: রিজভী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা:স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা সব ধর্ম নিয়ে ফুলের বাগানের মতো দেশ সাজাবো ইনশাআল্লাহ: জামায়াত আমির জামায়াত চাঁদা নিলে হাদিয়া, অন্যরা নিলে চাঁদাবাজি : বুলু রাজধানীর মানিকনগরে নারী ব্যাংকারের বাসায় ২৭ লাখ টাকার স্বর্ণাালঙ্কার চুরি, গ্রেফতার ২ ঘুষ গ্রহণের দায়ে চীনের সাবেক মন্ত্রীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

চোখের জ্যোতি নিভে যাবে বাপ্পীর?

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চলাকালে গুজব ছড়িয়ে আওয়ামী লীগের ধানমন্ডি কার্যালয়ে হামলার সময় বাম চোখে আঘাত পাওয়া স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা শেখ আরাফাত বাপ্পী এখনও কিছু দেখতে পারছেন না। দেশের পাশাপাশি বিদেশের ডাক্তাররাও ভালো করতে পারেননি তার চোখ।

চারটি অপারেশনের পর অবশ্য ভরসা দিচ্ছেন চিকিৎসকরা, যদিও সেটা অনিশ্চিত। তবে সে জন্য অপেক্ষায় থাকতে হবে আরও কয়েক মাস। সংশয় আর আশা নিয়েই একেকটি দিন পার করেন বাপ্পী। আর ভাবেন তিনি আবার দেখতে পারবেন।

গত ৪ আগস্ট চোখে আঘাত পাওয়ার পর জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে ভর্তি হন বাপ্পী। গত ২০ আগস্ট তিনি ভারতের চেন্নাইয়ের বিখ্যাত চক্ষু চিকিৎসালয় শংকর নেত্রালয়ে যান। সেখানে একমাস চিকিৎসার পর আবার ফিরে আসেন দেশে। ৫ অক্টোবর আবার তিন দিনের জন্য চিকিৎসা নিতে যান।

নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে অন্য গোষ্ঠী ঢুকে পড়ার পর চার আগস্ট কাটে নানামুখী সহিংসতায়। হঠাৎ ফেসবুকে একের পর এক মিথ্যা পোস্ট আসতে থাকে। কেউ লাইভে এসে, কেউ সাক্ষাৎকারের মতো তৈরি করে দাবি করতে থাকে ধানমন্ডি ৩/এ তে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে চারজন ছাত্রকে হত্যা করা হয়েছে, ধর্ষণও হয়েছে।

মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়ে উত্তেজনা। শত শত ছাত্র ছুটে আসতে থাকে এই কার্যালয় অভিমুখে। ছোড়া হতে থাকে পাথরের টুকরো, যা ছিল তাদের ব্যাগের ভেতরে।

যেসব পাথর ছোড়া হয়েছে, সেগুলো আশেপাশের কোথাও থেকে আনা হয়নি, কারণ, এগুলো ব্যবহার করে কোনো নির্মাণ কাজ সেখানে হচ্ছিল না। আবার স্কুল-কলেজের পোশাকধারীদের আচরণ, তাদের কথাবার্তা বা শারীরিক গঠন ঠিক এই বয়সীদের মতো না।

তাদের সঙ্গে সংঘর্ষ বাধে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের। রক্ত ঝরে দুই পক্ষেই। ক্ষমতাসীন দল জানাচ্ছে তাদের ৪৬ জন নেতা-কর্মী চিকিৎসা নিতে বাধ্য হয়েছে হাসপাতালে। এদের একজন বাপ্পী যাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠাতে হচ্ছে বিদেশে।

হাজারীবাগ থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের দপ্তর সম্পাদকের পদে থাকা এই রাজনৈতিক কর্মী ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘এখনও চোখে দেখতে পাচ্ছি না। দুই তিনমাস পর একটু দেখতে পারব হয়ত। ভারত গিয়ে এরই মধ্যে চোখে চারটি অপারেশন হয়েছে। ডিসেম্বরে আরো একটা অপারেশন করাতে হবে। চিকিৎসকরা বলেছে বেড রেস্টে থাকতে হবে। কোন ভাবে চোখে ময়লা জাতীয় কিছু না যায়।’

