ঢাকা ০২:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

সাত বছরের শিশুর ওপর ‘শিক্ষিকা’র বর্বরতা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

সাত বছরের এক ছাত্রীর হাতে তেলসহ গরম খুন্তির ছ্যাকা দিয়ে দুই হাতের আঙ্গুল পুড়িয়ে দিয়েছে এক পাষণ্ড শিক্ষিকা। ঘটনাটি ঘটেছে যশোর জেলার বাঘারপাড়া উপজেলার মাহমুদপুরের শিকড়েডাঙ্গায়।

জানা গেছে, নিজের বাড়িতেই মাদ্রাসা খুলে বসেছেন শিকড়েডাঙ্গা গ্রামের ওসমানের স্ত্রী হাবিবা। সেই মাদ্রাসায় একই গ্রামের জামাল খাঁনের মেয়ে তামিমা (৭) হাবিবার কাছে কোরআন পড়া শিখে। আরো কয়েকজন ছোট মেয়েকে বাড়িতে রেখে কোরআন শেখায় হাবিবা। বস্তুত এসব শিশুদের দিয়ে বাড়ির কাজ করানোসহ নিজের বাচ্চাকেও দেখাশুনা করায় হাবিবা। গত বুধবার বিকেলে কোরআন ছিড়ে ফেলেছে এমন অভিযোগে খুন্তিতে তেল লাগিয়ে গরম করে তামিমার দুই হাতে চেপে ধরে ওই কথিত শিক্ষিকা।

বুধবার তামিমাকে খাবার দিতে গেলে তার ভাই সাকিব (১৩) কে তার সঙ্গে দেখা করতে দেয়নি হাবিবা। শুক্রবার ছুটির দিন থাকায় বৃহস্পতিবার বিকেলে তাকে আনতে গেলে হাবিবা তাকে বাড়ি পাঠাতে অস্বীকার করে। পরে দেখা যায় যে তামিমার দুই হাতের পাঁচটি আঙুল পোড়ানো ও ঝলসানো। পরে দ্রুত তাকে বাঘারপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়।

তামিমার বাবা জামাল খাঁন বলেন, তামিমা নাকি কখন কোরআন শরিফ ছিড়ে ফেলেছে। পরে বুধবার বিকেলে যখন ওরা উঠানে খেলছিলো তখন ওই মহিলা খুন্তিতে তেল নিয়ে গরম করে তামিমাকে ডাক দেয়। পরে অন্য মেয়েদের দিয়ে ওকে শক্ত করে ধরে দুই হাতের আঙুলে গরম খুন্তি চেপে ধরে।

এ ঘটনা সম্পর্কে বাসুয়াড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবু সাঈদ সরদার বলেন, বিষয়টি আমি জেনেছি। এটা অত্যন্ত দু:খজনক ঘটনা। এই ঘটনায় যথাযথ আইনি সহায়তার জন্য আমি সবধরনের সহযোগিতা করব।

এ বিষয়ে বাঘারপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন বলেন, গতকাল রাতে মেয়েটিকে থানায় এনেছিলো তার পরিবার। আমি পুলিশ দিয়ে মেয়েটিকে হাসপাতালে পাঠিয়ে চিকিতসার ব্যবস্থা করেছি। অভিযোগ দিতে বলেছি। অভিযোগ দিলেই ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

সাত বছরের শিশুর ওপর ‘শিক্ষিকা’র বর্বরতা

আপডেট সময় ০১:৪০:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

সাত বছরের এক ছাত্রীর হাতে তেলসহ গরম খুন্তির ছ্যাকা দিয়ে দুই হাতের আঙ্গুল পুড়িয়ে দিয়েছে এক পাষণ্ড শিক্ষিকা। ঘটনাটি ঘটেছে যশোর জেলার বাঘারপাড়া উপজেলার মাহমুদপুরের শিকড়েডাঙ্গায়।

জানা গেছে, নিজের বাড়িতেই মাদ্রাসা খুলে বসেছেন শিকড়েডাঙ্গা গ্রামের ওসমানের স্ত্রী হাবিবা। সেই মাদ্রাসায় একই গ্রামের জামাল খাঁনের মেয়ে তামিমা (৭) হাবিবার কাছে কোরআন পড়া শিখে। আরো কয়েকজন ছোট মেয়েকে বাড়িতে রেখে কোরআন শেখায় হাবিবা। বস্তুত এসব শিশুদের দিয়ে বাড়ির কাজ করানোসহ নিজের বাচ্চাকেও দেখাশুনা করায় হাবিবা। গত বুধবার বিকেলে কোরআন ছিড়ে ফেলেছে এমন অভিযোগে খুন্তিতে তেল লাগিয়ে গরম করে তামিমার দুই হাতে চেপে ধরে ওই কথিত শিক্ষিকা।

বুধবার তামিমাকে খাবার দিতে গেলে তার ভাই সাকিব (১৩) কে তার সঙ্গে দেখা করতে দেয়নি হাবিবা। শুক্রবার ছুটির দিন থাকায় বৃহস্পতিবার বিকেলে তাকে আনতে গেলে হাবিবা তাকে বাড়ি পাঠাতে অস্বীকার করে। পরে দেখা যায় যে তামিমার দুই হাতের পাঁচটি আঙুল পোড়ানো ও ঝলসানো। পরে দ্রুত তাকে বাঘারপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়।

তামিমার বাবা জামাল খাঁন বলেন, তামিমা নাকি কখন কোরআন শরিফ ছিড়ে ফেলেছে। পরে বুধবার বিকেলে যখন ওরা উঠানে খেলছিলো তখন ওই মহিলা খুন্তিতে তেল নিয়ে গরম করে তামিমাকে ডাক দেয়। পরে অন্য মেয়েদের দিয়ে ওকে শক্ত করে ধরে দুই হাতের আঙুলে গরম খুন্তি চেপে ধরে।

এ ঘটনা সম্পর্কে বাসুয়াড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবু সাঈদ সরদার বলেন, বিষয়টি আমি জেনেছি। এটা অত্যন্ত দু:খজনক ঘটনা। এই ঘটনায় যথাযথ আইনি সহায়তার জন্য আমি সবধরনের সহযোগিতা করব।

এ বিষয়ে বাঘারপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন বলেন, গতকাল রাতে মেয়েটিকে থানায় এনেছিলো তার পরিবার। আমি পুলিশ দিয়ে মেয়েটিকে হাসপাতালে পাঠিয়ে চিকিতসার ব্যবস্থা করেছি। অভিযোগ দিতে বলেছি। অভিযোগ দিলেই ব্যবস্থা নেয়া হবে।