ঢাকা ১০:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নতুন বিনিয়োগ আনতে ২৭ দেশে আন্তর্জাতিক মেলায় অংশ নেবে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এই প্রজন্ম হারিয়ে ফেললে জাতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী সব মামলায় জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিদায়ী নৌপ্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আইন-বিধি সংশোধন প্রস্তাব চূড়ান্ত, যাচ্ছে মন্ত্রণালয়ে বিএফটিআই হবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য গবেষণার জাতীয় থিংক ট্যাংক : বাণিজ্যমন্ত্রী ইতালির স্বপ্ন দেখিয়ে লিবিয়ায় নির্যাতন, মাদারীপুরে প্রতারণার শিকার অর্ধশতাধিক যুবক আবাসিক হোটেলে স্ত্রী হত্যা: স্বামীর যাবজ্জীবন দলের দুঃসময়ের ত্যাগীদের মূল্যায়নের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার শিখিয়ে শিশু-কিশোরদের ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করতে হবে : ববি হাজ্জাজ

ভারতের পাশে থাকার ইঙ্গিত ব্রিটেনের

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ডোকালাম বিতর্কে ভারতের পাশেই থাকতে চলেছে ব্রিটেন। ভারতের স্বাধীনতা দিবসে সাংবাদিকদের এক অনুষ্ঠানে এসে এমনই মন্তব্য করেছেন ব্রিটেনের বিদেশমন্ত্রী বরিস জনসন।

১৯৪৭ সালের মে মাসে লন্ডনে স্থাপিত হয় ইন্ডিয়ান জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের। চলতি বছরে সেই সংস্থাও ৭০ বছর অতিক্রম করেছে। স্বদেশের স্বাধীনতা দিবসে ব্রিটেনের বিদেশমন্ত্রীকে আহ্বান জানিয়েছিল ইন্ডিয়ান জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন। সেই অনুষ্ঠানে বরিস জনসন বলেন, `চীনের উপর প্রভাব বিস্তার করতে এবং সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভারতের সঙ্গে সহযোগিতা করা উচিত।

উত্তর কোরিয়াকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে চীনের উপর প্রভাব বিস্তার করতে ভারতের পাশে থাকার গুরুত্বের কথা বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা জনসন। চীন যাতে উত্তর কোরিয়ার উপর আর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করে পরমাণু অস্ত্র প্রয়োগ না করতে পারে, সেই উদ্যোগ নেওয়ার কথাই বলেছেন তিনি। যদিও এই বিষয়ে আমেরিকার মতামতকে অধিক গুরুত্ব দিতে নারাজ জনসন।

তার কথায়, `হোয়াইট হাউজ কী বলছে, সেটা গুরুত্ব দেওয়ার কোনও দরকার নেই। বরং আমাদের উচিত বর্তমান সমস্যার মূল কারণের উপর নজর দেওয়া। ভুলে গেলে চলবে না, উত্তর কোরিয়া ক্রমাগত পারমাণবিক আক্রমণের হুমকি দিচ্ছে। সমগ্র এশিয়া মহাদেশের স্থিতিশীলতা, নিরাপত্তা ও শান্তি রক্ষার জন্য ব্রিটেনের উচিত ভারতের হাত শক্ত করা। ` ভারতের সঙ্গে ব্রিটেনের বাণিজ্যিক এবং সাংস্কৃতিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করার পক্ষেও সওয়াল করেছেন বরিস জনসন।

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের স্ত্রী মারিনার মা পঞ্জাবি। সেই কারণে ওই দেশের প্রবাসী ভারতীয়দের কাছে বিদেশমন্ত্রী `ভারতের জামাই` হিসেবেই পরিচিত। উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ইন্ডিয়ান জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট আশিস রায়, লেবার পার্টির প্রতিনিধি এমরি স্টিফেন পাউন্ড এবং ব্রিটেনে ভারতের দূত ওয়াই কে সিনহা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মোদি সরকার বিরোধী আন্দোলনে বিক্ষোভকারীদের পাশে এবার বলিউড তারকারা

ভারতের পাশে থাকার ইঙ্গিত ব্রিটেনের

আপডেট সময় ০৮:৩২:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ডোকালাম বিতর্কে ভারতের পাশেই থাকতে চলেছে ব্রিটেন। ভারতের স্বাধীনতা দিবসে সাংবাদিকদের এক অনুষ্ঠানে এসে এমনই মন্তব্য করেছেন ব্রিটেনের বিদেশমন্ত্রী বরিস জনসন।

১৯৪৭ সালের মে মাসে লন্ডনে স্থাপিত হয় ইন্ডিয়ান জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের। চলতি বছরে সেই সংস্থাও ৭০ বছর অতিক্রম করেছে। স্বদেশের স্বাধীনতা দিবসে ব্রিটেনের বিদেশমন্ত্রীকে আহ্বান জানিয়েছিল ইন্ডিয়ান জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন। সেই অনুষ্ঠানে বরিস জনসন বলেন, `চীনের উপর প্রভাব বিস্তার করতে এবং সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভারতের সঙ্গে সহযোগিতা করা উচিত।

উত্তর কোরিয়াকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে চীনের উপর প্রভাব বিস্তার করতে ভারতের পাশে থাকার গুরুত্বের কথা বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা জনসন। চীন যাতে উত্তর কোরিয়ার উপর আর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করে পরমাণু অস্ত্র প্রয়োগ না করতে পারে, সেই উদ্যোগ নেওয়ার কথাই বলেছেন তিনি। যদিও এই বিষয়ে আমেরিকার মতামতকে অধিক গুরুত্ব দিতে নারাজ জনসন।

তার কথায়, `হোয়াইট হাউজ কী বলছে, সেটা গুরুত্ব দেওয়ার কোনও দরকার নেই। বরং আমাদের উচিত বর্তমান সমস্যার মূল কারণের উপর নজর দেওয়া। ভুলে গেলে চলবে না, উত্তর কোরিয়া ক্রমাগত পারমাণবিক আক্রমণের হুমকি দিচ্ছে। সমগ্র এশিয়া মহাদেশের স্থিতিশীলতা, নিরাপত্তা ও শান্তি রক্ষার জন্য ব্রিটেনের উচিত ভারতের হাত শক্ত করা। ` ভারতের সঙ্গে ব্রিটেনের বাণিজ্যিক এবং সাংস্কৃতিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করার পক্ষেও সওয়াল করেছেন বরিস জনসন।

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের স্ত্রী মারিনার মা পঞ্জাবি। সেই কারণে ওই দেশের প্রবাসী ভারতীয়দের কাছে বিদেশমন্ত্রী `ভারতের জামাই` হিসেবেই পরিচিত। উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ইন্ডিয়ান জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট আশিস রায়, লেবার পার্টির প্রতিনিধি এমরি স্টিফেন পাউন্ড এবং ব্রিটেনে ভারতের দূত ওয়াই কে সিনহা।