‘বর্তমানে চক্ষু বিজ্ঞানে ডাক্তার দেখাচ্ছি। সেখানকার ডাক্তারা বলেছে চোখের ভেতরের ঘা শুকায়নি; কয়েকদিন সময় লাগবে।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই বাপ্পীর চিকিৎসার সব খরচ বহন করছেন। স্থানীয় সংসদ সদস্য ফজলে নূর তাপসও নিয়মিত খোঁজ খবর নেন।

চোখে দেখতে পান না বলে পরিবারের আয়ের একমাত্র উৎস ব্যবসাটাও বন্ধ হয়ে গেছে।

-‘সেদিন কী হয়েছিল?’

-বাপ্পী বলেন, ‘ধানমন্ডির পার্টি অফিসের সামনে নেতাকর্মীদের সাথে দাঁড়িয়েছিলাম। হঠাৎ গুজব ছড়ায় পার্টি অফিসে কয়েকজন ছাত্রকে ধরে আনা হয়েছে এবং চারজন ছাত্রীকে ধর্ষণ করা হয়েছে। এই গুজবে শিক্ষার্থীরা আমাদের উপর চড়াও হয়ে ওঠে।’

‘পরে আমিসহ কয়েকজন ছাত্রলীগ নেতা সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছে গিয়ে তাদেরকে বুঝিয়ে রাস্তায় বসাই। বলি তোমাদের তো সরকারের সাথে বিরোধ নাই। বিরোধ হতে পারে বাস মালিক ও বাসের চালক-হেলপারের সাথে। সরকার তোমাদের সব দাবি মেনে নিয়েছে। আমরা তোমাদের সাথে আন্দোলনের শুরু থেকে আছি।’

‘সাধারণ ছাত্ররা আমাদের কথায় আশ্বস্ত হয়। তাদেরকে বলি, তোমরা কয়েকজন পার্টি অফিসের ভেতরে চলো। তোমাদের কোনো শিক্ষার্থীকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে নাকি দেখে আসবে। তারা রাজিও হয়। কিন্তু হঠাৎই পেছন থেকে বৃষ্টির মতো আমাদের উপর ইট বার পাথর নিক্ষেপ করা হতে থাকে।’

‘সে সময় আমার বাম চোখে একটি টুকরো এসে লাগলে আমি রাস্তায় পরে যাই। ছাত্রলীগের আরেক নেতাকে আমার সামনে রড দিয়ে একটি আঘাত করা হয়। সাথে সাথে সেও মাটিতে পরে যায়।’

-কীভাবে সেখান থেকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছিল?

‘যতটুকু জানি তাৎক্ষণিক সাধারণ ছাত্ররাই আমাদের সেখান থেকে উদ্ধার করে জাপান-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে চোখ দিয়ে কোনরকম রক্ত বন্ধ হলে আমাকে ধানমন্ডি ২৭ নম্বরের আই হাসপাতালে এবং পরে জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইন্সটিটিউটে নেওয়া হয়।’

সেখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেখতে যান বাপ্পীকে।

-‘তিনি (শেখ হাসিনা) হাসপাতালে এসে ১৫ মিনিট মত আমার সাথে কথা বলেছেন। এখন ভারতের চেন্নাই চিকিৎসার জন্য যেতে হবে’-বলেন বাপ্পী।

‘দলের জন্য চোখ হারালেও এখন আফসোস নেই। কারণ, বিএনপি-জামায়াত ষড়যন্ত্র করেছিল এই আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারের পতন ঘটাবে। তারা চেয়েছিল শুধু একটি লাশ।’

‘মাঠে যখন সাধারণ ছাত্রদের সাথে ছিলাম তাদের বোঝাতাম, তখন দেখতাম স্কুল ড্রেস পরা সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে ছদ্মবেশে ছাত্রশিবির ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা মিশে আছে। তারা সব সময় চাইত এক-দুইটা ছাত্রের লাশ পড়ুক। যাতে তাদের আন্দোলন সফল হয়।’

‘আমিসহ যেসব নেতাকর্মী আহত হয়েছি তাদের বিনিময়ে যদি সরকার বড় ধরনের অঘটন থেকে রক্ষা পেয়েছে। এটাকেই বড় অর্জন দেখছি’-বলেন আওয়ামী লীগ অন্তঃপ্রাণ বাপ্পী।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপের ৪ দিন আগে দল ঘোষণা করল শ্রীলঙ্কা

চোখের জ্যোতি নিভে যাবে বাপ্পীর?

