ঢাকা ০৮:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বুকে ব্যথার কারণ জানতে বিএসএমএমইউতে খালেদা জিয়ার সিটিস্ক্যান

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বুকে ব্যথা অনুভব করায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সিটি স্ক্যান করা হয়েছে।

বুধবার বেলা আড়ইটার দিকে হাসপাতালের চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে তার সিটি স্ক্যান সম্পন্ন হয়। খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের প্রধান অধ্যাপক ডা. আব্দুল জলিল চৌধুরী এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পরিচায় প্রকাশে অনিচ্ছুক হাসপাতালের এক চিকিৎসক যুগান্তরকে জানান, খালেদা জিয়ার মূলত বুকের সিটিস্ক্যান করা হয়েছে। এটাকে এইচআর সিটি চেষ্টা বলা হয়। সাধারণত ফুসফুসে পানি জমেছে কিনা, অ্যাজমা বা হাঁপানি জাতীয় সমস্যা আছে কিনা বা বুকে অন্য কোনো সমস্যা হয়েছে কিনা সেটি নিশ্চিত হওয়ার জন্য এ পরীক্ষা করা হয়ে থাকে। তিনি বুকে ব্যথা অনুভব করায় চিকিৎসকরা তার এইচআর সিটি চেষ্টা করার সিদ্ধান্ত নেন।

এ প্রসঙ্গে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার আব্দুল্লাহ আল হারুণ বলেন, হাসপাতালের চিকিৎসকরা নিয়মিত খালেদা জিয়াকে দেখতে যান। তিনি বুকে ব্যথার কথা বলায় চিকিৎসকরা সিটিস্ক্যান করার সিদ্ধান্ত নেন।

তিনি বলেন, তার শারীরিক অবস্থার কোন অবনতি হয়নি বরং স্থিতিশীল রয়েছে। তবে সিটিস্ক্যান করে কি রিপোর্ট পাওয়া গেছে সে বিষয়ে বলতে পারেনি তিনি।

তবে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) মহাসচিব ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন অভিযোগ করে বলেন, খালেদা জিয়ার সিটিস্ক্যান করার সময় সেখানকার দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. নজরুল ইসলামকে সরিয়ে দিয়ে পছন্দমতো চিকিৎসক দিয়ে সিটিস্ক্যান করানো হয়েছে। তার চিকিৎসায় কঠোর গোপনীয়তা রক্ষা করা হচ্ছে। এমনকি তার কোনো আত্মীয়ের সঙ্গে দেখা করতে দেয়া হচ্ছে না। এতে তার মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটতে পারে।

প্রসঙ্গত, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় গত ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডাদেশ প্রদান করেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫। সেই থেকে খালেদা জিয়া নাজিমুদ্দিন রোডের কেন্দ্রীয় কারাগারে অন্তরীণ ছিলেন।

পরে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে উন্নত চিকিৎসার জন্য আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ৬ অক্টোবর বিএসএমএমইউর ৬১১-১২ কেবিনে ভর্তি করা হয়। তিনি বর্তমানে সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ভর্তির আগে তার চিকিৎসায় ৫ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। ১০ অক্টোবর মেডিকেল বোর্ড খালেদা জিয়ার চিকিৎসা শুরু করেন। চিকিৎসা শুরুর পর থেকে তার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ড এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কঠোর গোপনীয়তা অবলম্বন করছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

বুকে ব্যথার কারণ জানতে বিএসএমএমইউতে খালেদা জিয়ার সিটিস্ক্যান

আপডেট সময় ০৮:৫৭:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বুকে ব্যথা অনুভব করায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সিটি স্ক্যান করা হয়েছে।

বুধবার বেলা আড়ইটার দিকে হাসপাতালের চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে তার সিটি স্ক্যান সম্পন্ন হয়। খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের প্রধান অধ্যাপক ডা. আব্দুল জলিল চৌধুরী এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পরিচায় প্রকাশে অনিচ্ছুক হাসপাতালের এক চিকিৎসক যুগান্তরকে জানান, খালেদা জিয়ার মূলত বুকের সিটিস্ক্যান করা হয়েছে। এটাকে এইচআর সিটি চেষ্টা বলা হয়। সাধারণত ফুসফুসে পানি জমেছে কিনা, অ্যাজমা বা হাঁপানি জাতীয় সমস্যা আছে কিনা বা বুকে অন্য কোনো সমস্যা হয়েছে কিনা সেটি নিশ্চিত হওয়ার জন্য এ পরীক্ষা করা হয়ে থাকে। তিনি বুকে ব্যথা অনুভব করায় চিকিৎসকরা তার এইচআর সিটি চেষ্টা করার সিদ্ধান্ত নেন।

এ প্রসঙ্গে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার আব্দুল্লাহ আল হারুণ বলেন, হাসপাতালের চিকিৎসকরা নিয়মিত খালেদা জিয়াকে দেখতে যান। তিনি বুকে ব্যথার কথা বলায় চিকিৎসকরা সিটিস্ক্যান করার সিদ্ধান্ত নেন।

তিনি বলেন, তার শারীরিক অবস্থার কোন অবনতি হয়নি বরং স্থিতিশীল রয়েছে। তবে সিটিস্ক্যান করে কি রিপোর্ট পাওয়া গেছে সে বিষয়ে বলতে পারেনি তিনি।

তবে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) মহাসচিব ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন অভিযোগ করে বলেন, খালেদা জিয়ার সিটিস্ক্যান করার সময় সেখানকার দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. নজরুল ইসলামকে সরিয়ে দিয়ে পছন্দমতো চিকিৎসক দিয়ে সিটিস্ক্যান করানো হয়েছে। তার চিকিৎসায় কঠোর গোপনীয়তা রক্ষা করা হচ্ছে। এমনকি তার কোনো আত্মীয়ের সঙ্গে দেখা করতে দেয়া হচ্ছে না। এতে তার মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটতে পারে।

প্রসঙ্গত, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় গত ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডাদেশ প্রদান করেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫। সেই থেকে খালেদা জিয়া নাজিমুদ্দিন রোডের কেন্দ্রীয় কারাগারে অন্তরীণ ছিলেন।

পরে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে উন্নত চিকিৎসার জন্য আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ৬ অক্টোবর বিএসএমএমইউর ৬১১-১২ কেবিনে ভর্তি করা হয়। তিনি বর্তমানে সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ভর্তির আগে তার চিকিৎসায় ৫ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। ১০ অক্টোবর মেডিকেল বোর্ড খালেদা জিয়ার চিকিৎসা শুরু করেন। চিকিৎসা শুরুর পর থেকে তার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ড এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কঠোর গোপনীয়তা অবলম্বন করছে।