ঢাকা ০৭:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ব্রাজিলের বাজির ঘোড়া যারা

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

মহারণের মঞ্চ তৈরি, প্রস্তুত দুদল। রাতে জেদ্দায় মুখোমুখি হচ্ছে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর লড়াই দেখতে উন্মুখ কোটি ফুটবলপ্রেমী। নজর থাকছে উভয় দলের ফুটবলারদের ওপর। তবে বেশি লাইমলাইটে থাকছেন ব্রাজিলিয়ানরা।

রাশিয়া বিশ্বকাপে ভরাডুবির পর খোলনলচে বদলে গেছে আর্জেন্টিনা। সেখানে সুস্থির ব্রাজিল দল। বিশ্বকাপে খেলা দলটির অধিকাংশ খেলোয়াড়ই খেলছেন এখন। স্বাভাবিকভাবেই দৃষ্টি থাকছে সেই ত্রয়ীর ওপর-নেইমার, ফিলিপে কুতিনহো ও গ্যাব্রিয়েল জেসুস। চিরশত্রু আলবিসেলেস্তেদের বিপক্ষে কোচ তিতের তুরুপের তাস তারাই।

আর্জেন্টিনার এ দলটি একেবারে আনকোরা হলেও হালকাভাবে নিচ্ছে না ব্রাজিল। পড়শিদের বিপক্ষে জিততে হলে সেরাটাই উজাড় করে দিতে হবে সেলেকাওদের। এ ক্ষেত্রে ব্রাজিল ভক্ত-সমর্থকরা চেয়ে আছেন নেইমার-কুতিনহো-জেসুসের ওপরই।

বিশ্বকাপে মাত্র দুই গোল করেন নেইমার। তবে ২০১৬ সালের জুনে তিতে দায়িত্ব নেয়ার পর চরম ধারাবাহিক তিনি। বর্তমান কোচের অধীনে জাতীয় দলের হয়ে সবচেয়ে বেশি নিশানাভেদ করেছেন এ ফরোয়ার্ডই। সব মিলিয়ে করেছেন ১৪ গোল। পিএসজির হয়েও আছেন চেনা ছন্দে। সঙ্গত কারণে টানটান উত্তেজনার ম্যাচে চোখ থাকছে তার ওপর।

গ্যাব্রিয়েল জেসুসের প্রতিভা নিয়ে কোনো সংশয় নেই। তবে বিশ্বকাপে হতাশ করেছেন তিনি। তবু নজর থাকছে তার ওপর। ২০১৬ সালে অভিষেকের পর ব্রাজিলের হয়ে ১১ গোল করেছেন জেসুস। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে এ ম্যাচে ফুটবলবোদ্ধাদের বাজির ঘোড়া এ তরুণই। তবে শুরুর একাদশে ঠাঁই পেতে তাকে লড়তে হবে ইনফর্ম রবার্তো ফিরমিনোর সঙ্গে।

ফিলিপে কুতিনহো এখন ব্রাজিলের অপরিহার্য অঙ্গ। মাঝমাঠের তুখোড় সৈনিক তিনি। খেলার রেশ ধরে থাকেন এ মিডফিল্ডারই। তিতের অধীনে তার পারফরম্যান্সও চোখ জুড়ানো। সব মিলিয়ে ১৩ ম্যাচে করেছেন ৯ গোল। বিশ্বকাপে দলকে কোয়ার্টার ফাইনালে তোলার নেপথ্য নায়ক তিনিই। সর্বোপরি তাকে নিয়েই বাজির দরটা বেশি।

ফুটবলবোদ্ধাদের মতে, কুতিনহোর পায়ে দেখা যাবে লাতিন ছন্দ। ফুটবে ফুটবলের শৈল্পিক ফুল। ইউরোপের পাওয়ার ফুটবল দেখতে হাঁপিয়ে ওঠা দর্শকরা ভিন্ন স্বাদ নেবে। এ ছাড়া নতুন কেউও আলোর বিচ্ছুরণ ঘটাতে পারে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ব্রাজিলের বাজির ঘোড়া যারা

