ঢাকা ০৯:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায় পটুয়াখালীতে দুই বান্ধবীকে ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার ধর্ষকের মা সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে জরুরি নির্দেশনা শিশু পানিতে পড়লেই বাজবে সাইরেন, কল যাবে ফোনে,দাবি ভোলার তরুণ উদ্ভাবকএর আমেরিকার উস্কানিতে ইরানে বিক্ষোভ : মাসুদ পেজেশকিয়ান আমার মনোনয়ন বাতিল করার কোনো কারণ ছিল না: মাহমুদুর রহমান মান্না ব্রিটিশ সরকারকে ‘ফ্যাসিস্ট’ আখ্যা দিলেন ইলন মাস্ক ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনে বাণিজ্যে প্রভাব পড়বে না : শেখ বশিরউদ্দীন

শরীয়তপুরে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ২ বাড়িতে ডাকাতি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শরীয়তপুর পৌর এলাকায় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে দুটি বাড়িতে ডাকাতি সংঘটিত হয়েছে। এ সময় ডাকাত দল নগদ ও স্বর্ণালঙ্কারসহ ১০ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে। এ সময় ডাকাতের পিটুনিতে দুজন আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার গভীর রাতে শরীয়তপুর সদর পৌরসভার বাঘিয়া গ্রামের সোবহান হাওলাদার ও ওয়াশিম হাওলাদারের বাড়িতে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় ইউনুস ও পালং মডেল থানাসূত্রে জানা যায়, গভীর রাতে ১৫-২০ জনের একদল সশস্ত্র মুখোশধারী ডাকাত দল প্রথমে ঘরের তালা ও দরজা ভেঙে বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করে।

ঘরের লোকজনদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে হাত-পা ও চোখ বেঁধে ফেলে। এর পর তারা ঘরের আলমারি ভেঙে দুটি ঘর থেকে ৪০ হাজার টাকা ও ১১ ভরি স্বর্ণালঙ্কারসহ জামা কাপড় ও অন্যান্য মালামাল নিয়ে যায়। এ সময় ওয়াশিম হাওলাদারকে পিটিয়ে মারাত্মক আহত করে।

একই রাতে পার্শ্ববর্তী কুড়াশি এলাকায় মালেক ছৈয়ালের ঘরের দরজা ভেঙে ১৫-২০ জন মুখোশধারী ডাকাত দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে। এর পর অস্ত্রের মুখে ঘরের লোকজনের হাত-পা বেঁধে আলমারি ভেঙে ৬০ হাজার টাকা, সাত ভরি স্বর্ণালঙ্কারসহ ঘরের অন্যান্য মালামাল নিয়ে যায়। এ সময় জিহান নামে এক নারীকে মারপিট করে আহত করে।

কুড়াশি গ্রামের আ. মালেক ছৈয়াল বলেন, রাত ৩টার দিকে ১৫-২০ জন মুখোশধারী ডাকাত আমার ঘরের দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে সবাইকে হাত-পা বেঁধে অস্ত্রের মুখে সাত ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও ৬০ হাজার টাকা নিয়ে যায়। এ সময় পিটিয়ে একজনকে আহত করে। আমরা আতঙ্কে আছি।

বাঘিয়া গ্রামের ওয়াশিম হাওলাদার বলেন, ১৫-২০ জন ডাকাত আমাদের বাড়িতে এসে তালা ও দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে সবাইকে হাত-পা ও চোখ বেঁধে দুটি ঘর থেকে ৪০ হাজার টাকা ও ১১ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও কাপড়-চোপড়সহ অন্যান্য মালামাল নিয়ে যায়। এ সময় আমাকে পিটিয়ে আহত করে।

পালং মডেল থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ডাকাতির কথা শুনে রাতে পুলিশ পাঠিয়েছিলাম। তদন্ত করে দেখি কি করা যায়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শার্টের বুকে ‘কাপুর’ লিখে আলোচনায় আলিয়া ভাট

শরীয়তপুরে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ২ বাড়িতে ডাকাতি

আপডেট সময় ০২:১০:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শরীয়তপুর পৌর এলাকায় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে দুটি বাড়িতে ডাকাতি সংঘটিত হয়েছে। এ সময় ডাকাত দল নগদ ও স্বর্ণালঙ্কারসহ ১০ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে। এ সময় ডাকাতের পিটুনিতে দুজন আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার গভীর রাতে শরীয়তপুর সদর পৌরসভার বাঘিয়া গ্রামের সোবহান হাওলাদার ও ওয়াশিম হাওলাদারের বাড়িতে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় ইউনুস ও পালং মডেল থানাসূত্রে জানা যায়, গভীর রাতে ১৫-২০ জনের একদল সশস্ত্র মুখোশধারী ডাকাত দল প্রথমে ঘরের তালা ও দরজা ভেঙে বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করে।

ঘরের লোকজনদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে হাত-পা ও চোখ বেঁধে ফেলে। এর পর তারা ঘরের আলমারি ভেঙে দুটি ঘর থেকে ৪০ হাজার টাকা ও ১১ ভরি স্বর্ণালঙ্কারসহ জামা কাপড় ও অন্যান্য মালামাল নিয়ে যায়। এ সময় ওয়াশিম হাওলাদারকে পিটিয়ে মারাত্মক আহত করে।

একই রাতে পার্শ্ববর্তী কুড়াশি এলাকায় মালেক ছৈয়ালের ঘরের দরজা ভেঙে ১৫-২০ জন মুখোশধারী ডাকাত দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে। এর পর অস্ত্রের মুখে ঘরের লোকজনের হাত-পা বেঁধে আলমারি ভেঙে ৬০ হাজার টাকা, সাত ভরি স্বর্ণালঙ্কারসহ ঘরের অন্যান্য মালামাল নিয়ে যায়। এ সময় জিহান নামে এক নারীকে মারপিট করে আহত করে।

কুড়াশি গ্রামের আ. মালেক ছৈয়াল বলেন, রাত ৩টার দিকে ১৫-২০ জন মুখোশধারী ডাকাত আমার ঘরের দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে সবাইকে হাত-পা বেঁধে অস্ত্রের মুখে সাত ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও ৬০ হাজার টাকা নিয়ে যায়। এ সময় পিটিয়ে একজনকে আহত করে। আমরা আতঙ্কে আছি।

বাঘিয়া গ্রামের ওয়াশিম হাওলাদার বলেন, ১৫-২০ জন ডাকাত আমাদের বাড়িতে এসে তালা ও দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে সবাইকে হাত-পা ও চোখ বেঁধে দুটি ঘর থেকে ৪০ হাজার টাকা ও ১১ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও কাপড়-চোপড়সহ অন্যান্য মালামাল নিয়ে যায়। এ সময় আমাকে পিটিয়ে আহত করে।

পালং মডেল থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ডাকাতির কথা শুনে রাতে পুলিশ পাঠিয়েছিলাম। তদন্ত করে দেখি কি করা যায়।