আপডেট সময় ০১:৪৬:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চলাকালে গুজব ছড়িয়ে আওয়ামী লীগের ধানমন্ডি কার্যালয়ে হামলার সময় বাম চোখে আঘাত পাওয়া স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা শেখ আরাফাত বাপ্পী এখনও কিছু দেখতে পারছেন না। দেশের পাশাপাশি বিদেশের ডাক্তাররাও ভালো করতে পারেননি তার চোখ।

চারটি অপারেশনের পর অবশ্য ভরসা দিচ্ছেন চিকিৎসকরা, যদিও সেটা অনিশ্চিত। তবে সে জন্য অপেক্ষায় থাকতে হবে আরও কয়েক মাস। সংশয় আর আশা নিয়েই একেকটি দিন পার করেন বাপ্পী। আর ভাবেন তিনি আবার দেখতে পারবেন।

গত ৪ আগস্ট চোখে আঘাত পাওয়ার পর জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে ভর্তি হন বাপ্পী। গত ২০ আগস্ট তিনি ভারতের চেন্নাইয়ের বিখ্যাত চক্ষু চিকিৎসালয় শংকর নেত্রালয়ে যান। সেখানে একমাস চিকিৎসার পর আবার ফিরে আসেন দেশে। ৫ অক্টোবর আবার তিন দিনের জন্য চিকিৎসা নিতে যান।

নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে অন্য গোষ্ঠী ঢুকে পড়ার পর চার আগস্ট কাটে নানামুখী সহিংসতায়। হঠাৎ ফেসবুকে একের পর এক মিথ্যা পোস্ট আসতে থাকে। কেউ লাইভে এসে, কেউ সাক্ষাৎকারের মতো তৈরি করে দাবি করতে থাকে ধানমন্ডি ৩/এ তে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে চারজন ছাত্রকে হত্যা করা হয়েছে, ধর্ষণও হয়েছে।

মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়ে উত্তেজনা। শত শত ছাত্র ছুটে আসতে থাকে এই কার্যালয় অভিমুখে। ছোড়া হতে থাকে পাথরের টুকরো, যা ছিল তাদের ব্যাগের ভেতরে।

যেসব পাথর ছোড়া হয়েছে, সেগুলো আশেপাশের কোথাও থেকে আনা হয়নি, কারণ, এগুলো ব্যবহার করে কোনো নির্মাণ কাজ সেখানে হচ্ছিল না। আবার স্কুল-কলেজের পোশাকধারীদের আচরণ, তাদের কথাবার্তা বা শারীরিক গঠন ঠিক এই বয়সীদের মতো না।

তাদের সঙ্গে সংঘর্ষ বাধে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের। রক্ত ঝরে দুই পক্ষেই। ক্ষমতাসীন দল জানাচ্ছে তাদের ৪৬ জন নেতা-কর্মী চিকিৎসা নিতে বাধ্য হয়েছে হাসপাতালে। এদের একজন বাপ্পী যাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠাতে হচ্ছে বিদেশে।

হাজারীবাগ থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের দপ্তর সম্পাদকের পদে থাকা এই রাজনৈতিক কর্মী ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘এখনও চোখে দেখতে পাচ্ছি না। দুই তিনমাস পর একটু দেখতে পারব হয়ত। ভারত গিয়ে এরই মধ্যে চোখে চারটি অপারেশন হয়েছে। ডিসেম্বরে আরো একটা অপারেশন করাতে হবে। চিকিৎসকরা বলেছে বেড রেস্টে থাকতে হবে। কোন ভাবে চোখে ময়লা জাতীয় কিছু না যায়।’

‘বর্তমানে চক্ষু বিজ্ঞানে ডাক্তার দেখাচ্ছি। সেখানকার ডাক্তারা বলেছে চোখের ভেতরের ঘা শুকায়নি; কয়েকদিন সময় লাগবে।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই বাপ্পীর চিকিৎসার সব খরচ বহন করছেন। স্থানীয় সংসদ সদস্য ফজলে নূর তাপসও নিয়মিত খোঁজ খবর নেন।

চোখে দেখতে পান না বলে পরিবারের আয়ের একমাত্র উৎস ব্যবসাটাও বন্ধ হয়ে গেছে।

-‘সেদিন কী হয়েছিল?’