আপডেট সময় ০৫:৪৩:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৮

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

মহারণের মঞ্চ তৈরি, প্রস্তুত দুদল। রাতে জেদ্দায় মুখোমুখি হচ্ছে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর লড়াই দেখতে উন্মুখ কোটি ফুটবলপ্রেমী। নজর থাকছে উভয় দলের ফুটবলারদের ওপর। তবে বেশি লাইমলাইটে থাকছেন ব্রাজিলিয়ানরা।

রাশিয়া বিশ্বকাপে ভরাডুবির পর খোলনলচে বদলে গেছে আর্জেন্টিনা। সেখানে সুস্থির ব্রাজিল দল। বিশ্বকাপে খেলা দলটির অধিকাংশ খেলোয়াড়ই খেলছেন এখন। স্বাভাবিকভাবেই দৃষ্টি থাকছে সেই ত্রয়ীর ওপর-নেইমার, ফিলিপে কুতিনহো ও গ্যাব্রিয়েল জেসুস। চিরশত্রু আলবিসেলেস্তেদের বিপক্ষে কোচ তিতের তুরুপের তাস তারাই।

আর্জেন্টিনার এ দলটি একেবারে আনকোরা হলেও হালকাভাবে নিচ্ছে না ব্রাজিল। পড়শিদের বিপক্ষে জিততে হলে সেরাটাই উজাড় করে দিতে হবে সেলেকাওদের। এ ক্ষেত্রে ব্রাজিল ভক্ত-সমর্থকরা চেয়ে আছেন নেইমার-কুতিনহো-জেসুসের ওপরই।

বিশ্বকাপে মাত্র দুই গোল করেন নেইমার। তবে ২০১৬ সালের জুনে তিতে দায়িত্ব নেয়ার পর চরম ধারাবাহিক তিনি। বর্তমান কোচের অধীনে জাতীয় দলের হয়ে সবচেয়ে বেশি নিশানাভেদ করেছেন এ ফরোয়ার্ডই। সব মিলিয়ে করেছেন ১৪ গোল। পিএসজির হয়েও আছেন চেনা ছন্দে। সঙ্গত কারণে টানটান উত্তেজনার ম্যাচে চোখ থাকছে তার ওপর।

গ্যাব্রিয়েল জেসুসের প্রতিভা নিয়ে কোনো সংশয় নেই। তবে বিশ্বকাপে হতাশ করেছেন তিনি। তবু নজর থাকছে তার ওপর। ২০১৬ সালে অভিষেকের পর ব্রাজিলের হয়ে ১১ গোল করেছেন জেসুস। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে এ ম্যাচে ফুটবলবোদ্ধাদের বাজির ঘোড়া এ তরুণই। তবে শুরুর একাদশে ঠাঁই পেতে তাকে লড়তে হবে ইনফর্ম রবার্তো ফিরমিনোর সঙ্গে।

ফিলিপে কুতিনহো এখন ব্রাজিলের অপরিহার্য অঙ্গ। মাঝমাঠের তুখোড় সৈনিক তিনি। খেলার রেশ ধরে থাকেন এ মিডফিল্ডারই। তিতের অধীনে তার পারফরম্যান্সও চোখ জুড়ানো। সব মিলিয়ে ১৩ ম্যাচে করেছেন ৯ গোল। বিশ্বকাপে দলকে কোয়ার্টার ফাইনালে তোলার নেপথ্য নায়ক তিনিই। সর্বোপরি তাকে নিয়েই বাজির দরটা বেশি।

ফুটবলবোদ্ধাদের মতে, কুতিনহোর পায়ে দেখা যাবে লাতিন ছন্দ। ফুটবে ফুটবলের শৈল্পিক ফুল। ইউরোপের পাওয়ার ফুটবল দেখতে হাঁপিয়ে ওঠা দর্শকরা ভিন্ন স্বাদ নেবে। এ ছাড়া নতুন কেউও আলোর বিচ্ছুরণ ঘটাতে পারে।