অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ও বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর এক যুগ পর আবেগঘন সাক্ষাতকার এখন রাজনীতির হক কেক। সর্বত্রই আলোচনা কাদের সিদ্দিকী কি আওয়ামী লীগে ফিরছেন, না কি আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন জোটে অন্তর্ভূক্ত হচ্ছেন? তবে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর দলের পক্ষ থেকে জোটের সম্ভাবনা উড়িয়ে না দেয়া হলেও দল বিলুপ্ত করে আওয়ামী লীগে ফেরার ন্যূনতম সম্ভাবনা নেই বলেই জানানো হয়েছে।
১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর শাহাদাত বার্ষিকীতে প্রায় ১ ঘন্টা আবেগময় সময় কাটান বঙ্গবন্ধু হত্যার একমাত্র সশস্ত্র প্রতিবাদকারী কাদের সিদ্দিকী ও বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। বঙ্গবন্ধু কন্যাদের সঙ্গে কাদের সিদ্দিকীর সাক্ষাতকারও ছিল অনেকটা ট্র্যাজেডির মতো।
সূত্রমতে, ১৫ বিকেল সাড়ে ৪টার কিছু পরে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজরিত বাসভবনে স্বপরিবারে দোয়া করতে যাচ্ছিলেন কাদের সিদ্দিকী। এসময় বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা কাদের সিদ্দিকীকে গেইট থেকে ফিরিয়ে দেন। দায়িত্বরতরা বলেন, ভেতরে প্রধানমন্ত্রী ও উনার পরিবারবর্গ রয়েছেন। কাদের সিদ্দিকীর এ কথা শুনেই উনার মোহাম্মদপুরের বাসভবনের দিকে রওনা হোন। পথের মধ্যেই ফোন আসে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে। কাদের সিদ্দিকী আবারও ফিরে যান ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে। সেখানে এক আবেগময় পরিবেশে দীর্ঘদিন পর কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, শেখ রেহানার সঙ্গে। কাদের সিদ্দিকীর সঙ্গেও ছিলেন তার স্ত্রী নাসরিন কাদের সিদ্দিকী, মেয়ে কুশি সিদ্দিকী ও ছেলে দ্বীপ সিদ্দিকী।
রাজনীতি বিশ্লেষকদের মতে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর মধ্যে সাক্ষাতকারটি পারিবারিক হলেও এর মধ্যে দিয়ে আগামীর রাজনীতির একটি বার্তা পরিষ্কার হলো। সেটি হচ্ছে, কাদের সিদ্দিকী আর বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটে যাচ্ছেন না। তিনি আমৃত্যু বঙ্গবন্ধুর আদর্শেই থাকছেন। তবে, বি.চৌধুরী-রবের নেতৃত্বাধীন জোটে থাকলেও আওয়ামী লীগের প্রতি তার দূর্বলতা থাকবেই।
এ বিষয়ে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বলেছেন, ‘কোন জোটে যাবো ,যাবো না সেটা বলার সময় এখনও আসেনি।’ আওয়ামী লীগে ফেরার কোনো সম্ভাবনা আছে না কি জানতে চাইলে কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘ কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ আমার সন্তানের মতো। সন্তানকে নিশ্চয়ই পিতা হত্যা করতে পারেন না। তাই, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ থাকবে।’
আকাশ নিউজ ডেস্ক 























