ঢাকা ০৪:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ব্রাজিলের বাজির ঘোড়া যারা

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

মহারণের মঞ্চ তৈরি, প্রস্তুত দুদল। রাতে জেদ্দায় মুখোমুখি হচ্ছে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর লড়াই দেখতে উন্মুখ কোটি ফুটবলপ্রেমী। নজর থাকছে উভয় দলের ফুটবলারদের ওপর। তবে বেশি লাইমলাইটে থাকছেন ব্রাজিলিয়ানরা।

রাশিয়া বিশ্বকাপে ভরাডুবির পর খোলনলচে বদলে গেছে আর্জেন্টিনা। সেখানে সুস্থির ব্রাজিল দল। বিশ্বকাপে খেলা দলটির অধিকাংশ খেলোয়াড়ই খেলছেন এখন। স্বাভাবিকভাবেই দৃষ্টি থাকছে সেই ত্রয়ীর ওপর-নেইমার, ফিলিপে কুতিনহো ও গ্যাব্রিয়েল জেসুস। চিরশত্রু আলবিসেলেস্তেদের বিপক্ষে কোচ তিতের তুরুপের তাস তারাই।

আর্জেন্টিনার এ দলটি একেবারে আনকোরা হলেও হালকাভাবে নিচ্ছে না ব্রাজিল। পড়শিদের বিপক্ষে জিততে হলে সেরাটাই উজাড় করে দিতে হবে সেলেকাওদের। এ ক্ষেত্রে ব্রাজিল ভক্ত-সমর্থকরা চেয়ে আছেন নেইমার-কুতিনহো-জেসুসের ওপরই।

বিশ্বকাপে মাত্র দুই গোল করেন নেইমার। তবে ২০১৬ সালের জুনে তিতে দায়িত্ব নেয়ার পর চরম ধারাবাহিক তিনি। বর্তমান কোচের অধীনে জাতীয় দলের হয়ে সবচেয়ে বেশি নিশানাভেদ করেছেন এ ফরোয়ার্ডই। সব মিলিয়ে করেছেন ১৪ গোল। পিএসজির হয়েও আছেন চেনা ছন্দে। সঙ্গত কারণে টানটান উত্তেজনার ম্যাচে চোখ থাকছে তার ওপর।

গ্যাব্রিয়েল জেসুসের প্রতিভা নিয়ে কোনো সংশয় নেই। তবে বিশ্বকাপে হতাশ করেছেন তিনি। তবু নজর থাকছে তার ওপর। ২০১৬ সালে অভিষেকের পর ব্রাজিলের হয়ে ১১ গোল করেছেন জেসুস। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে এ ম্যাচে ফুটবলবোদ্ধাদের বাজির ঘোড়া এ তরুণই। তবে শুরুর একাদশে ঠাঁই পেতে তাকে লড়তে হবে ইনফর্ম রবার্তো ফিরমিনোর সঙ্গে।

ফিলিপে কুতিনহো এখন ব্রাজিলের অপরিহার্য অঙ্গ। মাঝমাঠের তুখোড় সৈনিক তিনি। খেলার রেশ ধরে থাকেন এ মিডফিল্ডারই। তিতের অধীনে তার পারফরম্যান্সও চোখ জুড়ানো। সব মিলিয়ে ১৩ ম্যাচে করেছেন ৯ গোল। বিশ্বকাপে দলকে কোয়ার্টার ফাইনালে তোলার নেপথ্য নায়ক তিনিই। সর্বোপরি তাকে নিয়েই বাজির দরটা বেশি।

ফুটবলবোদ্ধাদের মতে, কুতিনহোর পায়ে দেখা যাবে লাতিন ছন্দ। ফুটবে ফুটবলের শৈল্পিক ফুল। ইউরোপের পাওয়ার ফুটবল দেখতে হাঁপিয়ে ওঠা দর্শকরা ভিন্ন স্বাদ নেবে। এ ছাড়া নতুন কেউও আলোর বিচ্ছুরণ ঘটাতে পারে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ব্রাজিলের বাজির ঘোড়া যারা