-বাপ্পী বলেন, ‘ধানমন্ডির পার্টি অফিসের সামনে নেতাকর্মীদের সাথে দাঁড়িয়েছিলাম। হঠাৎ গুজব ছড়ায় পার্টি অফিসে কয়েকজন ছাত্রকে ধরে আনা হয়েছে এবং চারজন ছাত্রীকে ধর্ষণ করা হয়েছে। এই গুজবে শিক্ষার্থীরা আমাদের উপর চড়াও হয়ে ওঠে।’

‘পরে আমিসহ কয়েকজন ছাত্রলীগ নেতা সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছে গিয়ে তাদেরকে বুঝিয়ে রাস্তায় বসাই। বলি তোমাদের তো সরকারের সাথে বিরোধ নাই। বিরোধ হতে পারে বাস মালিক ও বাসের চালক-হেলপারের সাথে। সরকার তোমাদের সব দাবি মেনে নিয়েছে। আমরা তোমাদের সাথে আন্দোলনের শুরু থেকে আছি।’

‘সাধারণ ছাত্ররা আমাদের কথায় আশ্বস্ত হয়। তাদেরকে বলি, তোমরা কয়েকজন পার্টি অফিসের ভেতরে চলো। তোমাদের কোনো শিক্ষার্থীকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে নাকি দেখে আসবে। তারা রাজিও হয়। কিন্তু হঠাৎই পেছন থেকে বৃষ্টির মতো আমাদের উপর ইট বার পাথর নিক্ষেপ করা হতে থাকে।’

‘সে সময় আমার বাম চোখে একটি টুকরো এসে লাগলে আমি রাস্তায় পরে যাই। ছাত্রলীগের আরেক নেতাকে আমার সামনে রড দিয়ে একটি আঘাত করা হয়। সাথে সাথে সেও মাটিতে পরে যায়।’

-কীভাবে সেখান থেকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছিল?

‘যতটুকু জানি তাৎক্ষণিক সাধারণ ছাত্ররাই আমাদের সেখান থেকে উদ্ধার করে জাপান-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে চোখ দিয়ে কোনরকম রক্ত বন্ধ হলে আমাকে ধানমন্ডি ২৭ নম্বরের আই হাসপাতালে এবং পরে জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইন্সটিটিউটে নেওয়া হয়।’

সেখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেখতে যান বাপ্পীকে।

-‘তিনি (শেখ হাসিনা) হাসপাতালে এসে ১৫ মিনিট মত আমার সাথে কথা বলেছেন। এখন ভারতের চেন্নাই চিকিৎসার জন্য যেতে হবে’-বলেন বাপ্পী।

‘দলের জন্য চোখ হারালেও এখন আফসোস নেই। কারণ, বিএনপি-জামায়াত ষড়যন্ত্র করেছিল এই আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারের পতন ঘটাবে। তারা চেয়েছিল শুধু একটি লাশ।’

‘মাঠে যখন সাধারণ ছাত্রদের সাথে ছিলাম তাদের বোঝাতাম, তখন দেখতাম স্কুল ড্রেস পরা সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে ছদ্মবেশে ছাত্রশিবির ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা মিশে আছে। তারা সব সময় চাইত এক-দুইটা ছাত্রের লাশ পড়ুক। যাতে তাদের আন্দোলন সফল হয়।’

‘আমিসহ যেসব নেতাকর্মী আহত হয়েছি তাদের বিনিময়ে যদি সরকার বড় ধরনের অঘটন থেকে রক্ষা পেয়েছে। এটাকেই বড় অর্জন দেখছি’-বলেন আওয়ামী লীগ অন্তঃপ্রাণ বাপ্পী।