আপডেট সময় ০৫:৪৩:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৮

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

মহারণের মঞ্চ তৈরি, প্রস্তুত দুদল। রাতে জেদ্দায় মুখোমুখি হচ্ছে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর লড়াই দেখতে উন্মুখ কোটি ফুটবলপ্রেমী। নজর থাকছে উভয় দলের ফুটবলারদের ওপর। তবে বেশি লাইমলাইটে থাকছেন ব্রাজিলিয়ানরা।

রাশিয়া বিশ্বকাপে ভরাডুবির পর খোলনলচে বদলে গেছে আর্জেন্টিনা। সেখানে সুস্থির ব্রাজিল দল। বিশ্বকাপে খেলা দলটির অধিকাংশ খেলোয়াড়ই খেলছেন এখন। স্বাভাবিকভাবেই দৃষ্টি থাকছে সেই ত্রয়ীর ওপর-নেইমার, ফিলিপে কুতিনহো ও গ্যাব্রিয়েল জেসুস। চিরশত্রু আলবিসেলেস্তেদের বিপক্ষে কোচ তিতের তুরুপের তাস তারাই।

আর্জেন্টিনার এ দলটি একেবারে আনকোরা হলেও হালকাভাবে নিচ্ছে না ব্রাজিল। পড়শিদের বিপক্ষে জিততে হলে সেরাটাই উজাড় করে দিতে হবে সেলেকাওদের। এ ক্ষেত্রে ব্রাজিল ভক্ত-সমর্থকরা চেয়ে আছেন নেইমার-কুতিনহো-জেসুসের ওপরই।

বিশ্বকাপে মাত্র দুই গোল করেন নেইমার। তবে ২০১৬ সালের জুনে তিতে দায়িত্ব নেয়ার পর চরম ধারাবাহিক তিনি। বর্তমান কোচের অধীনে জাতীয় দলের হয়ে সবচেয়ে বেশি নিশানাভেদ করেছেন এ ফরোয়ার্ডই। সব মিলিয়ে করেছেন ১৪ গোল। পিএসজির হয়েও আছেন চেনা ছন্দে। সঙ্গত কারণে টানটান উত্তেজনার ম্যাচে চোখ থাকছে তার ওপর।

গ্যাব্রিয়েল জেসুসের প্রতিভা নিয়ে কোনো সংশয় নেই। তবে বিশ্বকাপে হতাশ করেছেন তিনি। তবু নজর থাকছে তার ওপর। ২০১৬ সালে অভিষেকের পর ব্রাজিলের হয়ে ১১ গোল করেছেন জেসুস। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে এ ম্যাচে ফুটবলবোদ্ধাদের বাজির ঘোড়া এ তরুণই। তবে শুরুর একাদশে ঠাঁই পেতে তাকে লড়তে হবে ইনফর্ম রবার্তো ফিরমিনোর সঙ্গে।

ফিলিপে কুতিনহো এখন ব্রাজিলের অপরিহার্য অঙ্গ। মাঝমাঠের তুখোড় সৈনিক তিনি। খেলার রেশ ধরে থাকেন এ মিডফিল্ডারই। তিতের অধীনে তার পারফরম্যান্সও চোখ জুড়ানো। সব মিলিয়ে ১৩ ম্যাচে করেছেন ৯ গোল। বিশ্বকাপে দলকে কোয়ার্টার ফাইনালে তোলার নেপথ্য নায়ক তিনিই। সর্বোপরি তাকে নিয়েই বাজির দরটা বেশি।

ফুটবলবোদ্ধাদের মতে, কুতিনহোর পায়ে দেখা যাবে লাতিন ছন্দ। ফুটবে ফুটবলের শৈল্পিক ফুল। ইউরোপের পাওয়ার ফুটবল দেখতে হাঁপিয়ে ওঠা দর্শকরা ভিন্ন স্বাদ নেবে। এ ছাড়া নতুন কেউও আলোর বিচ্ছুরণ ঘটাতে পারে।